বনানী ট্র্যাজেডি

ফেঁসে যাচ্ছেন রাজউকের ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারী

প্রথম পাতা

বিশেষ প্রতিনিধি | ১৯ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৩৯
আলোচিত বনানীর এফ আর টাওয়ারের অনুমোদন প্রক্রিয়ায় জড়িত রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ২০ জন কর্মকর্তা- কর্মচারী ফেঁসে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে এসব কর্মকর্তা- কর্মচারীর নাম চেয়ে রাজউকের কাছে চিঠি দিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এখন অনুমোদন প্রক্রিয়ায় জড়িত সাবেক ও বর্তমান  কর্মকর্তা- কর্মচারিদের নাম ও তাদের স্থায়ী/ অস্থায়ী ঠিকানা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এফ আর টাওয়ার নিয়ে ইমারত নির্মাণ শাখা ও এষ্টেট শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারিরা থাকছেন এ তালিকায়। বিষয়টি সর্ম্পকে জানতে চাইলে রাজউকের এক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা মানবজমিনকে বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারিদের নাম প্রায় চূড়ান্ত করে এনেছি আমরা। ওই তালিকা মন্ত্রণালয়ের চাহিদা মতো সরবরাহ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর এফ আর টাওয়ারের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পাদন করতে রূপায়ন হাউজিং এষ্টেটকে আমমোক্তার নিয়োগ করা হয়।

এরপরই তারা ২৩ তলা ভবনের নকশা অনুমোদনের কপি রাজউকের এষ্টেট শাখায় জমা দেয়। এর ভিত্তিতে ২০০৬ সালের ২৬শে জানুয়ারি ২০, ২১ ও ২২ নং ফ্লোর জিএসপি ফাইন্যান্স বাংলাদেশ লিমিটেডের কাছে বন্ধক রাখার অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। ৭ই ফেব্রুয়ারি বন্ধক অনুমতির অনুমোদন দেয় রাজউক। রাজউক সূত্রে জানা গেছে, জাল নকশা যাচাই না করে কিসের ভিত্তিতে বন্ধক অনুমতি দেয়া হয়েছে ওই বিষয়টি জানতে চেয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি ওই অনুমোদন প্রক্রিয়ায় সঙ্গে যেসব কর্মকর্তা- কর্মচারি জড়িত তাদের নাম ও ঠিকানা চাওয়া হয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট ডিলিং সহকারি, তত্ত্বাবধায়ক, সহকারি পরিচালক, উপ-পরিচালক, পরিচালক, সদস্য (এষ্টেট) ও চেয়ারম্যানের নাম ও ঠিকানা চাওয়া হয়েছে। সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ২০শে আগস্ট অথরাইজড অফিসারকে একটি চিঠি দেয়।

ওই চিঠিতে এফ আর টাওয়ারের নকশার কপি সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়। এর বিপরীতে অথরাইজড অফিসার জানান, এফ আর টাওয়ারের অনুমোদিত ইমারতের নকশা রেকর্ডে নেই। এরপর থেকে বিষয়টি নিয়ে এষ্টেট ও অথরাইজ শাখা অনেকটা চুপসে যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নকশা জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণ হওয়ার পরও রাজউকের যেসব কর্মকর্তা দায়সারাভাবে ফাইল উপস্থাপন করেছেন তাদের নামও তালিকায় থাকবে। এছাড়া বন্ধক অনুমতি দিয়ে যারা বেশি আগ্রহ দেখিয়েছেন মর্মে ফাইলে প্রমাণ আছে তাদের নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি হবে। রাজউকের এক কর্মকর্তা জানান, তালিকা তৈরিতে আমাদের কিছু করার নেই। মন্ত্রণালয় যেভাবে নির্দেশনা দিচ্ছে ওইভাবেই তালিকা তৈরি করছে আমরা।     
   



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi

২০১৯-০৪-১৮ ২১:২৩:০০

দেশের সরকারী /আদা সরকারী স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান গুলির চেইন অব কমান্ড অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে গেছে মন্ত্রণালয় গুলির নজরদারির অভাবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে মনগড়া কাজ কর্ম হচ্ছে - যে যেভাবে পারে ঘুষের টাকায় ফেঁপে ফুলে কলাগাছ । ঢাকা শহরে গুটি কয়েক দালানের মালিক । আয়ের শতগুণ সম্পদ । গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় যদি নজরদারি ঠিক মত করে সেটা আশার বাণী । সাথে দুদকের ও উচিত দোষী ব্যক্তিদের সম্পদ জরিপ ও অবৈধ সম্পদ থাকলে বাজেয়াপ্ত করে নিলামে বিক্রি করা।

আপনার মতামত দিন

৭শ’ বস্তা চাল আটক

রাষ্ট্রের মেরামতে নতুন রাজনীতির উত্থান অপরিহার্য: জন আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ

‘মোদি ফের সরকার গঠন করলে বাংলাদেশের জন্য ভালো হবে না ’

চাল আমদানিতে দ্বিগুণ হলো শুল্ক

সরকার সব ক্ষেত্রে ব্যর্থ: ড. কামাল

টাঙ্গাইলে ৪ জনের যাবজ্জীবন

‘ঢাকায় ছিনতাইকারী নেই, সকলকে ধরে জেলে পাঠানো হয়েছে’

এফআর টাওয়ারে আগুন: নির্মাণে ত্রুটি, দায়ী ৬৭ জন

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ইন্দোনেশিয়ায় নিহত ৬

বালিশ কাণ্ডে নির্বাহী প্রকৌশলী প্রত্যাহার

ম্যাচমেকার শারদ পাওয়ার

ভারতে স্টোর রুমে ২৪ ঘন্টার নজরদারি

১০০ দিনের এজেন্ডা প্রস্তুতের নির্দেশ

খালেদা জিয়াসহ ৫ জনকে প্রাথমিক মনোনয়ন বিএনপির

আজও ক্ষতিপূরণ দেয়নি গ্রিনলাইন, তীব্র ক্ষোভ হাইকোর্টের

শ্রীলঙ্কায় বৌদ্ধ-মুসলিম রক্তাক্ত পরিণতির আশঙ্কা ভারতের