আমার সন্তান হত্যার বিচার চাই- সায়মার মা (ভিডিও)

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ৭ জুলাই ২০১৯, রোববার, ৫:৫৪ | সর্বশেষ আপডেট: ৫:৫৮
নির্মম। বর্বর। নিষ্ঠুর। অমানবিক। অমানষিক। কোন শব্দ দিয়েই যেন এই ঘটনার ধিক্কার জানানো সম্ভব নয়। ৭ বছর বয়সী মেয়ে সামিয়া আফরিন সায়মা। এই শিশুটি আর নেই।
নির্মমভাবে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। মৃতদেহে মেলে রক্তের দাগ। ধর্ষণের সময় চিৎকার করায় মুখ চেপে ধরে ধর্ষক হারুনর রশীদ। এরপর গলায় রশি পেচিয়ে টেনে নিয়ে যায় সায়মাকে।

সন্তান হারানোর কষ্টে কাতর মা সানজিদা আক্তার। তার আহাজারিতে কেপে উঠছে চারপাশ। আহাজারির মাঝে একটাই চাওয়া বিচার চান সন্তান হত্যার।

গত শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে শিশু সায়মার খোঁজ পাচ্ছিলেন না তার পরিবার। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভবনটির নয়তলার ফাঁকা ফ্ল্যাটের ভেতরে সায়মার মৃত দেহ খুঁজে পান তারা। সায়মার গলা রশি দিয়ে বাঁধা ও মুখ ছিলো রক্তাক্ত। এরপর রাত ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ওই ভবনের ছয়তলায় পরিবারের সঙ্গে থাকত সায়মা। বাবা আব্দুস সালাম নবাবপুরের একজন ব্যবসায়ী। দুই ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে সবার ছোট সায়মা। ওয়ারী সিলভারডেল স্কুলের নার্সারিতে পড়ত সে।

৭ বছর বয়সী সামিয়া আফরিন সায়মাকে ছাদ ঘুরিয়ে দেখানোর কথা বলে হারুনর রশীদ। এরপর আট তলার লিফট থেকে ছাদে নিয়ে যায় সায়মাকে। সেখানে নবনির্মিত নবম তলার ফ্ল্যাটে শিশুটিকে ধর্ষণ করে সে। ধর্ষণের পর নিস্তেজ দেহ পড়ে থাকে। মৃত ভেবে সায়মার গলায় রশি দিয়ে টেনে রান্নাঘরের সিঙ্কের নিচে রেখে পালিয়ে যায় হারুন।

ফ্ল্যাট মালিক পারভেজের একটি বাচ্চা আছে তার সঙ্গে খেলা করতে। সেখানে গেলে পারভেজের স্ত্রী জানায় তার মেয়ে ঘুমাচ্ছে। সেখান থেকে বাসায় ফেরার উদ্দেশে লিফটে ওঠে সায়মা। লিফটেই সায়মার সঙ্গে দেখা হয় পারভেজের খালাতো ভাই হারুনের। হারুন সায়মাকে লিফট থেকে ছাদ দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে অত্যন্ত পাশবিকভাবে সায়মাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। সায়মা চিৎকার করলে মুখ চেপে ধর্ষণ করে। সায়মাকে নিস্তেজ দেখে গলায় রশি লাগিয়ে টেনে নিয়ে যায় রান্নাঘরে। সেখানে সিঙ্কের নিচে রাখে। এরপর পারভেজের বাসায় না ফিরে পালিয়ে যায় হারুন। হারুন পারভেজের খালাতো ভাই। পারভেজের বাসায় দুই মাস ধরে থেকে তার রঙের দোকানে কাজ করে আসছিল।

আজ রোববার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এভাবেই লোমহর্ষক বর্ণনা দেন অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন।

দৈনিক মানবজমিনের আলোকচিত্রি জীবন আহমেদের ক্যামেরায় মা সানজিদা আক্তারের আহাজারি।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Jalal

২০১৯-০৭-০৮ ১৪:৫৭:০৯

i have no word

Reza

২০১৯-০৭-০৮ ১২:১৪:১১

I HAVE NO WORD TO CONSOLE THIS MOTHER.BUT I EXPECT THAT PEOPLE OF BANGLADESH WILL SEE THE PUNISHMENT OF BRUIT HAROON SHORTLY.

আপনার মতামত দিন

আদালত বললেন, আমাদের দরকার বিশুদ্ধ পানি

স্বামীর লিঙ্গ কেটে দিলো স্ত্রী

পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রকে সত্য বলে নি

‘ছেলেধরা’ আতঙ্কে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি কম

প্রিয়া সাহা অন্যায় করেননি: সীতাংশু গুহ

কাশ্মির নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ভারতের পার্লামেন্ট উত্তপ্ত

নিষিদ্ধ হলেন আর্জেন্টাইন তারকা মেসি

যুদ্ধবিমানের আকাশসীমা লঙ্ঘনের জন্য দুঃখ প্রকাশ রাশিয়ার

বান্দরবানে আ. লীগ নেতাকে গলাকেটে হত্যা

মন্ত্রীপরিষদে নারীর সংখ্যা বাড়াবেন বরিস জনসন

শিমলায় বাংলাদেশী রাজনীতিকের ছেলের ‘আত্মহত্যা’

রাজধানীর দুই পুলিশ বক্সের কাছ থেকে বোমা উদ্ধার

কক্সবাজারের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গাসহ নিহত ২

যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার কানাডায় আশ্রয় চাইলেন সিনহা

‘দর্শক আমার কাছ থেকে আলাদা কিছু পাবে’

বিমানবন্দরের হেনস্থার শিকার ওয়াসিম আকরাম