‘ভালো ডাক্তার হওয়ার পাশাপাশি ভালো মানুষ হতে হবে’

শেষের পাতা

কূটনৈতিক রিপোর্টার | ১৬ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৫৯
চার দিনের বাংলাদেশ সফর শেষে দেশে ফিরে গেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং। নববর্ষ উদ্‌যাপন এবং ঢাকা-থিম্পু যোগাযোগ ও ব্যবসায়িক সুযোগ-সুবিধা অনুসন্ধানই ছিল তার সফরের মুখ্য উপলক্ষ্য। লোটে সোমবার সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে ড্রুক এয়ারের ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম এনামুর রহমান ও পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক লোটে শেরিংকে বিমানবন্দরে বিদায় জানান। ঢাকায় নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং থিম্পুতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ সময়  বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গত বছর দায়িত্ব গ্রহণ করেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্র লোটে শেরিং। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে পহেলা বৈশাখের আয়োজনকে সামনে রেখে তিনি তার স্মৃতি বিজড়িত বাংলাদেশ সফরে আসেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটাই ছিল তার প্রথম বাংলাদেশ সফর।
সফরকালে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও দ্বিপক্ষীয় এবং আনুষ্ঠানিক আলোচনায় নেতৃত্ব দেন। গত শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আন্তরিক পরিবেশে এই আলোচনা হয়। আলোচনায় চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের প্রতিফলন ঘটে। সেখানে পারস্পরিক স্বার্থে দুটি দেশের বাজারে বিভিন্ন পণ্যের শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকারের উভয় পক্ষ সম্মত হয়। পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক জানিয়েছেন, ভুটান বাংলাদেশের বাজারে ১৬টি পণ্যের শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকারের দাবি করেছে। দুই দেশের আনুষ্ঠানিক আলোচনার সময় বাংলাদেশ ভুটানের বাজারে ১০টি পণ্যের প্রবেশাধিকার চেয়েছে। দুই দেশের নেতৃবৃন্দ চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উভয় প্রধানমন্ত্রী বিগত দশকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছার বিষয়টি স্বীকার করেন। বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে এই সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও দৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পর বাংলাদেশ ও ভুটান স্বাস্থ্য, কৃষি, শিপিং, পর্যটন ও জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ প্রদানের ক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতার জোরালো করার জন্য পাঁচটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেখান থেকে ফিরে তার সম্মানে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে যোগ দেন। এ ছাড়া ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের পররাষ্ট্র, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য ও নৌ-পরিবহনমন্ত্রীদের সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করেন। তিনি এফবিসিসিআই নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন। তিনি এ সময় বলেন, ভুটান বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য সম্পর্ক বিকাশে অত্যন্ত আগ্রহী। তার দেশে আরও বাণিজ্য সম্ভাবনা অনুসন্ধান করতে চায়। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে নববর্ষ উদ্‌?যাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। এই সফরকালে তিনি গত রোববার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে যান। সেখানে তিনি তার অনুজ মেডিকেল স্টুডেন্টদের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তৃতায় বলেন, ভাল ডাক্তার হওয়ার পাশাপাশি ভাল মানুষ হতে হবে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘বাংলাদেশ দৈবক্রমে সৃষ্টি হয়নি’

পবিত্র লাইলাতুল বরাত আজ

দল গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি

অন্যদেশ থেকে লোক এনে প্রচার চালাচ্ছে তৃণমূল

ফেরদৌস-নূরের পর...

মোকাব্বির খানকে শোকজ

ভাই নেই, তাই থেমে গেছে নেহার পড়াশোনা

স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির আগেই সফল হবো

৮ বছরেও বিচার হয়নি

প্রধানমন্ত্রী ব্রুনাই সফরে যাচ্ছেন আজ

অনুমতি পেলেই সিঙ্গাপুরে নেয়া হবে সুবীর নন্দীকে

‘অকুপেন্সি সার্টিফিকেট’ ছাড়া বহুতল ভবন ব্যবহার করা যাবে না

পোশাক শিল্পের অবদান বাড়লেও পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক

‘চীনের বিআরআই উদ্যোগের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে চায় ঢাকা’

নুসরাত হত্যা ধামাচাপা দিতে অর্থ লেনদেন হয়েছে: সিআইডি

শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত বলতে পারবো না: এমডি