মাদারীপুরে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০

অনলাইন

রাজৈর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি | ২১ আগস্ট ২০১৯, বুধবার, ৪:৫২
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার লক্ষীপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত একজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

আজ বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সংঘর্ষে জড়ায় পক্ষ দু’টি। এ সময় ওই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল হক ব্যাপারীর সঙ্গে একই এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা গেন্দু কাজীর বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে আজ সকালে গেন্দু কাজীর লোকজন ফজলু ব্যাপারীর লোকজনের ওপর হামলা চালায়। পরে দু’পক্ষের লোকজন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।

স্থানীয় বাসিন্দা কুসুম বেগম বলেন, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পর থেকেই আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গেন্দু কাজীর লোকজন বিভিন্ন সময় হামলা করে। আজ সকালে আবারও হামলা করলে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ইমরানুর রহমান সনেট জানান, একজন রোগীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্য রোগীরা আশঙ্কামুক্ত।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কায় ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বদলে গেল ক্লাবপাড়ার দৃশ্যপট, তবে

তদন্তের জালে ছাত্রলীগের শতাধিক নেতা

কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে র‌্যাবের অভিযান সভাপতি গ্রেপ্তার

পিয়াজের দাম কমছেই না

ছাত্র রাজনীতির ইতিবাচক পরিবর্তন দেখছি না

দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১০ জনের

‘খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের আরো অবনতি’

৪ খুঁটির মূল্য দেড় লক্ষাধিক টাকা

নজরদারিতে আওয়ামী লীগের অনেক নেতা

যুবলীগ কইরা মাতব্বরি করবেন ওই দিন শেষ

ভুটানের জালে তিন গোল বাংলাদেশের

সিলেট চেম্বার নির্বাচন নিয়ে মর্যাদার লড়াই

২৪ ঘণ্টায় নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ৫০৮ জন

কমিশন কেলেঙ্কারিতে একা হয়ে পড়েছেন জাবি ভিসি

খালেদ মাহমুদকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার

মিন্নির আলোচিত সেই জবানবন্দি