উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে

শেষের পাতা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ১৭ জুলাই ২০১৯, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:০১
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, দেশে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে। নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে প্রশিক্ষক বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। নতুন এই উদ্যোক্তাদের ৬৪ জেলায় প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। উদ্যোক্তাদের স্লোগান হচ্ছে, ‘চাকরি চাই না, চাকরি দিতে চাই’। গতকাল ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) ও ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন (আইএসসি)-এর যৌথ আয়োজনে বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজধানীর পল্টনে ইআরএফের নিজস্ব কার্যালয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ইআরএফ সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইএফসির জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ড.মাশরুর রিয়াজ ও বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ হোসনা ফেরদৌস, ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। সালমান এফ রহমান বলেন, সহজে ব্যবসা করার সূচকে উন্নতি করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। দেশে উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন, রপ্তানি পণ্যের বহুমুখী করতে হবে, তবে সেটা পোশাক খাতকে বাদ দিয়ে নয়। পোশাকে আমার দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছি। আরো উন্নতির সুযোগ আছে। পাশাপাশি অন্য খাতের রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি বলেন, পোশাকের মতো সব রপ্তানি খাত সমান সুযোগ পাবে। অতীতে আমরা সেই সুযোগ দিতাম না। এবার সে সুবিধা পাবে। এ বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

সালমান এফ রহমান বলেন, আমাদের গার্মেন্ট পণ্যের বহুমুখীকরণ হয়েছে। পাশাপাশি গার্মেন্ট পণ্যের বাজারেরও বহুমুখীকরণ হয়েছে। আগে আমরা আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে রপ্তানি করতাম, এখন বিশ্বের অনেক দেশে গার্মেন্ট পণ্য রপ্তানি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, শিল্পের এক খাত থেকে যখন আমরা অন্য খাতে যাচ্ছি, তখনই আমাদের অভিজ্ঞতার অভাব দেখা দেয়। এক্ষেত্রে আমাদের শ্রমিক সংকট না হলেও ম্যানেজারের সংকট হয়। সেই অভিজ্ঞতার অভাবে আমরা বাইরে থেকে ম্যানেজার আনি। আশা করি, ভবিষ্যতে এ সংকট থাকবে না।

সালমান এফ রহমান বলেন, আগামী অক্টোবরের শেষ নাগাদ ওয়ার্ল্ড ব্যাংক যখন ইজ অব ডুইং বিজনেসের র‌্যাংকিং ঘোষণা করবে, আশা করছি বাংলাদেশের র‌্যাংকিং ডাবল ডিজিটে থাকবে। যদি আমাদের আশা পূর্ণ হয়, তাহলে এটি বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ বাংলাদেশে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা), বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটি (বেজা), বেপজা ও হাইটেক পার্ক এসব জায়গায় যারা বিনিয়োগ করবে, তারা ওয়ান স্টপ সার্ভিসের সুবিধা পাবে।

ইআরএফ সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে ৭৪৪টি পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। কিন্তু রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশই আসে একটি মাত্র খাত পোশাক শিল্প থেকে। আমরা মনে করি- কেবল একটি পণ্যের ওপর এভাবে নির্ভরশীল হয়ে একটি দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। তাই রপ্তানি পণ্য বহুমূখীকরণের উদ্যোগ নেয়া এখন সময়ের দাবি। আমাদের পণ্য বহুমূখীকরণের বাঁধা কোথায়? সেটি নিশ্চয় সরকারের নীতি নির্ধারকরদের অজানা নয়। তবে আমরা মনে করি ব্যবসায় পরিবেশের উন্নয়ন ও বাণিজ্য সহজীকরণের প্রতি আমাদের মনোযোগ বাড়াতে হবে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরেক মায়ের

ওরা যাবে কোথায়?

জয়শঙ্কর ঢাকায়

বঙ্গবন্ধু হত্যায় আওয়ামী লীগ নেতারাই জড়িত

২ ভারতীয় সেনাসহ নিহত ৪

দেড় মাসে স্বর্ণের দাম বাড়লো ৫ বার

মশক নিধনকর্মীদের দেখা মেলে কম

২০২৩ সালের মধ্যে সব প্রাথমিকে ‘স্কুল মিল’

চট্টগ্রামে কিশোরী ধর্ষণ, ভণ্ডপীর গ্রেপ্তার

গারো তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টা, গ্রেপ্তার ১

কাঁচা চামড়া বেচা-কেনা শুরু

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকার পুনর্বাসন করবে- ওবায়দুল কাদের

গ্রাহক নয়, উবার পাঠাওকে ৫% ভ্যাট দিতে হবে- এনবিআর

ব্রিজ-কালভার্ট মেরামতে রেলওয়ের ব্যর্থতায় হাইকোর্টের রুল

পারভেজ পুলিশি রিমান্ডে

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সারা দেশে র‌্যালি করবে বিএনপি