নববধূকে সিগারেটের আগুনে ছ্যাঁকার অভিযোগ, মামলা

অনলাইন

বাসাইল(টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি | ২৬ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার, ৪:৪৬
টাঙ্গাইলের বাসাইলে নববধুকে সিগারেটের আগুনে ছ্যাঁকা দিয়ে দগ্ধ করার অভিযোগে থানায়  মামলা করেছে নববধুর পিতা আবুল হোসেন। বৃহঃস্পতিবার রাত ৮ টায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে স্বামী সজীব মিয়ার বিরুদ্ধে বাসাইল থানায় এই মামলা  দায়ের করা হয়।

অভিযুক্ত রাজমীস্ত্রী সজীব মিয়া বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের আদাজান গ্রামের আজিজুল ইসলামের ছোট ছেলে। সিগারেটের আগুনে দগ্ধ নববধু টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের খুদ্দী জুগনী গ্রামের খাদিজা আক্তার (১৮) বর্তমানে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিক্যেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

খাদিজার বাবা আবুল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ২২ দিন আগে সজিবের সঙ্গে খাদিজার বিয়ে হয় । বিভিন্ন সময় খাদিজার স্বামী যৌতুকের দাবীতে তাকে মারধর করতো। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) রাতে যৌতুকের বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে খাদিজাকে হাত-পা বেঁধে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে সিগারেটের আগুন দিয়ে ছ্যাঁকা দেয় তার স্বামী।
বুধবার (২৪ এপ্রিল) সকালে খাদিজা বিষয়টি আমাকে জানালে আমার স্ত্রী ও শ্বশুর ওই বাড়ি থেকে বিকেলে খাদিজাকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসে। মেয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আগুনে দগ্ধ হওয়ায় বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে তাকে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিক্যেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছি ।

শুক্রবার সকালে সরজমীনে সজীবের বাড়িতে গিয়ে কাউকে  পাওয়া যায়নি । তবে সজীবের প্রতীবেশী চাচী,ভাবী এবং অন্যান্য প্রতিবেশীরা জানান, সজীবের প্রথম বিয়ে হলেও খাদিজার এটি দ্বিতীয় বিয়ে। প্রায় দুই বছর আগে খাদিজার আরেকটি বিয়ে হয়েছিল এবং সেখান থেকেও মাদকাসক্তের অভিযোগে ওই স্বামীকে ছেড়ে এসেছে খাদিজা। তারা আরো বলেন,সজিব ও খাদিজার মধ্যে কোনও সমস্যা ছিল না। ভালোভাবেই তাদের সংসার চলছিল। বুধবার (২৪ এপ্রিল) সকালে খাদিজার মা ও নানাকে দাওয়াত দিয়ে আনা হয়। বিকেলে ভালোভাবেই খাদিজা তার বাবার বাড়িতে যায়।

এ ব্যাপারে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম তুহীন আলী বলেন, ‘এঘটনায় পাঁচজনকে আসামী করে বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে মামলা হয়েছে। আসমা বেগম নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।




এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

MizanurRahman

২০১৯-০৪-২৬ ০৬:৩১:০২

এ সব মানুষকে গুলি করে মেরে ফেলা উচিত। এ রকম আইন হওয়াও জরুরী।

আপনার মতামত দিন

‘গান আগের মতো স্থায়িত্ব পাচ্ছে না’

রংপুরেই এরশাদের সমাধি

লক্ষাধিক বিও অ্যাকাউন্ট বন্ধ

যে কারণে পুঁজিবাজারে পতন থামছে না

মিন্নি গ্রেপ্তার

হাসপাতালে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের ভিড়

ছুরি নিয়ে কীভাবে গেল তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে

সব আদালতে নিরাপত্তা বাড়ানো হবে

ঘাতকের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, মামলা ডিবিতে

উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে

বাসর হলো না নবদম্পতির

১১ কোম্পানির দুধে সিসা ও ক্যাডমিয়াম

চীনা ডেমু ট্রেন আর কেনা হবে না

বিচারকদের নিরাপত্তা চেয়ে রিট

আসাদকে পাল্টা জবাব আরিফের

৩ মাস পর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন শুরু