প্রকৃতির সান্নিধ্যে

চলতে ফিরতে

নুরুল কবির, বান্দরবান প্রতিনিধি | ১১ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৮:৪২
পাহাড়ের কোল ঘেষে মেঘের আনাগোনা, আঁকা-বাকা সর্পিল রাস্তা, নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য পাহাড়ী বাঙ্গালীসহ ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শান্তিপূর্ণ বসবাস পাহাড় ঘেরা বান্দরবানে। তাই প্রকৃতির এই অপার সৌন্দর্য্য কাছে ডাকে পর্যটকদের। প্রতি বছর ঈদের ছুটিতে প্রকৃতির কন্যা বান্দরবানের সৌন্দর্য্য দেখতে হাজারো পর্যটক ছুটে আসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। কিন্তু এবার ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ব্যাপক সমাগম না ঘটলেও পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে দেখা গেছে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। পরিবার পরিজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে ভ্রমন পিপাসুরা ছুটে বেড়াচ্ছে এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড়ে। এখানে রয়েছে অসংখ্য ঝিরি-ঝর্ণা, মেঘলার লেক, নজরকারা স্বর্ণ মন্দির, নীলাচল, নীলগিরি, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক, বগালেক, রেমাক্রী, নাফাকুম, বড় পাথরসহ সরকারী-বেসরকারী অনেকগুলো পর্যটন কেন্দ্র। চাঁদের গাড়ীতে করে পর্যটকরা ঘুরে বেড়াচ্ছে এসব পর্যটনকেন্দ্রে।

ফরিদপুর থেকে বেড়াতে আলাউদ্দীন জানান, আমি এবারসহ বান্দরবান দু বার বেড়াতে এসেছি ।
একবার আসলে বার বার আসতে ইচ্ছে করে। এখানের পাহাড়ী ঝর্ণা ও উঁচুনিচু পাহাড়, পাহাড়ের উপর ভেসে বেড়ানো মেঘ সত্যিই দেখার মত। এখানে না আসলে বুজতে পারতাম না বাংলাদেশ এত সুন্দর। এদিকে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে উচপে পড়া ভিড় থাকলেও হোটেল মোটেল গুলোতে তেমন একটা ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি।  

আবাসিক হোটেল হিলসিটির মালিক দিদার হোসেন জনি বলেন, ঈদের ছুটিতে যে পরিমাণ পর্যটক আসার কথা ছিল সে পরিমাণ পর্যটক আসেনি। বেশির ভাগ হোটেলের সব গুলো কক্ষ বুকিং হয়নি। তবে গতকাল থেকে কিছুটা পর্যটকের সমাগম ঘটছে। পাহাড়ের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে এ বছর কিছুটা কম হয়েছে। বেশির ভাগই আশ পাশের এলাকা থেকে ঘুরতে এসেছে। তারা পর্যটন স্পট গুলো ঘুরেই রাত্রি যাপন না করে চলে গেছে।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার জাকির হোসেন মজুমদার জানান, পর্যটকরা যাতে নিরাপদে ভ্রমন করতে পারে সে লক্ষে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। এছাড়াও টুরিস্ট পুলিশ রয়েছে, তারা সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে। আর এখানে এসে কোনো পর্যটক যাতে কোনো ধরনে হয়রানির শিকার না হয় সেই দিক সজাগ দৃষ্টি রাখা হয়েছে।




এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

কদমতলীতে ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত

কুমিল্লায় মাদক মামলার আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

ভারতের যে গ্রামে মৃতদের সঙ্গে বসবাস

চট্টগ্রামের ভেড়া মার্কেট বস্তিতে আগুন, শতাধিক ঘর পুড়ে ছাই

নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তারের পর ১৬ মামলার আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

কবি সুফিয়া কামাল যখন গুগল ডুডল!

উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্ব দেয়াও জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের

যে রক্ষিতার এক রাতের উপার্জন ২০০০ পাউন্ড

সোনাগাজীতে অটোরিকশা চালককে গলা কেটে হত্যা

শিংনগর সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিতে বাংলাদেশী নিহত

৬৪ বাংলাদেশী সহ অভিবাসীদের বোট নোঙরের অনুমতি দিয়েছে তিউনিশিয়া

দেশে ফিরেছেন প্রেসিডেন্ট

রাজধানীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সেভেন স্টার গ্রুপ লিডার নিহত

‘ঈদের দিন থেকে দর্শকরা এতেই ডুবে আছেন’

১১ দিন পর সোহেল তাজের ভাগ্নে সৌরভকে উদ্ধার