কলকাতার ডায়েরি

নেতৃত্বে পরিবর্তনের দাবি সিপিআইএমে

শেষের পাতা

পরিতোষ পাল | ২৫ আগস্ট ২০১৯, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:২৫
ভারতের বৃহত্তম কমিউনিস্ট পার্টি হিসেবে সিপিআইএম একসময় তিনটি রাজ্যে ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু গত এক দশকে এই দলের ভোট প্রাপ্তির হার কমতে কমতে ৭-৮ শতাংশে নেমে এসেছে। দলের অভ্যন্তরে রক্তক্ষরণের নানা ঘটনার কথা জানা গেলেও এখনো বামপন্থার আদর্শে বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা কম নয়। আর এই মানুষদের মধ্যে তরুণ ও যুব সম্প্রদায়ও রয়েছে। কিন্তু সংগঠনে নেতৃত্বেও রদবদলে কোনো অগ্রগতি হয়নি। যে নেতৃত্বের হাত ধরে দলের বিপর্যয় ঘটেছে, নানা অনৈতিক সিদ্ধান্তে একমত হয়েছেন, তারা এখনো বহাল তবিয়তে নেতৃত্বে থেকে ছড়ি ঘুরিয়ে চলেছেন। তবে সব ব্যাপারে যেমন পশ্চিমবঙ্গের কমিউনিস্টরা অতীতে পথ দেখিয়েছেন, এবার তারাই অগ্রণী হয়ে নেতৃত্বে ঢালাও রদবদলের দাবি তুলেছেন। মুখে নয় , একেবারে লিখিতভাবে এই দাবি পেশ করা হয়েছে। অনেকদিন ধরে দলের অভ্যন্তরে নেতৃত্বে নবীনদের অভাব দেখা যাচ্ছিল। অভিযোগ, প্রবীণরা পদ আঁকড়ে থেকে যাওয়ার জন্যই নবীন নেতৃত্বকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দিতে চাননি। তাছাড়া কমিউনের অনাড়ম্বর জীবনে তাদের খুব ভয়। ফলে দলের নেতৃত্বে সত্তরোর্ধ্ব নেতার সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। অথচ এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, দেশের জনসংখ্যার ৭০ শতাংশেরই গড় বয়স চল্লিশের আশেপাশে। অবশ্য কিছুদিন আগেই কঠিন পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করার জন্য যে সংগঠনকে নতুনভাবে সাজানো দরকার সেকথা দলের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরিও বলেছেন।

লোকসভা নির্বাচনে এবার নজিরবিহীন বিপর্যয়ের পরে সাংগঠনিক পুনর্গঠনের লক্ষ্য নিয়ে সিপিআইএম সদস্যদের মতামত নিতে শুরু করেছে। জানা গেছে, দলের পশ্চিমবঙ্গ কমিটির বেশিরভাগই লিখিতভাবে জানিয়েছেন, তারা সর্বস্তরের নেতৃত্বে ঢালাও রদবদল চান। তবে দলের মধ্যে এখনও একটি অংশ গয়ংগচ্ছভাবে চলার পক্ষে। আর তাই দলের নির্দেশ সত্ত্বেও তারা মতামত জানাতে দ্বিধা করেছেন। জানা গেছে, তাদের জন্য নির্দিষ্ট প্রো-ফর্মা মেনে বক্তব্য জমা দেওয়ার কথা থাকলেও রাজ্য কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীদের কয়েকজন সেই নির্দেশ মানতে গড়িমসি করেছেন। তবে সিপিআইএমের রাজ্য কমিটির সাধারণ সদস্যদের মধ্যে বেশির ভাগের মতোই উপর থেকে নিচে পর্যন্ত নানা কমিটির খোলনলচে বদলের পক্ষে। রাজ্য দপ্তরে লিখিতভাবে তারা সে কথাই জানিয়েছেন। পরিবর্তনপন্থিদের যুক্তি, লাগাতার বিপর্যয়ের জেরে পিঠ এখন দেওয়ালে ঠেকেছে। সর্বস্তরে নতুন মুখ এনে জনসমর্থন পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করার এটাই উপযুক্ত সময়।

বড় ধরনের রদবদল না করলে বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরে পাওয়া কঠিন বলেও তারা জানিয়েছেন। দলের অভ্যন্তরে তাই শোনা গেছে, রাজ্য থেকে শুরু করে একেবারে তৃণমূল স্তর পর্যন্ত কমিটিগুলির পুনর্বিন্যাস করে নতুন মুখকে দায়িত্ব দেওয়া দরকার। তুলনায় তরুণ নেতা-কর্মীদের সামনে এনে পথে লড়াইয়ে নামার ব্যবস্থা করা দরকার। তবে সিপিআইএমের মত সংগঠনে রদবদল জটিল প্রক্রিয়ার অঙ্গ। ফলে মুখ পদ ছেড়ে দেবার কথা প্রবীণ নেতারা যতই বলুন না কেন, তারা জানেন তাদের সরানো সহজ নয়। তবে পরিবর্তনপন্থী নেতারা মনে করেন, রাজ্যের শীর্ষ স্তর থেকে তৃণমূল স্তর পর্যন্ত সব কমিটিতে বয়স এবং কর্মীদের নানা অংশের প্রতিনিধিত্বের অনিুপাতিক কিছু পরিবর্তন ঘটিয়ে আপাতত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করার সুযোগ রয়েছে। এদিকে সিপিআইএমের ছাত্র সংগঠন স্টুডেন্ট ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার ৫০ বর্ষপূতি উপলক্ষে আযোজিত এক অনুষ্ঠানে সাবেক ছাত্রনেতারা বামপন্থী ছাত্রদের আত্মকেন্দ্রিকতা ছেড়ে চারপাশে কী ঘটছে, তা জানার পরামর্শ দিয়েছেন। বর্তমান প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীদের উদেশ্যে সিপিআইএমের প্রবীণ নেতা বিমান বসু বলেছেন, প্রকৃত মানুষ হওয়ার দিকে নজর দিতে হবে। সেলফি তোলা ছেড়ে চারপাশে কী ঘটছে, তা জানতে হবে, বুঝতে হবে। ছাত্রজীবন থেকেই ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পথ তৈরি হয় বলে তিনি জানিয়েছেন।

‘দিদিকে বলো’র পাল্টা বিজেপির ‘চা চক্রে দিলীপদা’
ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিচুতলার মানুষের ক্ষোভ ও যন্ত্রণার কথা জানতে ‘দিদিকে বলো’ নামে অভিনব এক প্রকল্প চালু করেছেন। এই প্রকল্পে টেলিফোনে বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সরাসরি দিদিকে বলা যাচ্ছে যে কোনো অভিযোগের কথা। এমনকি মতামত ও পরামর্শও দেওয়া যাচ্ছে। এই সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থায় ইতিমধ্যেই কয়েক লাখ মানুষ যোগ দিয়েছেন। তবে রাজ্যেও বিরোধী দল হিসেবে বিজেপি মমতার এই সব কর্মকাণ্ডের উপর নজর রাখছেন। তবে নজর রাখাই নয়, এবার বিজেপিও মাঠে নেমে পড়তে চলেছে। বিজেপির রাজ্য নেতাদের কথায়, ফোন করা বা ইমেইলে চিঠি লেখার দরকার নেই। বরং বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মুখোমুখি হয়ে কথা বলার ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। সেপ্টেম্বর থেকেই রাজ্যেও বিভিন্ন প্রান্তে দিলীপ ঘোষ জসতার সঙ্গে চা চক্রে মিলিত হবেন বলে জানা গেছে। আসলে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দিলীপ ঘোষকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বিজেপির মুখ করে প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আর তাই মোদির চা পে চর্চার ঢঙে চালু করা হচ্ছে চা চক্রে দিলীপদা। রাজ্যের নানা প্রান্তে ঘুরে দিলীপ ঘোষ মানুষের সঙ্গে চা চক্রে মিলিত হয়ে জানার চেষ্টা করবেন মানুষের মনের কথা। ইতিমধ্যে ১০৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও চিত্র তৈরি করা হয়েছে।

এই ভিডিওতে দিলীপ ঘোষকে দেখা গেছে নানা পোজে। কখনো তিনি চায়ে চুমুক দিচ্ছেন, কখনো শিশুদের সঙ্গে খেলছেন, কখনো প্রার্থনা করছেন আবার সমুদ্র সৈকতে গরুকে (বিজেপির ভাষায় গো মাতা) পাশে নিয়ে ছবি তুলেছেন। ভিডিও চিত্রে এক মহিলা সঞ্চালক বলছেন, আপনার খুশি হওয়ার জন্য ফোন বা চিঠি লেখার দরকার নেই। বাংলার মানুশের জন্য কাজ করতে যিনি কুচবিহার থেকে কাকদ্বীপ ঘুরছেন সেই দিলীপদার সঙ্গে মুখোমুখি বসুন। ভিডিওতে আরো বলা হয়েছে, উনি আপনার পাড়ায় যাবেন। উনার সঙ্গে শেয়ার করুন প্রতিদিনকার চলার পথে আপনার যন্ত্রণা, আপনার ভালোলাগা। মনে রাখবেন, উনি আপনাদেরই দিলীপদা। ভিডিওতে রয়েছে রবীন্দ্রসংগীতের ব্যবহারও। ‘ও আমার দেশের মাটি, তোমার ’পরে ঠেকাই মাথা’- এর মত গান ব্যবহারের মাধ্য গোটা ব্যবস্থাকেই বাঙালি আবেগের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রচারের এই ঢঙ দেখে মনে হচ্ছে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দিলীপ ঘোষকে আগামী দিনে রাজ্যেও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরতে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। এটা সকলেই মেনে নিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে লোকসভার নির্বাচনে ৪৩ শতাংশ ভোটের বিনিময়ে ১৯ আসন জয়ের আসাধারণ কৃতিত্ব দিলীপ ঘোষেরই। রাজ্য বিজেপির সভাপতি হিসেবে আরএসএসের সাবেক এই সদস্য রাজ্যের মানুষকে উদ্দীপিত করেছেন বিজেপির পক্ষে। তাই দিলীপ ঘোষই আগামী নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপির প্রধান মুখ।

বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে অনাস্থা
কলকাতায় বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। এরা ক্ষমতার দিকে সহজেই ঝুঁকে পড়েন এমন অভিযোগও বারে বারে উঠেছে। রাজ্য রাজনীতিতে দেখা গেছে, একসময় বামপন্থীদের দিকেই বুদ্ধিজীবীরা সমবেত হয়েছিলেন। আবার পরিবর্তনের দাবিতে সেই বুদ্ধিজীবীদের একটা বড় অংশই তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে আনুগত্য প্রকাশ করেছে। আবার একদল ক্ষোভে সেদিক থেকে সরে এসে মধ্যপন্থা নিয়ে চলার চেষ্টা করেছেন। বুদ্ধিজীবীদের এভাবে পেন্ডুলামের মতো এদিক ওদিক যাওয়াকে মানুষ যে মোটেই ভালোভাবে দেখছেন না সেটাই বোঝা গিয়েছে রাস্তা ঘাটে বা আলোচনা সভায় বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে নানা বিরূপ মন্তব্যে। সম্প্রতি কলকাতায় বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে এক আলোচনা সভাতেও বেশিরভাগ শ্রোতা বিতর্কসভার মতো অনুযায়ী নির্দ্বিধায় ঘোষণা করেছেন, বুদ্ধিজীবীরা সমাজের পক্ষে সত্যি সত্যি ক্ষতিকর। বিতর্কসভার সঞ্চালক বিশিষ্ট চিকিৎসক কুণাল সরকার শুরুতেই সমাজের মনোভাবটা জানিয়ে দিয়ে বলেছিলেন, বুদ্ধিজীবীরা বাঘের মতো বিপন্ন। অন্তত দুনিয়া জুড়ে রাজনৈতিক আবহাওয়া তাদের পক্ষে খুব স্বাস্থ্যকর ঠেকছে না। এদিনের বিতর্কসভায় অনেকেই বুদ্ধিজীবীদের অবক্ষয় নিয়ে সরব হয়েছেন। ‘বুদ্ধিজীবীরা সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর, তাদের থেকে দূরে থাকুন’ মতের পক্ষে বলতে গিয়ে ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পাল, সংসদ সদস্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেতা বাদশা মৈত্র এবং বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বুদ্ধিজীবীদের পক্ষপাতদুষ্ট, একপেশে এবং অভিসন্ধিমূলক প্রতিবাদের জন্য সমালোচনায় সরব হয়েছেন। তবে এই ধারণার বিরুদ্ধবাদীদের মতে, ‘বুদ্ধিজীবী’রা যন্ত্রণাদায়ক ইঞ্জেকশনের মতো। ছোটরা কখনোই তার উপকারিতা বোঝে না। তাদের আরও বক্তব্য, বুদ্ধিজীবীরাই সমাজকে প্রশ্ন করতে শেখায়। বুদ্ধিজীবীরাই স্বাধীন স্বর। বিতর্কসভার মতের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, অধ্যাপক সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়, সাহিত্যিক চন্দ্রিল ভট্টাচার্য, তিলোত্তমা মজুমদার, কবি সুবোধ সরকার প্রমুখ। কিন্তু সভার শেষে শ্রোতারা ধ্বনী ভোটে ও হাত তুলে স্পষ্ট ভাবে বুদ্ধিজীবীদের প্রতি অনাস্থাই প্রকাশ করেছেন।

‘বহুরূপি’তে তালা পড়েছে
কলকাতার প্রাচীনতম নাট্যসংস্থাগুলোর অন্যতম ‘বহুরূপি’। শম্ভু মিত্র, তৃপ্তি মিত্র, কুমার রায়ের মতো নাট্যাভিনেতা ও নির্দেশকের স্মৃতিবিজড়িত বহুরূপির অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। চারদিকে যখন নাট্য সংস্থাগুলোর আর্থিক দুর্বলতা নিয়ে নানা আলোচনা এবং নাট্যদলগুলোর তৎপরতা বন্ধের জন্য আর্থিক দুরবস্থাকে দায়ী করা হচ্ছে ঠিক তখনই ৭২ বছরের পুরনো বহুরূপি বন্ধ হয়েছে অর্থ তছরুপের অভিযোগে। ১৯৪৮ ভারতীয় গণনাট্য সংঘ থেকে কেরিয়ে এসে বামপন্থি আদশে বিশ্বাসী একদল মানুষ বহুরূপি নাট্য সংস্থার ছাতার তলায় এক জোট হয়েছিলেন। তারা বাংলা নাটকের ক্ষেত্রে পরীক্ষামূলক নাটকের মাধ্যমে সাড়া ফেল দিয়েছিলেন। আর এই নাট্য দলের হাত ধরেই জন্ম হয়েছে বহু নাট্যাভিনেতা এবং সিনেমার অভিনেতা ও অভিনেত্রীর। দীর্ঘ ঐতিহ্যসম্পন্ন এই সংস্থাটির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ। তবে অর্থ তছরুপের অভিযোগে এই সংস্থা এখন দুভাগে বিভক্ত। আদালতে মামলাও হয়েছে। আসলে বহুরূপির ক্ষেত্রে অর্থই অনর্থ হয়ে উঠেছে। বহুরূপি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে প্রচুর অর্থ অনুদান হিসেবে পেয়ে থাকে। জানা গেছে, বার্ষিক ৭২ হাজার রুপি করে ২২ জনের সেলারি গ্রান্ট, প্রোডাকশন বাবদ ৫ লাখ-৬ লাখ রুপি, ম্যাগাজিন বাবদ বেশ কিছু অর্থ অনুদান হিসেবে আসে। বছরে যার পরিমাণ প্রায় ২৪ লাখ-২৫ লাখ রুপি। এই বিপুল পলিমাণ অর্থেও কোনো হিসাব নেই বলে অভিযোগ করেছেন অভিনেতা দেবেশ রায় চৌধুরী। তার সঙ্গে রয়েছেন আরো কয়েকজন। তারা আদালতে মামলাও করেছেন। দেবেশ জানিয়েছেন, নাট্যসংস্থার যে কেন্দ্রীয় কমিটি রয়েছে তারা অর্থেও হিসাব দিচ্ছেন না। অর্থ লেনদেনের স্বচ্ছতার দাবিতেই নাকি তারা মামলা করেছেন।

তবে যাদের বিরুদ্ধে মামলা তাদের অন্যতম সংস্থার সচিব প্রবাল মুখোপাধ্যায় বলেছেন, অস্বচ্ছতার কোনো ব্যাপার নেই। প্রতি বছর বার্ষিক সাধারণ সভা হয়। বার্ষিক অডিট হয়। সব অর্থ লেনেদেনের হিসাব রয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন। তবে ঐতিহ্যসম্পন্ন এই নাট্য সংস্থাটির সুনামের কথা ভেবে নাট্যকার বিভাস চক্রবর্তী মধ্যস্থতা করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু হতাশ হতে হয়েছে তাকে। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতিমন্ত্রীর মাধ্যমেও মীমাংসার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। আর তার পরিণতিতে নাট্যসংস্থার পার্ক সার্কাসের অফিসে ঝুলছে তালা। ঘোষণায় বলা হয়েছে, অনির্দিষ্টকালের জন্য বহুরূপি বন্ধ।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া বহিষ্কার

‘সব অযোগ্যদের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে আওয়ামী লীগ’

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের প্রেম কাহিনী

এক বছর নিষিদ্ধ ধনঞ্জয়া

খাদ্য সংকটে উ. কোরিয়ার ৪০ শতাংশ জনগণ: জাতিসংঘ

ছাত্র রাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন দেখছিনা

বিকালে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

‘বিএনপিই ঢাকাকে ক্যাসিনোর শহর তৈরি করেছে’

বড়াল নদীতে ভেসে উঠলো চার মরদেহ

ঢাকায় সাবেক যুগ্ম সচিবের অস্বাভাবিক মৃত্যু

আফগানিস্তানে মার্কিন হামলায় ৩০ বাদাম চাষী নিহত

টেকনাফে সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলে নিহত

প্রতিবেশীর জানাজায় গিয়ে নিজেই লাশ হলেন ব্যবসায়ী

যুবকের দুই হাতের কব্জি কাটার মূল হোতা চেয়ারম্যান সহযোগিসহ গ্রেপ্তার

২ লাখ ইয়াবাসহ আটক ৮ রোহিঙ্গা

হোয়াইট হাউজের অদূরে গোলাগুলিতে নিহত ১, আহত ৫