মৌলভীবাজারে শিডিউল কিনতে বাধার অভিযোগ

বাংলারজমিন

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি | ২১ জুন ২০১৯, শুক্রবার
 দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন গ্রামীণ রাস্তায় ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মৌলভীবাজার জেলার সাতটি উপজেলার শ্রীমঙ্গল, কমলগঞ্জ ও কুলাউড়া উপজেলা ব্যতীত বাকি অন্য ৪ উপজেলা মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর, জুড়ী ও বড়লেখায় পিআইও অফিস ও জেলা ত্রাণ পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে শিডিউল কিনতে বাধা দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেন সাধারণ ঠিকাদাররা। সাধারণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অভিযোগ করেন, ‘গত বুধ ও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সংশ্লিষ্ট উপজেলা পিআইও ও জেলা ত্রাণ পুনর্বাসন অফিসে তাদের লোকজন শিডিউল কিনতে যান। তখন অফিসের বাইরে বারান্দায় বসে থাকা লোকজন বাধা দিয়ে ফিরিয়ে দেয় সকলকে। গতকাল বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত শিডিউল বিক্রির শেষ দিন ছিল। আর দাখিলের সময় বেঁধে দেয়া হয়, আগামী ২৩শে জুন বেলা ১টা পর্যন্ত। সিলেটের এস এম কনস্ট্রাকশনের প্রোপ্রাইটর বাবুল ইসলাম জানান, ‘আমরা কুলাউড়ার ঠিকাদার এসবি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী জহিরুল হক চৌধুরী ও একই উপজেলার নায়েম আহমেদ জয়পাশা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারীসহ সিলেটের উর্মি এন্টার প্রাইজের তোতা মিয়া, বিবিয়ানা ট্রেডার্সের প্রোপ্রাইটর সাইফুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে সকালে সিলেট থেকে মৌলভীবাজার ডিআরও অফিসে এক সঙ্গে গতকাল দুপুরে মৌলভীবাজার, রাজনগর, বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার শিডিউল কিনতে যাই। সেখানে ৩০-৩৫ জন ছেলে অফিসের সামনে ও বারান্দায় বসা ছিল। এ সময় অফিসের লোকজন শিডিউল বিক্রি করতে চাইলেও তাদের বাধায় আর শিডিউল কিনতে পারিনি।
ওই সময় কোনো পুলিশ ছিল না।’ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস সূত্র জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে মৌলভীবাজার জেলার সাতটি উপজেলায় গ্রামীণ রাস্তায় ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৯ কোটি টাকা ব্যয় সাপেক্ষে সারা জেলায় মোট ৮৪টি ব্রিজের টেন্ডার গত মে মাসে আহ্বান করা হয়। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় ২০টি, প্রায় ২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে রাজনগর উপজেলায় ১০টি, দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে জুড়ী উপজেলায় ৭টি, বড়লেখা উপজেলায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৪টি, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮টি, কমলগঞ্জ উপজেলায় ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭টি ও প্রায় তিন কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে কুলাউড়ায় ১৮টি ব্রিজ নির্মাণের কাজ রয়েছে। জানতে চাইলে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার পিআইও আজাদুর রহমান বলেন,‘আমার অফিসে সকালে ৮০ সেট শিডিউল তৈরি করে রেখেছি এর মধ্যে ৩০ সেট জেলা ত্রাণ অফিসে পাঠিয়েছি। এখন কেউ যদি শিডিউল কিনতে আসতে না পারে সে দায়িত্ব আমার না। তিনি বলেন,‘অফিসের সামনে পুলিশও এনে রেখেছি। এখন শক্তিশালীদের ওভারকাম করার দায়িত্ব আমার না।’ বাধা দেয়া প্রসঙ্গে জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আশরাফ আলী বলেন,‘বারান্দা তো আমার অফিস না। অফিস তো অফিসই। বারান্দা ভয় দেখালে আমি কি করবো। আমাকে তো কেউ কমপ্লেইনও করে নাই যে অফিসে ঢুকতে দিচ্ছে না। শিডিউল বিক্রি হবে সেখানে পুলিশ তো রাখার দরকার নাই। এখন অফিসের বাইরে বসে বারান্দায় যদি কেউ বাধা দেয়, সেটা তো আমাকে কেউ জানায় নাই।





এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রংপুরেই এরশাদের সমাধি

লক্ষাধিক বিও অ্যাকাউন্ট বন্ধ

যে কারণে পুঁজিবাজারে পতন থামছে না

মিন্নি গ্রেপ্তার

হাসপাতালে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের ভিড়

ছুরি নিয়ে কীভাবে গেল তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে

সব আদালতে নিরাপত্তা বাড়ানো হবে

ঘাতকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, মামলা ডিবিতে

উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে

বাসর হলো না নবদম্পতির

১১ কোম্পানির দুধে সিসা ও ক্যাডমিয়াম

চীনা ডেমু ট্রেন আর কেনা হবে না

বিচারকদের নিরাপত্তা চেয়ে রিট

আসাদকে পাল্টা জবাব আরিফের

৩ মাস পর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন শুরু

বাঁচানো গেল না সার্জেন্ট কিবরিয়াকে