নোয়াখালীতে তারাবির নামাজ থেকে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রকে খুন

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী থেকে | ১৬ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:৪৪
নোয়াখালীতে ইয়াবা ব্যবসায় বাধা দেয়ায় তারাবির নামাজ থেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাত করে কলেজছাত্র শেখ মো. জোবায়ের হোসেন (১৮) কে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বেগমগঞ্জ থানাধীন চৌমুহনী পৌরসভা দীঘির দক্ষিণপাড়ে কোর্ট মসজিদের সামনে মঙ্গলবার রাত ৯টায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, চৌমুহনী পৌরসভার আপন নিবাস হাউজিংয়ের খন্দকার ভিলায় ভাড়া বাসায় বসবাসরত সেনবাগ উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শেখ মাহমুদ মোশারফ হোসেন বেলালের পুত্র ও নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাণিজ্য বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র শেখ মো. জোবায়ের হোসেন মঙ্গলবার তারাবির নামাজ পড়ছিলেন। এ সময় ইয়াবা কারবারিরা মসজিদ থেকে কথা আছে বলে ডেকে পৌরসভা দীঘির ঘাটে নিয়ে যায়। রাত ৯ টার দিকে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। তাকে আলীপুরবাসী উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সহপাঠী আফসার, আবিদ হোসেন, পিটু, আসিব, মেহরাব, জনি, রাকিব, ফাহিম, সবুজ, মিরাজ সহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন আগে আটককৃত আবিদের বন্ধু রাকিবকে মারধর করা হয়।
এ ঘটনার জন্য কলেজ ছাত্র শেখ মো. জোবায়েরকে দায়ী করে রাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দীঘির পাড়ে আসে আবিদ, আশ্রাফ, জনি, ফাহিমসহ হুন্ডা যোগে প্রায় ৫০ জনের একটি সন্ত্রাসীদল। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে জোবায়ের, আবিদ ও তাদের বন্ধুদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে জোবায়েরের কয়েকজন বন্ধু সিরাজসহ তাকে বাড়ির দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় আবিদ  জোবায়েরকে পিছন থেকে ধরে টেনে পুনরায় দিঘীর পূর্ব পাড়ে নিয়ে আসলে জোবায়ের এর চিৎকার শুনতে পায় তার বন্ধুরা। পরে তারা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় জোবায়েরকে পড়ে থাকতে  দেখে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। বুধবার সকালে বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ আলম মোল্লা মানবজমিনকে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির পর জোবায়েরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রংপুরেই এরশাদের সমাধি

লক্ষাধিক বিও অ্যাকাউন্ট বন্ধ

যে কারণে পুঁজিবাজারে পতন থামছে না

মিন্নি গ্রেপ্তার

হাসপাতালে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের ভিড়

ছুরি নিয়ে কীভাবে গেল তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে

সব আদালতে নিরাপত্তা বাড়ানো হবে

ঘাতকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, মামলা ডিবিতে

উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে

বাসর হলো না নবদম্পতির

১১ কোম্পানির দুধে সিসা ও ক্যাডমিয়াম

চীনা ডেমু ট্রেন আর কেনা হবে না

বিচারকদের নিরাপত্তা চেয়ে রিট

আসাদকে পাল্টা জবাব আরিফের

৩ মাস পর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন শুরু

বাঁচানো গেল না সার্জেন্ট কিবরিয়াকে