মধুর ক্যান্টিনের সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্রলীগের ৫ জনকে বহিষ্কার

অনলাইন

বিশ্বিবদ্যালয় রিপোর্টার | ২০ মে ২০১৯, সোমবার, ১০:১১ | সর্বশেষ আপডেট: ৮:১৩
কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংঘর্ষের ঘটনায় সংগঠন থেকে একজনকে স্থায়ী বহিষ্কার ও চারজনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
সোমবার ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে গত ১৩ মে সোমবার ইফতার পরবর্তী সময়ে মধুর ক্যান্টিনে সংগঠিত অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অপ্রীতিকর ঘটনা তদন্তের নিমিত্তে গত ১৩ মে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পর্যালোচনা করে ও তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
ওই ঘটনায় স্থায়ী বহিষ্কার হয়েছেন জিয়া হল ছাত্রলীগের কর্মী সালমান সাদিক। সাময়িক বহিষ্কৃতরা হলেন ছাত্রলীগের বিজ্ঞান অনুষদের সাধারণ সম্পাদক গাজী মুরসালিন অনু, জিয়া হল ছাত্রলীগের সদস্য কাজী সিয়াম ও কর্মী সাজ্জাদুল কবির এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য জারিন দিয়া।


এ ছাড়া দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে রোকেয়া হল ছাত্রলীগের সভাপতি বিএম লিপি আক্তার এবং জিয়া হল ছাত্রলীগের পরিকল্পনা ও কর্মসূচী বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান শান্তর বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে না- তার লিখিত জবাব আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে দফতর সেলে জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রাঙ্গামাটিতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে সেনাসদস্য নিহত

ঈদে সড়কেই প্রাণ গেল ২২৪ জনের

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আদৌ শুরু হচ্ছে কি?

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮

এখনো উচ্চ ঝুঁকি ২৪ ঘণ্টায় ১৭০৬ রোগী ভর্তি

পার্বত্য চট্টগ্রাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ

ডেঙ্গুর প্রজননস্থলে কতটা যেতে পারছেন মশক নিধন কর্মীরা?

বৈঠকের পর চামড়া বিক্রিতে সম্মত আড়তদাররা

জনগণকে সতর্ক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার পরামর্শ

ছিনতাইকারীর হাতে খুন হন কলেজছাত্র রাব্বী

শিক্ষিকাকে গণধর্ষণের পর হত্যা

শহিদুল আলমের মামলা স্থগিতই থাকবে

ডেঙ্গুর ভয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ তবুও...

রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে ঢামেকে সংঘর্ষ, আহত ২৫

টার্গেট রাজনৈতিক সম্পর্ক দৃঢ়করণ

ইউজিসি প্রফেসর হলেন ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ