কেন্দ্রে ঠাঁই হয়নি চট্টগ্রামের নেতাদের ক্ষোভ ও হতাশা

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ১৬ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:৩২
ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঠাঁই হয়নি চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মীর। তবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ থেকে একজন নারী নেত্রী স্থান পেয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রামের ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক নেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া চলছে। চট্টগ্রামকে এভাবে বঞ্চিত করায় অনেকেই ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করেছেন। সোমবার বিকেলে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সমপাদক গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত এ কমিটি দুই বছরের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়। কমিটি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ঘোষিত কমিটিতে দুইজন সহসভাপতি, একজন সাংগঠনিক সমপাদক, একজন উপ-প্রচার সমপাদক, একজন ছাত্র বৃত্তি বিষয়ক উপ-সমপাদক পদে মোট ৫ জন চট্টগ্রাম থেকে স্থান পেয়েছেন।

এরমধ্যে ছাত্র বৃত্তি বিষয়ক উপ-সমপাদক ফৌজিয়া নিজাম তামান্না ছাড়া বাকি ৪ জনই চট্টগ্রামের বাইরে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তামান্না চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ছাত্রী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী বিষয়ক উপ-সমপাদক পদে ছিলেন। চট্টগ্রামের অন্য চারজন হলেন, সহসভাপতি মঞ্জুর মোরশেদ অসীম, তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী জহির, সাংগঠনিক সমপাদক সাজ্জাদ হোসেন ও উপ প্রচার সমপাদক রায়হান আহাদ চৌধুরী। এরা কেউই চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের রাজনীতি কখনো করেননি বলে জানা যায়। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসমপাদক হাবিবুর রহমান তারেক বলেন, চট্টগ্রাম সবদিকে সবক্ষেত্রে বঞ্চিত। সবসময়ই চট্টগ্রাম বৈষম্যের শিকার হয়। ছাত্রলীগের কমিটিতে সেটা আবারো প্রমাণিত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, কমিটিতে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর-দক্ষিণ জেলা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ না থাকাটা একটা স্বৈরাচারী বিষয়। চট্টগ্রামে অনেক যোগ্য নেতা আছেন। কিন্তু নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা আমার বোধগম্য হচ্ছে না। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলমগীর টিপু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, চবি ছাত্রলীগ সবসময়ই মৌলবাদ বিরোধী ও ছাত্রদের অধিকার আদায়ে আন্দোলন করেছে। কোটা বিরোধী আন্দোলনের সময় চবি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা যেখানে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্রলীগ নেতার স্লোগান ছিল ছাত্রলীগের গালে গালে, জুতা মার তালে তালে। সে তারাই এখন কেন্দ্রীয় কমিটির পদে। আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে, এটি কি কেন্দ্রীয় কমিটি নাকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি? চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন তপু বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটিতে চট্টগ্রামের কারো না থাকায় আমরা কিছুটা অসন্তুষ্ট। তবে নেত্রী যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেখানে কারো দ্বিমত থাকার কথা নয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু বলেন, আমরা যেহেতু একটি কমিটিতে আছি তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। তবে এটা ঠিক আমরা আশা করেছিলাম চট্টগ্রাম থেকে অনেককে কেন্দ্রীয় কমিটির পদে দেখব। কারণ চট্টগ্রামে অনেক যোগ্য নেতা ছিল। তবুও আমরা শেষ পর্যন্ত নেত্রীর উপর আস্থা রাখতে চাই।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

মধুর ক্যান্টিনের সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্রলীগের ৫ জনকে বহিষ্কার

ঢাকায় বালিশ প্রতিবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সফরে নিরাপত্তা সতর্কতা প্রত্যাহার চাইবে ঢাকা

শিশুটিকে দত্তক পেতে চতুর্মুখী লড়াই

রিকশাচালকের বিরুদ্ধে ২৭ লাখ টাকার চেক মামলা

ব্যাংকে নগদ টাকার সংকট সরকারি আমানত পেতে তোড়জোড়

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভেন্টিলেটর দিয়ে ফেলে দিলো পুলিশ সদস্য

সংসদ যেন একদলীয় করে তোলা না হয়

শামীম হত্যার নেপথ্যে

পাকিস্তানের বাংলাদেশ মিশনে ভিসা ইস্যু বন্ধ

গণমাধ্যমের অবস্থা করুণ থেকে করুণতর হবে: মান্না

সিলেটে যে কারণে ওসি আক্তারের ওপর ক্ষুব্ধ খাদিমপাড়াবাসী

আমার মনে হয় আপনারা ব্যাখ্যা পাবেন: আইনমন্ত্রী

রাজধানীতে টিকিট ছাড়া গণপরিবহন চলবে না: সাঈদ খোকন

ক্রিকেট বিশ্বকাপ ঘিরে প্রতারক চক্রের ফাঁদ

সম্মান হারিয়েছে নির্বাচন কমিশন: রাহুল গান্ধী