সেনাপ্রধান থেকে রাষ্ট্রপ্রধান

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৪ জুলাই ২০১৯, রোববার, ১১:১৪ | সর্বশেষ আপডেট: ৪:১৩
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এক সময়ের সেনাপ্রধান। সেখান থেকে নাম লেখান রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে। ১৯৭১ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত তিনি অনেকটা নীরবেই ছিলেন। এসময় তিনি সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এরশাদকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ারম্যান করা হয়।

এর কিছুদিন পরেই জিয়াউর রহমান এরশাদকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ করেন। জিয়াউর রহমানের মুত্যুর পর এরশাদ বিচারপতি সাত্তারকে অনেকটা বাধ্য করেন ক্ষমতা ছাড়তে। ৮২ সালে এরশাদের কাছে ক্ষমতা দিয়ে বিদায় নেন বিচারপতি সাত্তার। সামরিক আইন জারি করে প্রেসিডেন্ট ও সামরিক আইন প্রশাসক হন তিনি।

১৯৮৪ সালে ১৮ দফা ঘোষণা করে বাস্তবায়ন পরিষদ তৈরি করেন এরশাদ। ওই বছরই সিনিয়র রাজনীতিকদের নিয়ে গঠন করেন জনদল। কিছুদিন পর জনদল পরিবর্তন করে তৈরি করেন বর্তমানের জাতীয় পার্টি। ১৯৮৬ সালের একপাক্ষিক পাতানো নির্বাচনে জাতীয় পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। বিরোধী দল হয় আওয়ামী লীগ। ৮৮ সালে ওই সংসদ ভেঙে দিয়ে আবারও নির্বাচন দেন এরশাদ। ওই নির্বাচনে অন্য কোনো দল অংশ নেয়নি। এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন শুরু করে এরশাদের বিরুদ্ধে। ৯ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ১৯৯০ সালের ৬ই ডিসেম্বর ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন এরশাদ। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে বিএনপি ক্ষমতা গেলে গ্রেপ্তার করা হয় এরশাদকে। দীর্ঘ কারাভোগের পরে তিনি কারামুক্ত হন।

দুর্নীতির অভিযোগে কয়েকটি মামলায় তাঁর সাজাও হয়। এখনো কয়েকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এরশাদের জাতীয় পার্টি তিনটি সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে কয়েকটি আসনও পায়। ১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টির সমর্থনে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে মহাজোটের হয়ে লড়ে সংসদে যায় জাতীয় পার্টি। একই পথে হাটে ২০১৪ সালের নির্বাচনেও। এক দলীয় নির্বাচনে সংসদে বিরোধী দল হয় জাতীয় পার্টি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি সরকারের সঙ্গে জোট করে নির্বাচন করলেও সংসদে বিরোধী দল হয় জাতীয় পার্টি। আর বিরোধী দলের নেতা হন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রাঙ্গামাটিতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে সেনাসদস্য নিহত

ঈদে সড়কেই প্রাণ গেল ২২৪ জনের

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আদৌ শুরু হচ্ছে কি?

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮

এখনো উচ্চ ঝুঁকি ২৪ ঘণ্টায় ১৭০৬ রোগী ভর্তি

পার্বত্য চট্টগ্রাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ

ডেঙ্গুর প্রজননস্থলে কতটা যেতে পারছেন মশক নিধন কর্মীরা?

বৈঠকের পর চামড়া বিক্রিতে সম্মত আড়তদাররা

জনগণকে সতর্ক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার পরামর্শ

ছিনতাইকারীর হাতে খুন হন কলেজছাত্র রাব্বী

শিক্ষিকাকে গণধর্ষণের পর হত্যা

শহিদুল আলমের মামলা স্থগিতই থাকবে

ডেঙ্গুর ভয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ তবুও...

রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে ঢামেকে সংঘর্ষ, আহত ২৫

টার্গেট রাজনৈতিক সম্পর্ক দৃঢ়করণ

ইউজিসি প্রফেসর হলেন ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ