বালিশ দুর্নীতি

মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় দুদক

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, ৭:২৩ | সর্বশেষ আপডেট: ৮:৫১
রূপপর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কেনাকাটায় দুর্নীতির বিষয়টি নজর রাখছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের আগে কোনো পদক্ষেপ নেবে না সংস্থাটি। মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনের পরেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কথা হলো দুর্নীতি হয়েছে বা হয়নি। গণমাধ্যমের যে তথ্য সেখানে আমি দেখেছি। বালিশ, কেতলি এসকল বিষয়। দেখেন- দুর্নীতি দমন কমিশনের কিছু প্রসিডিউর আছে। একটা রিপোর্ট পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা তো জাম্প দিতে পারি না। সেটা দেখতে হয়, বুঝতে হয়, চারদিক দেখতে হয়। আমরা ইতিমধ্যে কথা বলেছি, জেনেছি যে অলরেডি দুইটি কমিটি কাজ করছে। পত্রিকায় যে নিউজ সেটিও আমাদের কাছে এসেছে। এসব দেখে আমি একটা অর্ডার করেছি। সেই অর্ডারটি হল- সেই তদন্তে রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা। তিনি বলেন, সবাই যদি একই জিনিস নিয়ে কাজ করতে থাকি তাহলে জিনিসটা ভাল দেখায় না। তারা কী রিপোর্ট দেয়, সেই রিপোর্ট দেখে তখন কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। মন্ত্রণালয়ের কনক্লুশেন কী হয়, কারণ এটা সত্য নাও হতে পারে। সব রিপোর্ট যে সত্য তাও তো না।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, আমাদের কতগুলো প্রজেক্ট আছে যেগুলো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে হঠাৎ করে আপনি জাম্প করবেন, সেখানে চিন্তা-ভাবনা করতে হয়। এটা জাতীয় বিষয়, রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প বহুদিন ধরে চলছে। কিন্তু এটার বাস্তবায়নের কাজ মাত্র শুরু হয়েছে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের  ও গুরুত্বপূর্ণ। সো জাস্ট ওয়েট। টেলিভিশনে দেখলাম একজন মন্ত্রী বলছেন যে, বেতন-ভাতা এগুলো সঠিক নয়। বালিশের ক্ষেত্রে এরকম একটা পরিস্থিতি তো হতেও পারে।
গত ১৯শে মে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় কেনাকাটায় অনিয়ম খতিয়ে দেখতে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সকল প্রকার পেমেন্ট বন্ধ রাখা হবে। এ বিষয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় নির্দেশনা প্রদান করেছে।

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আবাসন পল্লীতে আসবাবপত্র কেনাসহ অন্য আনুষঙ্গিক কাজে দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এ নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে একজন অতিরিক্ত সচিব এবং গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে আলাদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের বিল পরিশোধ না করতে ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

আটকের পর ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন রোহিঙ্গা যুবক নিহত

দেশব্যাপী ধর্মঘট ডেকেছেন শ্রীলঙ্কার চিকিৎসকরা

হামলায় ইরানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ দেবে সৌদি আরব

‘এখন বিহারে শুটিং করছি’

ডি মারিয়ার জোড়া গোলে রিয়ালকে উড়িয়ে দিলো পিএসজি

ছাত্রদলের নয়া ইতিহাস খোকন সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল

ছাত্রদলের ভোট শুরু

সেই যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

অভিযানে যুবলীগ নেতা খালেদের বাসায় যা পাওয়া গেল

পার্লামেন্ট স্থগিত নিয়ে রায় দেয়ার ক্ষমতা নেই আদালতের: সরকার পক্ষ

কী হবে যুবলীগের ট্রাইব্যুনালে?

দেশের অর্থনীতিতে বেক্সিমকোর অবদান অনস্বীকার্য: টিআইবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা

শেখ হাসিনা নরেন্দ্র মোদি বৈঠকে এনআরসি নিয়ে আলোচনা হবে

অর্থশাস্ত্রকে সামাজিক বিজ্ঞানে পরিণত করতে হলে পুনর্বিন্যাস জরুরি

নারায়ণগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১, লাশ দাফনে বাধা