৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ

বগুড়ার ব্যবসায়ী খোকন গ্রেপ্তার

দেশ বিদেশ

বগুড়া প্রতিনিধি | ২৬ মে ২০১৯, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:০৬
সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের বগুড়া শাখা থেকে ৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় মেসার্স মাসফা এন্টারপ্রাইজের মাকছুদুল আলমকে পুলিশ গ্রফতার করেছে। শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে ২০১১ সালের ৩ নভেম্বর পর্যন্ত একটি সংঘবদ্ধ জালিয়াত ও অপরাধী চক্রের অন্যতম হোতা হিসেবে ব্যাংকের বগুড়া শাখার এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপক (সাময়িক বরখাস্ত) রফিকুল ইসলাম, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ শাখার ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (সাময়িক বরখাস্ত) মো. আতিকুল কবির, বগুড়া শাখার জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা (সাময়িক বরখাস্ত) মো. মাহবুবুর রহমানের যোগসাজশে ব্যাংকের গ্রাহকদের হিসাব থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, ব্যাংকের একটি তদন্ত দল ওই সময়ের হিসাবপত্র খতিয়ে দেখেন, অর্থ আত্মসাৎকারীরা এই শাখার বিনিয়োগুসুবিধা গ্রহণকারী গ্রাহক মেসার্স আবু বকর সিদ্দিক ও মেসার্স আবদুল কুদ্দুস অ্যান্ড ব্রাদাসের্র নামে জালিয়াতির মাধ্যমে বিনিয়োগ সুবিধার সৃষ্টি করে যোগসাজশকারীদের ব্যাংক হিসাবে ওই টাকা স্থানান্তর করেন। ওই টাকা তিন ব্যাংক কর্মকর্তাসহ জালিয়াত চক্র আত্মসাৎ করে। ব্যাংকের অনুসন্ধানে ১৯টি ভুয়া হিসাবের সন্ধান পাওয়া যায়। এগুলো হলো মেসার্স এমএম ট্রেডিংয়ের মালিক মো. আকতার হোসেন ১০ কোটি ১০ লাখ, মেসার্স রিমা ফ্লাওয়ার মিলসের মো. জহুরুল হক ১০ কোটি ১৮ লাখ, মেসার্স নিলয় এন্টারপ্রাইজের মো. এনামুল হক প্রায় ৭ কোটি ৬০ লাখ, মেসার্স রুমা ট্রের্ডাসের আইরিন হোসাইন ১৫ লাখ, মেসার্স মাসফা এন্টারপ্রাইজের মাকছুদুল আলম প্রায় ৬ কোটি ৪৭ লাখ, মেসার্স ফিরোজ কনস্ট্রাকশনের ফিরোজ আহম্মেদের ৩ কোটি ৪২ লাখ, মেসার্স অতিথি ফিলিং স্টেশনের জাহাঙ্গীর আলম ৫ লাখ, মেসার্স হাসান কনস্ট্রাকশনের মো. ইমরুল ২৩ লাখ এবং মেসার্স জাহিদ কনস্ট্রাকশনের মো. জাহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রায় ৪৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। এ ছাড়া মেসার্স হীরা মোটরসের নিখিল রঞ্জন কর্মকার ৬০ লাখ, নিশিতা এন্টার-প্রাইজের নাহিদুজ্জামান ৩০ লাখ, মেসার্স আবদুল মতিন ট্রেডাসের্র আবদুল মতিন ২০ লাখ, মো. আখতার হোসেন ১৪ লাখ, মেসার্স আর রহমান এন্টারপ্রাইজের সোহেল রানা ১৪ লাখ, মেসার্স সুমন এন্টারপ্রাইজের মো. মাহবুবুর রহমান ১৩ লাখ, মো. রফিকুল ইসলাম ৩ লাখ, মো. ফেরদৌস আলম ২০ লাখ, আরিফুল কবির ৩২ লাখ এবং মাসুদ আহমেদের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। মোট ৪০ কোটি ৮৩ লাখ ৭৬ হাজার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০১১ সালের ৩০ নভেম্বর সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের বগুড়া শাখার ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম বগুড়া সদর থানায় ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে মামলার অভিযোগপত্রে নয়জনকে আসামি করা হয়। দুদকের বগুড়া অফিসের উপ পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী খোকনের বিরুদ্ধে স্যোশাল ইসলামী ব্যাংকের বগুড়া শাখার ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলাটি তদন্ত করে চার্জশিট দেয়া হয়। চার্জশিট দেয়ার পরও তিনি আদালতে আত্মসমর্পন না করায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়। পুলিশ ওয়ারেন্ট তামিলের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেফতার করে। শনিবার তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয় ।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রোহিঙ্গাদের নামে এনআইডি তৈরিতে ইসির  ১৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত: এনআইডির পরিচালক

জি কে শামীম ও খালেদের পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ

রাজধানীর ফু-ওয়াং ক্লাবে পুলিশের অভিযান

ছাত্রদলের উপর হামলায় ফখরুলের নিন্দা

ট্রাম্পের সঙ্গে ইমরান খানের বৈঠক আজ

এবার ময়লা ছুঁড়ার জবাব গোলে দিলেন নেইমার

নায়িকার সঙ্গে আড্ডা

ইয়াবাসহ আওয়ামী লীগ নেতার পুত্র গ্রেপ্তার

‘অভিযান নিয়ে যেন আতঙ্ক না ছড়ায়’

ঢাবিতে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত-২০

‘অনেকেই গা ঢাকা দিয়েছে, অনেককেই নজরদারিতে রাখা হয়েছে’

মোদির বিরুদ্ধে পররাষ্ট্রনীতি লঙ্ঘনের অভিযোগ

‘নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আটক দু’ভাই জেএমবি’র সদস্য’

ম্যাসেজ পার্লারে আলো-আঁধারের আড়ালে

ছবিতে এমি অ্যাওয়ার্ডস

শামীমের টাকার ভাগ পেতেন প্রভাবশালী কয়েক নেতা