লোকসভা নির্বাচনে ভারতে ‘শতবর্ষী ক্লাব’, বিশেষ আয়োজন

ভারত

মানবজমিন ডেস্ক | ৬ এপ্রিল ২০১৯, শনিবার
ভারতে লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলো ‘ইয়াং ইন্ডিয়া’ বা যুবশক্তির ভারত মন্ত্রে মেতেছে। তারা দেশের শক্তি হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করছে যুব শ্রেণিকে। কিন্তু কর্ণাটকে একটি ভিন্ন চিত্র ধরা পড়েছে। সেখানে দেড় লক্ষাধিক ভোটার আছেন, যাদের বয়স ৯০ বছরের উপরে। দেশটির নির্বাচন কমিশনের তথ্য উল্লেখ করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া।
এতে বলা হয়েছে, ওই দেড় লক্ষাধিক মানুষের মধ্যে ১০০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের সংখ্যা ৫৫৭৯। ৯০ থেকে ৯৯ বছরের মধ্যে আছেন এক লাখ ৪৭ হাজার। এ ছাড়া ৭০ থেকে ৯০ বছর বয়সসীমার মধ্যে রয়েছেন আরো ৩২ লাখ ভোটার। এ রাজ্যের মোট ভাটার কমপক্ষে ৫ কোটি ১০ লাখ।

এসব প্রবীণ ভোটার যাতে আগামী ১৮ই এপ্রিল থেকে ২৩ শে এপ্রিল পর্যন্ত স্বস্তিতে ভোটকেন্দ্রে যেয়ে সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারেন সেজন্য  সম্মান জানাতে আক্ষরিক অর্থেই লাল গালিচা বিছিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। তাদেরকে হুইল চেয়ার থেকে পিকআপে করে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া, আবার ফেরত দিয়ে যাওয়ার দায়িত্বও পালন করতে চাইছে কমিশন। এসব ভোটারের অনেকেই ১৯৫১ সাল থেকে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আসছেন। ওই ভোট হয়েছিল ভারত স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম।
মহীসুরের ডিসি অভিরাম জি শঙ্কর বলেছেন, এসব সম্মানীত ভোটারদের হুইল চেয়ার ও পরিবহন ব্যবস্থা করে দেয়ার পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবী সহায়ক রাখার বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করতে চাই। জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন শতবর্ষী ক্লাবের এসব সদস্যের জন্য একই রকম আয়োজন করছে। কর্মকর্তারা বলছেন, এই ব্যবস্থা প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও থাকবে। যদি তারা মনে করেন প্রয়োজন তাহলে তাদেরকেও দেয়া হবে একই সেবা।

ব্যাঙ্গালোর অঞ্চলে এমন শতবর্ষী ভোটার রয়েছেন ৭৩৬ জন। তার মধ্যে অন্যতম লেক্সিকোগ্রাফার প্রফেসর জি ভেঙ্কাটাসুভাইয়া, মুক্তিযোদ্ধা এইচএস দোরেস্বামী ও পরিবেশবিদ সালুমারাদা থিমাকা। একশত বছরের ওপরে বয়স এমন মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি তুমাকুরুতে। সেখানে এ সংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৩৫। এর পরের অবস্থানে রয়েছে মহীসুর। সেখানে এমন ভোটারের সংখ্যা ৫৩০। আর সবচেয়ে বেশি বয়সী প্রার্থী রয়েছেন এই তুমাকুরু জেলার। তিনি হলেন ৮৬ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবেগৌড়া।
এসব শতবর্ষী ক্লাসের সদস্যদের স্বস্তি দিতে, তাদের সেবা দেয়ার জন্য হাইস্কুল ছাত্রছাত্রীদের, বিশেষ করে ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর এবং স্কাউট গাইডদের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে ব্যবহারের জন্য শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছেন মহীসুর জিলা পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে জ্যোতি।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সিগারেট চুরির অপবাদ, অতঃপর...

জেলা প্রশাসকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

অভিযোগ ছাড়া কোনো পরিবহন থামানো যাবে না : আইজিপি

জামিনে মুক্ত বিএনপির রবি

মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় দুদক

পাকুন্দিয়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর আটক

‘ইরানিদের হুমকি দেবেন না, সম্মানের সঙ্গে কথা বলুন’

খালেদা জিয়ার আদালত স্থানান্তরের প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারে নোটিশ

মক্কায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইরান সমর্থিত হুতিকে অভিযুক্ত সৌদির

বিচারাধীন বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন, ব্যাখ্যা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থানের নেপথ্যে বামভোট নাকি মেরুকরণের রাজনীতি

মোদিকে থামাও

পাকিস্তানের বাংলাদেশ মিশনে ভিসা ইস্যু বন্ধ হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

হিমালয়ান ভায়াগ্রা নিয়ে দুই গ্রামের সংঘর্ষ

ঋণখেলাপিদের বিশেষ সুবিধা আটকে গেলো হাইকোর্টে

কেরানীগঞ্জে আদালত স্থাপন সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক : মওদুদ