ভর্তুকি দিয়ে হলেও চাল রপ্তানি করা হবে: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ১৯ মে ২০১৯, রোববার, ৬:২৮
ভর্তুকি দিয়ে হলেও চাল রপ্তানি করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। পাশাপাশি ভবিষ্যতে চাল আমদানিও নিয়ন্ত্রণ করা হবে। রোববার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইআরডি সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগে কৃষি ও এর উপখাতগুলোতে সরকারের বরাদ্দ ও বিশেষ গুরুত্ব প্রস্তাব হিসেবে অর্থমন্ত্রীর কাছে সুপারিশমালা প্রদান করেন কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বছর আনইউজুয়ালি আমরা অনেক বেশি খাদ্যশস্য উৎপাদন করতে পেরেছি। আমাদের যেমন বেশি উৎপাদন হয়েছে, আশপাশের দেশেও তেমনি করে খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেড়েছে। বাইরে যদি ডিমান্ড (চাহিদা) থাকত, আমরা রপ্তানি করতাম। বাইরেও চাহিদা নাই।

তিনি বলেন, আমাদের কৃষককে বাঁচাতে হবে। আমরা সরকার থেকে যেটা করতে পারি, সেটা হলো আমরা আমদানি রেস্ট্রিক্ট (বন্ধ) করতে পারি।
সরকারিভাবে আমরা এই কাজটি করব। অবশ্যই রেস্ট্রিক্ট করব। আমরা তো এটা ব্যান্ড করে দিতে পারব না।

মুস্তফা কামাল বলেন, আমার মন্ত্রণালয় থেকে যা যা করা দরকার, সেগুলোর প্রতিফলন আপনারা দেখতে পাবেন। আমার বিশ্বাস, প্রধানমন্ত্রী বিষয়টা অবশ্যই সুবিবেচনা করবেন। এটি তার মন্ত্রণালয়েরই কাজ।
ভর্তুকি দিয়ে শবজি রপ্তানি করায় সবজির উৎপাদন বেড়েছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সবজি অনেক হচ্ছিল। কৃষকরা দাম পাচ্ছিল না এবং এগুলা পচে যাচ্ছিল। আমরা রপ্তানির ব্যবস্থা করলাম। রপ্তানি খরচ দিতে পারে না বলে আমরা সেখানে ভর্তুকি দিচ্ছি। ভর্তুকি দিয়ে আমরা সেই কাজটি করছি। এর কারণে সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন চার নম্বরে। রপ্তানি করার কারণে এর বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়েছে। সবজিতে অন্তত দামটা পাচ্ছে কৃষকরা।
একইভাবে চালও ভর্তুকি দিয়ে রপ্তানি করা হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, চলতি বছর ধান উৎপাদন বেশি হয়েছে। কিন্তু এখন চালের দাম আন্তর্জাতিক বাজারেও কম। চালেও প্রয়োজনে ভর্তুকি দিয়ে রপ্তানি করতে পারি। সেই উদ্যোগটাও আমরা গ্রহণ করব। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করব।

মুস্তফা কামাল বলেন, উৎপাদন করে তারা যদি উৎপাদনের খরচ না পায়, তাহলে একদিকে তারা নিরুৎসাহিত হবে। অন্যদিকে আমরা মনে করি, এটি সরকারের জন্য একটি অনৈতিক বিষয়। সরকারকে সবদিকেই দেখতে হবে, উৎপাদনও দেখতে হবে, উৎপাদনের জন্য সহায়ক যা আছে, এগুলোরও সমাধান দিতে হবে। এটা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। আমি মনে করি, এটা অবশ্যই করণীয়।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

sattar

২০১৯-০৫-১৯ ০৬:০৬:৪৪

ভর্তুকির টাকা কি আকাশ থেকে আসবে? দ্রব্য মুল্ল আবার বারবে।

আপনার মতামত দিন

জেলখানায় প্রেম, সমকামিতা

‘দর্শক পর্দায় শুধু নায়ক-নায়িকার রোমান্স দেখতে চান না’

সিঙ্গাপুরে ঢাকাইয়া সম্রাটদের ফেরা শুরু

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত বলেই নৃশংস ঘটনা ঘটছে

যুবলীগের নেতৃত্ব নিয়ে নানা আলোচনা

যুবলীগের দায়িত্ব পেলে ভিসি পদ ছেড়ে দেবো

বিজিবি-বিএসএফ ভুল বোঝাবুঝি আলোচনায় শেষ হবে

আন্ডার ওয়ার্ল্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য সম্রাটের মুখে

শেয়ারবাজার টালমাটাল

ম্যানচেস্টারে বিমানের অফিস নিয়ে প্রশ্ন

পিয়াজের দাম কমবে কবে?

শিশু নির্যাতনকারীর ক্ষমা নেই

জামায়াতকে তালাক দিয়ে রাস্তায় নামুন: বিএনপিকে জাফরুল্লাহ

ঐক্যের ডাক গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে দিতে হবে

বাংলাদেশে পাবজি গেম বন্ধ

ভারতের সব রাজ্যে ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি হচ্ছে