মানবাধিকার সুরক্ষায় সরকার দায় এড়াচ্ছে

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২৫ মে ২০১৯, শনিবার, ৫:৫৫
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও মানবাধিকার সুরক্ষায় সরকার দায় এড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা নাগরিকদের নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থ হচ্ছে বলেও মত তাদের। আজ শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘নাগরিক নিরাপত্তা জোট’র ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বক্তারা। ‘আইনের শাসন, নিরাপত্তা, জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন’-এ জোটের ব্যানারে বিশিষ্টজনেরা এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ড. হামিদা হোসেন, খুশী কবির, শীপা হাফিজা, শাহীন আনাম, জিয়া তারিক আলী, ড. ইফতেখারুজ্জামান, শামসুল হুদা, জাকির হোসেন, শরীফ জামিলসহ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। সম্মেলনে সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়, একটি লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা। এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে প্রতিনিয়ত নানা অন্যায়, অবিচার, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, নির্যাতন, মত প্রকাশ ও মুক্ত চিন্তার অধিকারের ওপর আঘাত, নারী ও শিশু নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণের মতো জঘন্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। রাষ্ট্রে আইনের শাসন ও জবাবদিহিতার অভাব, ক্ষমতার অপব্যবহার, ন্যায়বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা, বিচারের দীর্ঘসূত্রতা নাগরিকের মানবাধিকার লঙ্ঘনকে আরো বেশি সংকটাপন্ন করে তুলছে।
বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতে না দিলে এবং গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে না পারলে কোন উন্নয়নই দীর্ঘস্থায়ী হয় না। বর্তমান পরিস্থিতিতে সমাজে অন্যায়, অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা বিরাজমান, সর্বোপরি জনগণের মধ্যকার নিরাপত্তাহীনতা একটি ভয়ের সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছে, যা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। তারা বলেন, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন বাংলাদেশ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হলেও এমন পরিস্থিতি চলমান থাকলে বাংলাদেশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পিছিয়ে পড়বে। অবস্থার উন্নয়নে প্রাতিষ্ঠানিক দলীয়করণের বিষয়ে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেন বিশিষ্টজনরা।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

M A Hoque

২০১৯-০৫-২৫ ০৭:৪৫:০১

মানবাধিকার সংজ্ঞা এখন শুধু বইয়ের পাতায়। বাংলার এই ভূ-খন্ডে সাধারণ মানুষ , তার নূন্যতম অধিকার খুজে পাবে , সেই এস্পেস নেই । অধিকার তাদের আছে, যার দল আছে, বল আছে । তারা রাতারাতি কোটিপতি। বাংলাদেশের আগামী প্রজন্মের কি অবস্থা হবে কেও তা নিয়ে চিন্তা করছে না। নগত খওয়ার জন্য সবাই পাগল। বিগত ৪৮ বছর ধরে আমরা দোষারুপেরই রাজনীতি করে আসছি । আর কি কখনো এর পরিবর্তন হবে ?

Siddique

২০১৯-০৫-২৫ ০৫:১৯:৩৬

Colourful posters were seen in front /nearest distance of every thana/police Station. Development is everywhere??...

আপনার মতামত দিন

বিশেষ বরাদ্দের চাল-গমের জন্য তদবিরবাজদের ভিড়

বিজয়নগরে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাছিমা বিজয়ী

ভাগ্নে অপহরণের ‘তদন্তে’ সোহেল তাজ

দুই মামলায় আটকে আছে খালেদার মুক্তি

ইফায় অচলাবস্থা, ডিজির পদত্যাগ দাবি কর্মকর্তাদের

কমিউনিটি ক্লিনিকে আরো ১২০০০ কর্মী নিয়োগ হচ্ছে

ক্রাইম পেট্রোল দেখে খুন, অতঃপর...

৫ স্কুলছাত্রীসহ ৭ নারী ধর্ষিত

ধর্ষণ মামলার প্রতিবেদন বিলম্বে দেয়ায় চিকিৎসককে তলব

অর্থমন্ত্রী বাসায় ফিরেছেন

বিচারাধীন মামলা ৩৫ লাখ ৮২ হাজার

মধ্যপ্রাচ্যে আরো ১০০০ সেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র

এক মাসের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সরাসরি যান চলাচল বন্ধ

রাষ্ট্র ও বিচার ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা হারিয়ে গেছে

রংপুরে জেলা পরিষদের প্রায় অর্ধকোটি টাকা লুটপাট