চাল আমদানিতে শুল্ক কর বাড়িয়ে দ্বিগুণ

শেষের পাতা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:০৬
ধানের দাম বৃদ্ধির উদ্যোগ ও চাল আমদানি নিরুৎসাহিত করতে চাল আমদানিতে শুল্ক কর বৃদ্ধি করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ এ. মুমেন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চালের ওপর বর্তমানে প্রযোজ্য আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ বহাল রেখে রেগুলেটরি ডিউটি ৩ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর আরোপ করা হয়েছে। ফলে চাল আমদানির ক্ষেত্রে মোট করভার ৫৫ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। আমদানি নিরুৎসাহিত হলে দেশের ধানচাষিরা উপকৃত হবেন বলে সরকার মনে করছে।

চলতি ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ১০ মাসে প্রায় ৩ লাখ ৩ হাজার টন চাল আমদানির তথ্য জানিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, এতে দেশীয় কৃষক উৎপাদন খরচের চেয়ে কম মূল্যে চাল বিক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে প্রান্তিক কৃষক আর্থিকভাবে বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
কৃষককে আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষাকল্পে প্রধানমন্ত্রীর সদয় অনুশাসন অনুযায়ী আমরা আমদানি পর্যায়ে চালের উপর আমদানি শুল্ক-কর বৃদ্ধি করেছি। এবার বোরোর ভালো ফলনের পর সরকারি পর্যায়ে ধান-চাল কেনা শুরু না হওয়ায় কৃষক ফড়িয়াদের কাছে বিক্রিতে বাধ্য হচ্ছিলেন। এতে উৎপাদন খরচ না ওঠায় অসন্তোষ থেকে পাকা ধানে কৃষকের আগুন দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে কৃষকদের রক্ষায় চাল আমদানি সম্পূর্ণ বন্ধ করার সুপারিশ করেছিল খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
অর্থনীতিবিদ ও কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরীক্ষা নীরিক্ষা না করে চাল রপ্তানি হলে এটি ভবিষ্যৎ সংকট তৈরি করতে পারে। আবার চাল রপ্তানি করা হলে কারা লাভবান হবে? কৃষক নাকি ব্যবসায়ীরা। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক দেখা দেয়ার পরই এনবিআর শুল্ক-কর দিগুন করার ঘোষণা দিলো।

২০১৭ সালের মে মাসে হাওরে আগাম বন্যায় ফসলহানির পর সরকার চালের আমদানি শুল্ক উঠিয়ে দেয়। সরকার থেকে বলা হয়েছিল, এই ক্ষতির ফলে ঘাটতি হবে ১০ লাখ টন চালের। কিন্তু গত দুই বছরে দেশে প্রায় ৬০ লাখ টন চাল আমদানি হয়েছে। এর পর বোরো মৌসুমে দেশে চালের উৎপাদন ও মজুত ভালো হওয়ায় কৃষক বাঁচাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৮ সালের জুন মাসে চাল আমদানিতে বিদ্যমান শূন্য শতাংশ শুল্ক সুবিধা তুলে নেয়। আগের মতোই গত নভেম্বরে সরকার ২৮ শতাংশ আমদানি শুল্ক পুনর্বহাল করে। এতে চাল আমদানি কমলেও বন্ধ হয়নি। বাড়তি উৎপাদন ও আমদানির চাল বাজারে চাপ তৈরি করছে। ফলে দাম নিয়মিত কমছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নীরবে শায়িত হলেন মিশরে প্রথম গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট মুরসি

ঝালকাঠিতে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

১ মাসের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

বাংলাদেশের দরজায় কড়া নাড়ছে আইএস

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন অমান্যে ৭৪১৫ মামলা

আত্মবিশ্বাস নিয়ে নটিংহেমে বাংলাদেশ

‘এখন থেমে থাকার সময় নয়’

প্রত্যাশার চেয়ে ৩০০০ কোটি ডলার কম আয় হবে হুয়াওয়ের

বোনকে বাঁচাতে গিয়ে নিখোঁজ ভাই

সাকিবকে দেখছে বিশ্ব

২০ উপজেলায় চলছে ভোটগ্রহণ

‘নিজের সঙ্গে যুদ্ধে জিতেছি’

রেকর্ড ম্যান সাকিব

এই লিটনকেই দেখতে চায় বাংলাদেশ

মারা গেলেন মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোরসি

বিরোধিতার মুখে ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস