বালিশকাণ্ডের দায় নেবে না প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

শেষের পাতা

সংসদ রিপোর্টার | ১৯ জুন ২০১৯, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:০১
সম্প্রতি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগের দায় নিতে চায় না বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। গতকাল মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে বালিশ কাণ্ডের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্য মন্ত্রী ও  সচিবকে অনুরোধ জানান কমিটির সদস্যরা। তবে মন্ত্রী ও সচিব জানিয়েছেন এর দায় তাদের নয়। যেহেতু কাজটি করছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় তাই দায় তাদেরই নিতে হবে। বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত এমপি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। আমরা সবাই অখুশি।
মন্ত্রণালয়ের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছিলাম। তারা বলেছে যেহেতু কাজ দিয়েছি অন্য একটা মন্ত্রণালয়ে, তাদের কাছ থেকে কাজ বুঝে নেয়ার আগে এর দায় তাদেরই নিতে হবে।

বৈঠক সূত্র  জানায়, আলোচনার সূত্রপাত করেন কমিটির সদস্য ডা. হাবিবে মিল্লাত। তিনি মন্ত্রণালয়ের কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যা দাবি করেন। এ সময় মন্ত্রী বলেন, এটা আমাদের বিষয় না। আমরা গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে কাজ দিয়েছি। তাদের কাছ থেকে কাজ বুঝে নেয়ার আগে আমাদের কিছু করার নেই। এ নিয়ে আদালতে রিট ও দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন, কমিটির সভাপতি আ ফ ম. রুহুল হক। উপস্থিত ছিলেন- সদস্য ইকবালুর রহিম, ডা.  মো. হাবিবে মিল্লাত, মোজাফ্‌ফর হোসেন, শিরীন আহমেদ, সেলিমা আহমাদ ও হাবিবা রহমান খান। বিশেষ আমন্ত্রণে বৈঠকে যোগ দেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে

নৈরাজ্য

১৯ জনকে গণপিটুনি নিহত ৩

মার্কিন দূতাবাসের দুরভিসন্ধি

মিন্নির জামিন মেলেনি

পুঁজিবাজারে একদিনেই ৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন হাওয়া

মশায় অতিষ্ঠ মানুষ ঘরে ঘরে ডেঙ্গু আতঙ্ক

অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর গুরুত্ব দিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের আন্দোলনে অচল ঢাবি

যে কারণে সিলেটে মহিলা কাউন্সিলর লাকীর ওপর হামলা

৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ও পানিবিহীন শাহজালাল বিমানবন্দর

সাত দিনের মধ্যে প্রথম কিস্তি পরিশোধের নির্দেশ

এ যেন খোঁড়াখুঁড়ির নগরী

বৃষ্টি হলেই জলজট

শিমুল বিশ্বাসের পাসপোর্ট প্রদানের নির্দেশ হাইকোর্টের

এক সিগন্যালেই ৬৭ মিনিট