পঞ্চম দফার ভোটেও পশ্চিমবঙ্গে অশান্তি এড়ানো যায় নি

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ৭ মে ২০১৯, মঙ্গলবার
ভারতের ১৭তম লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফায় অন্য ৬টি রাজ্যে ভোট মোটামুটি শান্তিপূর্ণ হলেও পশ্চিমবঙ্গে অশান্তি এড়ানো যায়নি। সোমবার ৭টি রাজ্যের ৫১টি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হয়েছে। ভোট হয়েছে উত্তরপ্রদেশের ১৪টি, রাজস্থানের ১২টি, পশ্চিমবঙ্গের ৭টি, মধ্যপ্রদেশের ৭টি, বিহারের ৫টি, ঝাড়খন্ডের চারটি এবং জম্মু ও কাশ্মীরের ২টি আসনে। ভারতে এবার সাত দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মোট ৫ দফায় লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে  ৪২৫টি আসনে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এদিনের নির্বাচনে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপির রাজ্যবর্ধন রাঠোরে, স্মৃতি ইরানি, জয়ন্ত সিনহা, রাজীব প্রতাপ রুডি, লোক জনশক্তি পার্টির রাম বিলাস পাশোয়ান প্রমুখের ভাগ্য নির্ধারিত হয়েছে। এদিনের ভোটেও ইভিএম বিভ্রাটের অভিযোগ জানিয়েছেন বিরোধীরা। জম্মু ও কাশীরে বুথের বাইরে দুটি গ্রেনেড বিস্ফোরণ ও একটি জায়গায় পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তবে উধমপুরে কাশ্মীরি পন্ডিতরা এবটি বিশেষভাবে তৈরি বুথে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

বিহারের একটি বুথে ইভিএম ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তবে পশ্চিমবঙ্গে এদিনের নির্বাচনে ব্যাপক অশান্তি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভোটকেন্দ্রের চারদিকে ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও বহিরাগতদের জমায়েতকে ঘিরে বহু জায়গাতেই সংঘর্ষ হয়েছে। এদিন পশ্চিমবঙ্গে যে ৭টি আসনে ভোট হয়েছে সেগুলি হল, বনগাঁ, বারাকপুর, হুগলী, শ্রীরামপুর, উলুবেড়িয়া, আরামবাগ ও হাওড়া। বারাকপুর কেন্দ্র অতিস্পর্শকাতর হওয়া সত্ত্বেও এই কেন্দ্রের নানা জায়গায় মারপিট, সাংবাদিকদের উপর হামলা হয়েছে। বারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং বহু জায়গাতেই তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের দ্বারা হেনস্তÍা হয়েছেন। এমনকি অনেক বুথেই প্রার্থীকে রাজ্যে শাসক দলের কর্মীরা প্রবেশ করতে দেন নি। একটি বুথের বাইরে বিজেপি প্রার্থী আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি। গোলমাল হয়েছে হুগলি, হাওড়া, শ্রীরামপুর, বনগাঁ ও উলুবেড়িয়াতেও। হুগলীতে একটি বুথে ইভিএম ভাঙ্গার অভিযোগে বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

তবে হুগলির জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে ধরণায় বসে লকেট হুগলির অর্ন্তগত ধনেখালির সব বুথে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন। বিজেপির পক্ষ থেকে বারাকপুরেও পুনঃনির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছে। বহু জায়গা থেকেই বিরোধীরা পোলিং এজেন্টদের জোর করে বের করে দেওয়া, হুমকি দেওয়া, ছাপ্পা ভোট দেওয়া ও বুথ জ্যামের অভিযোগ করেছে। এবারও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিকভাবে ব্যবহার না করার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি প্রার্থী নিজে দাবি করেছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তিনি ঘুমাতে দেখেছেন, কোথাও শাসক দলের দেওয়া খাবার খেতেই ব্যস্ত ছিলেন তারা। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে তিনজন প্রিজাইডিং অফিসারকে ভোটের মাঝপথে  সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে দিনের শেষে নির্বাচন কমিশন আগের মতই শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দাবি করেছে।   

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

মোহাম্মদপুরের সেই সুলতান আটক

সৌদিতে বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের ১১ জন বাংলাদেশি

হুন্ডি, স্বর্ণ আর মোবাইল ডিলাররা ডলার পৌঁছে দিতো ক্যাসিনোতে

বীমা খাতেও দুরবস্থা মেয়াদ শেষেও টাকা ফেরত পান না গ্রাহকরা

র‌্যাগিংয়ের নামে বুয়েটে যেভাবে নির্যাতন হতো

বিএনপি’র হাতে সময় খুব কম

সাক্ষ্য দিয়ে বলছি জনগণ নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি

সিলেটে যে লড়াইয়ে কামরান-মিসবাহ

শুদ্ধি অভিযানে যারা টার্গেট, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে

বাংলাদেশ সফরে যুক্তরাষ্ট্রের ৫ সিনেটর

বিজিবি’র বিরুদ্ধে বিএসএফ’র এফআইআর

চট্টগ্রামে বাবা-মেয়ে ও কিশোর খুন

বাগমারায় কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা

মহিলা এমপির ডিগ্রি পরীক্ষা দিচ্ছেন ভাড়াটে ছাত্রীরা

সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরলো ৮ প্রাণ

রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে কি খালেদা জিয়া মুক্ত হতে পারবেন?