সাফ কথা

সিরাজের হেরেমখানা

ষোলো আনা

শামীমুল হক | ১৯ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ১০:৫৪
বিশ্বাস, অবিশ্বাসের দোলাচলে পৃথিবী। ভালো, মন্দের মিশেল সমাজ। প্রেম, ভালোবাসা যেন খেলার বস্তু। আর স্বার্থ! সে তো পথ দেখিয়ে এগিয়ে নেয় সবাইকে। লোভ, লালসা বাসা বেঁধেছে অন্তরে অন্তরে। হিংসা আর পরনিন্দা যেন মানুষের সৌন্দর্যের প্রতীক। বিবেক আর বুদ্ধি ব্যয় হচ্ছে কুকাজে। রক্তের বন্ধন ছিন্ন হওয়া আজ ঠুনকো বিষয়।
আসলে অর্থই সব অনর্থের মূল। বিদ্যা আর বুদ্ধিও হার মানছে এই অর্থের কাছে। সমাজপতি হওয়ার মাপকাঠিও মাপা হচ্ছে অর্থ দিয়ে। অন্যায়, অপরাধ সবই গিলে খাচ্ছে এই অর্থ। এই অর্থই বদলে দেয় সমাজের গতি। বদলে দেয় পথ। বিপথে পরিচালিত হয় সমাজ। ব্যতিক্রম কি নেই? আছে। অনেক আছে। তবে তারা সংখ্যালঘু। তারা রাজপথে দাঁড়িয়ে শুধু চিৎকার করার ক্ষমতাই রাখে। গলা ভাঙে। রাগে ক্ষোভে ফুঁসে। সেটাও চার দেয়ালের ভেতরে। এ পর্যন্তই তাদের ক্ষমতা। এসব কারণে সমাজে বাসা বাঁধছে অপরাধ। অপরাধীরা বুক ফুলিয়ে চলে। আকাম করে। ওরা যে সংখ্যাগুরু। ওরা ডাক দিলেই হাজারো জনতা জড়ো হয়। ওদের পক্ষে কথা বলে।

ওদের একজন আলোচিত সিরাজ উদ দৌলা। মাদরাসাকে বানিয়েছিল হেরেমখানা। রঙ্গশালা। রুচিও ছিল বিকৃত। সিরাজ তার বিকৃত রুচির সফল বাস্তবায়ন করতো অবলীলায়। কারণ ওপর মহল তার হাতের মুঠোয়। কি পুলিশ প্রশাসন, সিভিল প্রশাসন। কি জনপ্রতিনিধি। তার ছিল চেলা-চামুণ্ডাও। সব মিলিয়ে সিরাজ গড়ে তুলেছিলেন তার রাজত্ব। কিছু নামধারী সাংবাদিকও জুটিয়ে নিয়েছিল তার দলে। ষোলোকলা পূর্ণ করেছিল তার নিরাপত্তার। কিন্তু নুসরাত জাহান রাফি তার রাজত্বে টর্নেডো হয়ে আসে। যে টর্নেডো তছনছ করে দিয়েছে তার দম্ভ। অহংকার। গোটা জীবনের অন্ধকার দিককে টেনে এনেছে সামনে।




এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

আব্দুল মতিন মুন্সি

২০১৯-০৪-২৪ ০৬:৪২:৫৮

এমন হাজারো সিরাজ-উদ-দৌলার আমাদের সমাজের ভিতর ছদ্দবেশী আলেমের রূপ ধারণ করে বিভিন্ন ধরনের অপকর্মের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে শুধুমাত্র প্রশাসনিক ক্ষমতা এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে ইনশাআল্লাহ অচিরেই এই সমস্ত কুলাঙ্গারা জনগনের আদালতে ধরা খাবে আর যদিও বা জনগনের আদালতে ধরা না পড়ে আল্লাহর আদালতে নিশ্চয়ই তারা রেহাই পাবে না

nasir uddin

২০১৯-০৪-২৩ ০০:৩৮:২৬

একদিন প্রতি ঘরে নুসরাত জন্ম নেবে ইনশাল্লাহ

Md farhadul Islam

২০১৯-০৪-১৯ ০৩:৩৯:২৭

অসাধারণ ।।।

Mohammed islam

২০১৯-০৪-১৮ ১৬:৫১:১৫

No respect in this world. Every thing under money. Money controles every things. Look like we sold out for money and power. We are going down down and down. We need to stand but I don't know when!

saad ahmed

২০১৯-০৪-১৯ ০৩:০৮:০৯

Bangladesh thana level police are corrupted this is why all of this happening.

আনিস-উল-হক

২০১৯-০৪-১৮ ১১:৩৬:২৯

এরা সেই আদিম সংস্কৃতির বাদি গেলমান চর্চায় করে যাচ্ছে।এই মনোবিকার গ্রস্থদের কঠোরতম দন্ড নিশ্চিত করতে হবে।

আপনার মতামত দিন

ছেলেধরা সন্দেহে এবার পাঁচ এনজিও কর্মীকে গণপিটুনি

বিএনপি নেতা জাপায়

নিন্দা বর্ষণের মধ্যেও শাসকদলের নরম মনোভাব

ট্রান্সফার :বার্সেলোনায় আসতে পারেন যারা

ভর্তি যুদ্ধ, টপকাতে হবে ২১ জনকে

গণপিটুনি দিয়ে মানুষ মারলে আইনগত ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

এক আসামির স্বীকারোক্তি, ৩ জন রিমান্ডে

মিন্নির চিকিৎসার আবেদন নামঞ্জুর

ডিসিসি’র দুই স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে হাইকোর্টে তলব

গুজব গণপিটুনি নিয়ে পুলিশেও উদ্বেগ, সারাদেশে সতর্কবার্তা

একমাত্র আসামীর ফাঁসি

সিরিয়ার অখণ্ডতা রক্ষায় আসাদের পাশে থাকবে রাশিয়া: পুতিন

আ.লীগ নেতাদের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরামর্শ রিজভীর

ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মামলা

শিশুকে গলা কেটে হত্যা

‘ছেলেধরা’ সন্দেহে এবার মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন