কাস্টমসের আইডি হ্যাক করে জালিয়াতি, রহস্য উদ্‌ঘাটনে দুদক

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৬ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:৫০
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তাদের আইডি হ্যাক করে পণ্য পাচারসহ নানা জালিয়াতির রহস্য উদঘাটনে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। গত ১১ই এপ্রিল এ বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিচালক মো. ইউসুফের নেতৃত্বে একটি অনুসন্ধান দল গঠন করেছে কমিশন। দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য মানবজমিনকে নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তাদের আইডি হ্যাক করে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের সহায়তায় পণ্য খালাসের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি দুদক অনুসন্ধান করবে। গত ১১ই এপ্রিল কমিশনে এমন একটি সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালক মো. ইউসুফকে প্রধান করে একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। এ দলে তার সঙ্গে আরো দু’জন সদস্যও কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন দুদকের এই কর্মকর্তা।

দুদক সূত্রে জানা যায়, সংঘবদ্ধ একটি চক্র এনবিআর-এর সার্ভারে অবৈধভাবে তিন বছর ধরেই প্রবেশ করছে।
এই সময়ে চক্রটি শত শত কোটি টাকার পণ্য চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ছাড় করিয়েছে। এই চক্রটি ২০১৬ সাল থেকে ৩ হাজার ৭৭৭ বার এনবিআর-এর সার্ভারে প্রবেশ করেছে। এতে সহায়তা করেন চট্টগ্রাম কাস্টমস, বন্দর কতৃপক্ষ ও পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত কিছু বেসরকারি সংস্থার অসাধু কর্মকর্তা। সূত্রটি আরো জানিয়েছে, আমদানি করা পণ্যের শুল্কায়ন থেকে সবই করা হয় এনবিআর-এর অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম নামের একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে। রাজস্ব বোর্ডের কার্যালয় থেকে নিয়ন্ত্রিত এই সফটওয়্যার দেশের সবক’টি বন্দরে ব্যবহার করা হয়। এর মধ্য দিয়ে পণ্য খালাস যেমন করা যায় তেমনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধও করা যায়। মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য বন্দরে আনা হয়েছে এ খবরে আমদানি করা ২২ পণ্যের কন্টেইনার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় ছাড় করানো সম্প্রতি বন্ধ করে  দিয়েছিলেন শুল্ক বিভাগের কর্মকর্তারা। অথচ পরে দেখা মেলে অন্য ঘটনা। কনটেইনারগুলো নামমাত্র শুল্ক দিয়ে ছাড় করানো হয়েছে। আর এই কাজে দু’জন কাস্টমস কর্মকর্তার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে রাজস্ব বোর্ডের ওই সফটওয়্যার থেকে এসব পণ্যে চালান ছাড় দেয়া হয়। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এক তদন্ত সূত্রে জানা যায়, যে দুই কর্মকর্তার পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে এই জালিয়াতি করা হয় তারা এখন কাস্টমসে কর্মরত নন। তারা হলেন ডি এ এম মহিবুল ইসলাম ও ফজলুল হক। মহিবুল ২০১৫ সালেই অবসরে যান। অন্যদিকে ফজলুল হকও ২০১৫ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত বন্দরে কর্মরত ছিলেন। তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, এসব জালিয়াতির ঘটনায় বেশ কয়েকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাছাড়া ঢাকার রমনা থানায় একটি মামলাও হয়েছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘নিজের সঙ্গে যুদ্ধে জিতেছি’

রেকর্ড ম্যান সাকিব

এই লিটনকেই দেখতে চায় বাংলাদেশ

মারা গেলেন মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোরসি

বিরোধিতার মুখে ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস

লাল-সবুজের ‘ফেরিওয়ালা’ বিলেতি নারী

‘যে’ কারণে রুবেল নয়, লিটন

স্বরূপে মোস্তাফিজ, ফর্ম জারি সাইফুদ্দিনের

ভাগ্নেকে ফিরে পেতে সোহেল তাজের সংবাদ সম্মেলন

বছরে বিশ্বজুড়ে আড়াই কোটি শরণার্থী পাড়ি দেন ২শ’ কোটি কিলোমিটার পথ

দুশ্চিন্তায় সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকরা

‘গণপিটুনির ভয়ে পলাতক ছিলেন’

ব্যাংকে টাকা আছে, তবে লুটে খাওয়ার মতো টাকা নেই

‘রোল মডেল’ হতে চায় সিলেট বিএনপি

ভুল করেই পাসপোর্ট সঙ্গে নেননি পাইলট ফজল

দেশে ফিরতে রাজি ভূমধ্যসাগরে আটকা ৬৪ বাংলাদেশি