ঢাবিতে প্রাক-বাজেট সেমিনার

শিক্ষায় বিনিয়োগের হার বৃদ্ধি না হলে উন্নয়ন টেকসই হবে না

দেশ বিদেশ

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার | ২৬ মে ২০১৯, রোববার
বিগত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাজেটের ১২.৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেয়া হলেও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তা কমিয়ে ১১.৪২ শতাংশে আনা হয়। এছাড়া দেশে উচ্চশিক্ষা খাতে মোট বাজেটের মাত্র ১ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হয়। আর এ বরাদ্দে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিভিন্ন ব্যয় নির্বাহের পর গবেষণা খাতে ব্যয় করার জন্য অর্থ থাকে না বললেই চলে। ফলে উচ্চশিক্ষার উন্নয়ন ব্যাহত হয়। বাজেটে শিক্ষায় বিনিয়োগের হার বৃদ্ধি না হলে বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন টেকসই হবে না। শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উচ্চশিক্ষায় বাজেট’ শীর্ষক এক প্রাক-বাজেট সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসি আয়োজিত ও রিডিং ক্লাব ট্রাস্ট এই সেমিনারের আয়োজন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সেমিনারের উদ্বোধন করেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এসএম মাকসুদ কামাল ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। মূল প্রবন্ধে বলা হয়, দেশে যে পরিমাণ গ্র্যাজুয়েট প্রতিবছর তৈরি হয় তার মাত্র ৩ শতাংশ কারিগরি গ্র্যাজুয়েট, বাকি ৯৭ শতাংশ সাধারণ গ্র্যাজুয়েট। এছাড়া দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ৪৪ শতাংশ গ্র্যাজুয়েট চাকরি পায় এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে সেই হার মাত্র ৩২ শতাংশ। এর পিছনে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের চেষ্টায় শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মক্ষেত্র তৈরি না করাকে দোষারোপ করা হয়। অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান বলেন, টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে শিক্ষায় বিনিয়োগ জরুরি। অতীতে রেল বাজেটের মতো শিক্ষা বাজেটও আলাদা করে প্রকাশ করতে হবে। তাহলে শিক্ষা খাতে মোট বাজেটের প্রকৃত স্বরূপ প্রকাশ পাবে। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় চাহিদা অনুযায়ী স্নাতক তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সঙ্গে শিল্পায়নের সরাসরি সংযোগ ঘটাতে হবে। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, আমরা ছিলাম হাঙ্গার ইকোনমি। সেখান থেকে আমরা ক্ষুধামুক্ত হতে পেরেছি। তাই এখন যা করতে হবে সেক্ষেত্রে আমাদের অতীত পটভূমি মনে রাখতে হবে। গত ১০-১১ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে তা ধরে রাখতে সামাজিক বিবর্তন দরকার। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সর্বস্তরে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে উচ্চশিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ডিআইজি মিজানের দুর্নীতি তদন্তে পুলিশের ৩ সদস্যের কমিটি

মধ্যপ্রাচ্যে আরো ১০০০ সেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র

আজহারুল ইসলামের আপিল শুনানি শুরু

মুরসিকে হত্যা করা হয়েছে, দায় নিতে হবে সরকারকে

ঝালকাঠিতে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

১ মাসের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

বাংলাদেশের দরজায় কড়া নাড়ছে আইএস

রাজবাড়ীতে নির্বাচন স্থগিত চাইলেন আওয়ামীলীগ প্রার্থী

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন অমান্যে ৭৪১৫ মামলা

আত্মবিশ্বাস নিয়ে নটিংহেমে বাংলাদেশ

‘এখন থেমে থাকার সময় নয়’

প্রত্যাশার চেয়ে ৩০০০ কোটি ডলার কম আয় হবে হুয়াওয়ের

বোনকে বাঁচাতে গিয়ে নিখোঁজ ভাই

সাকিবকে দেখছে বিশ্ব

২০ উপজেলায় চলছে ভোটগ্রহণ

‘নিজের সঙ্গে যুদ্ধে জিতেছি’