প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের প্রস্তুতি

প্রথম পাতা

মিজানুর রহমান | ২১ জুন ২০১৯, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:১০
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চীন সফরের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। গতকাল এ নিয়ে সেগুনবাগিচায় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়। সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় সফরের কর্মসূচি এবং অন্যান্য প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়। ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব মাহবুব-উজ জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মোটা দাগে যে বিষয়গুলো আলোচনা হয় তা হল হাই প্রোফাইল ওই সফর থেকে সর্বোচ্চ স্বার্থ উদ্ধার করা। বাংলাদেশের উন্নয়ন বন্ধু চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের ২০১৬ সালের ঢাকা সফরে দুই দেশ ৮টি অগ্রাধিকার প্রকল্পসহ উন্নয়ন খাতে ২৭টি চুক্তি ও সমঝোতা সই করেছিল। ওই চুক্তিগুলোর দ্রুত বাস্তবায়নে বেইজিংয়ের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার চায় ঢাকা। যেসব প্রকল্প নানা কারণে মন্থর গতিতে এগিয়ে চলেছে বা মাঝপথে আটকে আছে তার গতি আনতে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন বাংলাদেশের সরকার প্রধান। সফরে বিশেষ করে উন্নয়নের নতুন নতুন ক্ষেত্রেও চীনের সহায়তা চাইবে বাংলাদেশ।


আগামী ১লা জুলাই থেকে ৫ই জুলাই প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করবেন এটা প্রায় চূড়ান্ত- জানিয়ে দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, সফরকালে সরকার প্রধান চীনে অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফেরামের সম্মেলনে অংশ নিবেন। ২রা জুলাই চীনের ডালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের গ্রীস্মকালীন বৈঠক হবে। এতে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আমন্ত্রণ রয়েছে। ওই অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী বেইজিং যাবেন। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মজবুত করা এবং ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সফরের ফিরতি সফর হিসাবে বেইজিং সফর করবেন শেখ হাসিনা। দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংসহ চীনা নেতৃত্বের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে তার আলোচনা হবে। আলোচনার বড় অংশজুড়ে থাকবে রোহিঙ্গা সঙ্কটের টেকসই এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানে মিয়ানমারকে প্রস্তুত করার বিষয়টি। মিয়ানমারের ওপর নানা কারণে চীনের প্রভাব রয়েছে।

রোহিঙ্গা সঙ্কটটি দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় সমাধানে চীন মধ্যস্থতা করছে। চীনের মধ্যস্থতা এবং পরামর্শেই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানামার আলোচনা, অ্যারেঞ্জমেন্ট এবং ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট সই হয়েছে। বাংলাদেশ চায় সঙ্কটটির সমাধানে চীন তার ‘গুডঅফিস’ ব্যবহার করে মিয়ানমারকে বাগে আনুক। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে চীনের কোন প্রেসিডেন্টের প্রথম বাংলাদেশ সফরে উপকূলীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কর্ণফুলী টানেল নির্মাণসহ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে শেখ হাসিনা ও শি জিন পিংয়ের মধ্যকার আলোচনার ফলশ্রুতিতে ২৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। এর মধ্যে ১২টি ঋণ ও বাণিজ্য চুক্তি এবং বাকিগুলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। ওই সফরে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘ দিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব ‘কৌশলগত সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের’ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

হাইকোর্ট বিভাগে ৯ বিচারপতি নিয়োগ

এখন দেশে চলছে ভানুমতির খেল: রিজভী

নোবেলজয়ী অভিজিৎকে বৈঠকে ডাকলেন মোদী

চিলির বিক্ষোভে নিহত ৩, জরুরি অবস্থা

মন্ত্রী হলে তিনি এমন কথা বলতেন?

টক অব দ্য কান্ট্রি মেননের বক্তব্য, নেপথ্যে কি?

রোনালদোর গোলে লীগে জুভেন্টাসের টানা পঞ্চম জয়

একসঙ্গে এত্ত কফিন, মমি!

জম্মু-কাশ্মীরে ভারতীয় ২ সেনা সহ ৩ জনকে হত্যার অভিযোগ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে

কুর্দিদের মাথা চূর্ণ করে দেয়ার হুঁশিয়ারি এরদোগানের

হত্যা করা উচিত ছিল বিজিবি-র?

কাউন্সিলর রাজীবকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার

রাজনীতিক, ফুটবলার, হলিউড তারকাদের সেক্স পার্টি

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত

অভিযানে কাউন্সিলর রাজীবের বাসায় যা মিললো

ইইউতে স্বাক্ষরবিহীন চিঠি পাঠালেন জনসন