সংঘর্ষের পর সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থমথমে

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে | ১৪ এপ্রিল ২০১৯, রোববার
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের পর থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ অভিযান জোরদার করেছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার ইসলামপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ৪৮ রাউন্ড শট গানের গুলি ও তিন রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত ১৩ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন- সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইয়াকুব আলী ও তার ভাই উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন, কোম্পানীগঞ্জ ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও কোম্পানীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের অফিস সম্পাদক সোহেল রানা, ইসলামপুর গ্রামের মোশাররফ হোসেন, সফিকুল ইসলাম, মনির মিয়া, আনোয়ার হোসেন, ইব্রাহিম, সাইফুর রহমান, রফিক, আব্দুল হাকিম, আবুল হোসাইন, আবু হানিফ, হোছন আলী, নাজমুল, হাবিবুর রহমান, আমির হোসেন, রফিক মিয়া, আশরাফ, আবু বকর, হাছন আলী, শরিফ, আবু হাশেম, মাহমুদা, জাফর, নান্নু মিয়া, আরিফ, শাহ আলম, আব্দুল্লাহ, মোস্তফা, শহিদ, বিল্লাত হোসেন, বশির মিয়া, আশরাফুল, সাজেদা, ইয়ামিন, আকির, কবির ও আলী আহমদ। শিলেরভাঙ্গা গ্রামের- গোলাম কিবরিয়া, সাদেক মিয়া, কাউছার, বুরহান, জিলানি, ইব্রাহিম ও জীবন মিয়া। টুকেরগাঁও গ্রামের- সোহাগ, শরিফ ও মিজান, ঢালারপাড় গ্রামের মাসুক চৌধুরী ও যুবরাজ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ইসলামপুর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী ও মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের মেম্বার পক্ষের লোকজনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শুক্রবার বিকালে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় এলাকায় এক ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হয়। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কয়েক দফা চেষ্টা চালালে পরিস্থিতি শান্ত হয়। মো. ইয়াকুব আলী জানান, ফার্মেসিতে হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি। বরং তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহেরের লোকজন তার ভাতিজা জাকির হোসেনকে মারধর করে। পরে উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল বাছির বিষয়টি সালিশ বিচারে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিলে আমরা মেনে নেই। আমার ছেলে জাফর তার দুই বছরের ছেলে ইয়ামিন ও আকির হোসেনকে নিয়ে মোটরবাইকে টুকেরবাজার যাচ্ছিল। পথিমধ্যে তাদের ওপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। এ হামলায় দুই বছরের শিশু ইয়ামিন গুরুতর আহত হয়েছে। তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে ৫০-৬০ জন লোক তাদের ওপর আবারো আক্রমণ করলে তারা বেশ কয়েকজন লোক আহত হন। এ সময় তিনি নিজেও আহত হয়েছেন বলে জানান। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) জসীম উদ্দিন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে ইসলামপুর গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘বাংলাদেশ দৈবক্রমে সৃষ্টি হয়নি’

পবিত্র লাইলাতুল বরাত আজ

দল গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি

অন্যদেশ থেকে লোক এনে প্রচার চালাচ্ছে তৃণমূল

ফেরদৌস-নূরের পর...

মোকাব্বির খানকে শোকজ

ভাই নেই, তাই থেমে গেছে নেহার পড়াশোনা

স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির আগেই সফল হবো

৮ বছরেও বিচার হয়নি

প্রধানমন্ত্রী ব্রুনাই সফরে যাচ্ছেন আজ

অনুমতি পেলেই সিঙ্গাপুরে নেয়া হবে সুবীর নন্দীকে

‘অকুপেন্সি সার্টিফিকেট’ ছাড়া বহুতল ভবন ব্যবহার করা যাবে না

পোশাক শিল্পের অবদান বাড়লেও পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক

‘চীনের বিআরআই উদ্যোগের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে চায় ঢাকা’

নুসরাত হত্যা ধামাচাপা দিতে অর্থ লেনদেন হয়েছে: সিআইডি

শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত বলতে পারবো না: এমডি