বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকতে রংপুর থেকে পায়ে হেঁটে টুঙ্গিপাড়ায় রিকশাচালক

অনলাইন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি | ২০ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ১২:৪৬ | সর্বশেষ আপডেট: ৮:০০
বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকার জন্য পায়ে হেঁটে রংপুর থেকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় গেলেন রিকশাচালক রফিকুল ইসলাম রফিক। জেলায় জেলায় বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন ও তার কবর জিয়ারতের সপ্ন বাস্তবায়নেই রফিকুলের এই পদযাত্রা। গত ১৩ জুন রংপুর জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিয়ে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকতে এবং কবর জিয়ারত করার উদ্দেশ্যে পাঁয়ে হেটে রওয়ানা করেন রফিকুল। ৩৫ দিন পর গত ১৮ জুলাই তিনি গোপালগঞ্জে পৌঁছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বরান্দায় বঙ্গবন্ধুর একটি ছবি অংকন করেন। এরপর ২০ জুলাই টুঙ্গিপাড়ায় সমাধিসৌধে পৌঁছে বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন করেন। এর আগে রফিকুল ১১ জেলার ২৬টি স্থানে বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকনের পর একটি করে কৃষ্ণচুড়া গাছ রোপন করেন।

 এ বিষয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, ৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ভাষন শোনার পর থেকেই আমি জাতির পিতার ভক্ত। এরপর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় বঙ্গবন্ধুর ছবি আঁকতে থাকি। আগামী ৪ আগষ্ট গণভবনে বঙ্গবন্ধুর একটি ছবি অংকন ও একটি গাছ রোপনের পর আমার পদযাত্রা শেষ করব।

পেশায় রিকশাচালক রফিকুল ইসলামের বাড়ী রংপুর শহরের তাজহাটা বাবুপাড়া এলাকায়।
স্ত্রী রাশিদা বেগম দুই মেয়ে ও ৩ ছেলেসহ বাবাকে নিয়ে এক বাড়িতেই বসবাস করেন তিনি। ছেলেদের হাতে সংসারের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা নিয়েই ঘর থেকে বের হয়েছেন ৫৯ বছর বয়সী এই মানুষটি। রিকশা চালানোর পাশাপাশি প্রেস শ্রমিকের কাজও করেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনের দেয়ালে দেয়ালে বঙ্গবন্ধুর ছবি অংকন করেছেন রফিকুল।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Md SiddiqurRahman

২০১৯-০৭-২০ ০১:৫৭:৪৬

তাকে যথাযথ সন্মান প্রদর্শন এর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এটা তার একটি ব্যতিক্রম উদ্যোগ।

আপনার মতামত দিন

স্টোকসের অবিশ্বাস্য ইনিংসে ইংল্যান্ডের ইতিহাস গড়া জয়

শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা মুহিতের সুনামের সঙ্গে মানানসই হবে না: টিআইবি

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে আর কোনো অর্থ দেয়া হবে না

বিদেশগামীদের সঙ্গে প্রতারণা ঠেকাতে নজরদারি জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিকাহনামা থেকে কুমারি শব্দ বাদ দেয়ার নির্দেশ

মাহীকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ, যাননি স্ত্রী

ডেঙ্গুতে মৃত্যু থামছে না

স্কুল থেকে মেয়েকে নিয়ে ফেরা হলো না আফছারের

৬ মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা

কোনো ষড়যন্ত্রই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না-সালমান এফ রহমান

দেড় মাসেও খোঁজ মেলেনি সিলেটের নাসিমার

নাগরিকত্ব দিলে একসঙ্গে ফেরার ঘোষণা

দায়বদ্ধতা ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মনোনিবেশ করুন

এডিসের বিরুদ্ধে বাড়ি বাড়ি অভিযান

প্রথম দিনেই উত্তাপ ছড়াচ্ছে জি-৭ সম্মেলন

রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় সহিংসতায় নাগরিকদের ‘সতর্ক’ করলো বৃটেন