সংবাদ সম্মেলনে ধর্ষিতার অভিযোগ

হয়েছে ধর্ষণ, পুলিশ মামলায় লিখেছে ধর্ষণচেষ্টা

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল থেকে | ২৪ এপ্রিল ২০১৯, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:২১
বরিশালের হিজলায় মাদরাসাপড়ুয়া ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক বখাটের বিরুদ্ধে। সংবাদ সম্মেলন করে নির্যাতিত ওই কিশোরী ও তারা বাবা অভিযোগ করেন, বখাটে যুবক সজীব গাজীকে আটক তো নয়ই বরং থানায় ধর্ষণের মামলা করতে গেলে পুলিশ ধর্ষণ নয়, ধর্ষণচেষ্টা হয়েছে বলে মামলা নেয়। পরে আদালতে আরেকটি মামলা করে নির্যাতিতা। মঙ্গলবার সকালে বরিশাল প্রেস ক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন করেন হিজলার মেমানিয়া গ্রামের একতা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ও তার বাবা। ছাত্রী লিখিত বক্তব্যে বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালী নুরুল হক গাজীর পুত্র বখাটে সজীব গাজী তাকে মাদরাসায় যাওয়ার পথে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো।

৩০শে মার্চ সন্ধ্যায় অভিভাবকদের অনুপস্থিতির সুযোগ পেয়ে ঘরে ঢুকে সজীব তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় চিৎকার করলে স্থানীয়রা ছুটে এলে সজীব পালিয়ে যায়। এ নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বারের কাছে গেলে তারা ছেলের পক্ষ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা দেয়ার প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হলে ১৩ই এপ্রিল থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ধর্ষণের পরিবর্তে ধর্ষণচেষ্টার মামলা নেয়। এমন অবস্থায় ১৫ই এপ্রিল তারা বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারের দাবিতে মামলা করেন। ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর বাবা জানান, ‘আমরা যৌন নিপীড়নের বিচার চেয়ে উল্টো হয়রানির শিকার হচ্ছি। ধর্ষকের শাস্তি চেয়েছি। এজন্য কোনো অর্থ নিতে রাজি হইনি। স্থানীয় গণ্যমান্যরা বিচার করতে পারেননি। পরে থানার দ্বারস্থ হয়েছি। পুলিশের কাছে গিয়ে আমরা আরো অবিচারের শিকার হয়েছি। আমরা করলাম ধর্ষণের মামলা।

পুলিশ সেটি ধর্ষণচেষ্টার মামলা হিসেবে রেকর্ড করেছে।’ সংবাদ সম্মেলনে তারা সজীব এবং তাকে বাঁচানোর চেষ্টাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। এদিকে সাংবাদিকদের কাছে ধর্ষণের বিষয়ে জানতে পেরে তাৎক্ষণিক বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম তার নিজ কার্যালয়ে ডেকে নেন কিশোরী ও তার বাবাকে। ঘটনা শুনে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাকে ভর্ৎসনা করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সজীবকে আটকের নির্দেশ দিয়ে বলেন, স্থানীয় পুলিশের গাফিলতি থাকলে তারও কঠিন বিচার করা হবে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Nasir ahned

২০১৯-০৪-২৩ ১৯:০৭:১৭

যে পুলিশ মামলা নেয় নাই তাকে কঠোর শাস্তি দেয়া হোক। ধর্ষনের সহজোগী হিসেবে। মামলা যে নেয় না সেটা তো প্রমানিত । শাস্তি যদি না দেওয়া হয়, যদি শুধুমাত্র ক্লোজ করা হয় তাহলে পুলিশ টাকার জন্য মানুষ কে হয়রানি করতেই থাকবে।পুলিশকে সাধারণ মানুষ কেন ঘৃনা করবে? পুলিশকে হতে হবে জনগনের সেবক।

আপনার মতামত দিন

রাষ্ট্রের মেরামতে নতুন রাজনীতির উত্থান অপরিহার্য: জন আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ

‘মোদি ফের সরকার গঠন করলে বাংলাদেশের জন্য ভালো হবে না ’

চাল আমদানিতে দ্বিগুণ হলো শুল্ক

রূপপুর প্রকল্পে অনিয়ম তদন্তের আহবান টিআইবির

সরকার সব ক্ষেত্রে ব্যর্থ: ড. কামাল

টাঙ্গাইলে ৪ জনের যাবজ্জীবন

‘ঢাকায় ছিনতাইকারী নেই, সকলকে ধরে জেলে পাঠানো হয়েছে’

এফআর টাওয়ারে আগুন: নির্মাণে ত্রুটি, দায়ী ৬৭ জন

ইন্দোনেশিয়ায় প্রেসিডেন্টবিরোধী বিক্ষোভ, নিহত ৬

বালিশ কাণ্ডে নির্বাহী প্রকৌশলী প্রত্যাহার

ম্যাচমেকার শারদ পাওয়ার

ভারতে স্ট্রং রুমে ২৪ ঘণ্টার নজরদারি

১০০ দিনের এজেন্ডা প্রস্তুতের নির্দেশ

খালেদা জিয়াসহ ৫ জনকে প্রাথমিক মনোনয়ন বিএনপির

আজও ক্ষতিপূরণ দেয়নি গ্রিনলাইন, তীব্র ক্ষোভ হাইকোর্টের

শ্রীলঙ্কায় বৌদ্ধ-মুসলিম রক্তাক্ত পরিণতির আশঙ্কা ভারতের