শহিদুল আলমের মামলায় হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত হয়নি

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ২৬ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৪:১১
আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে করা রমনা থানার মামলার তদন্ত কার্যক্রম স্থগিতের হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত হয়নি আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে। রাষ্ট্রপক্ষের স্থগিত চেয়ে করা আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। আগামী ১১ই এপ্রিল এ বিষয়ে নিয়মিত বেঞ্চে শুনানি হবে। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর শুনানি শেষে সোমবার আপিল বিভাগের অবকাশকালীন চেম্বার জজ বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ আদেশ দেন।

আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এর আগে গত ১৪ই মার্চ আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে করা রমনা থানার মামলার তদন্ত কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় করা এ মামলা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে তদন্ত চলমান রাখা কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (উত্তর) পরিদর্শক মো. মেহেদী হাসান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (উত্তর) পরিদর্শক আরমান আলী এবং ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমকে চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ কার্যকর হওয়ার পরেও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলার তদন্ত চলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ৩রা মার্চ শহিদুল আলমের করা রিট আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে ওইদিন বৃহস্পতিবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত চেয়ে চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

গত বছরের ৫ই আগস্ট আল জাজিরাতে একটি সাক্ষাৎকার দেন শহিদুল আলম।
তখন রাজধানীতে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন চলছিল শিক্ষার্থীদের। ওইদিন রাতে রাজধানীর ধানমণ্ডির বাসা থেকে শহিদুল আলমকে তুলে নেয় পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পরদিন ৬ই আগস্ট রমনা থানায় আইসিটি আইনে করা মামলায় শহিদুল আলমকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। একই বছরের ১২ই আগস্ট মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এরপর ২০১৮ সালের ১৫ই নভেম্বর এ মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে জামিন দেন হাইকোর্ট।  ১০৭ দিন কারাভোগের পর ২০শে নভেম্বর জামিনে মুক্তি পান তিনি।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সমম্বিত সহযোগিতার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সম্মত বাংলাদেশ ও ব্রুনাই

সরকারের ১০০ দিন উদ্যম উদ্যোগহীন

দোটানায় বিএনপির নির্বাচিতরা

সিইসি যে কারণে বিব্রত

ক্রিকেটপাগল জায়ান সঙ্গ পেয়েছিল সাকিবের

জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

শোকে স্তব্ধ শ্রীলঙ্কা আইএস’র দায় স্বীকার

পোশাক শ্রমিকদের বেতন বাড়েনি প্রকৃতপক্ষে কমেছে

মুখ চেপে সেলফি, জীবন দিলো স্কুলছাত্রী

ঢাকা আসছেন ৭ মার্কিন কর্মকর্তা

ওসি’সহ পুলিশের গাফিলিতির বিষয়ে ফের তদন্ত কমিটি

বাংলাদেশের মিডিয়ায় কাজ করতে চান নূর

রাজধানীতে বেপরোয়া বাসের চাপায় প্রাণ গেল ২ জনের

পাঁচ দফা দাবিতে সাড়ে ৪ ঘণ্টা নিউমার্কেট মোড় অবরোধ সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের

হয়েছে ধর্ষণ, পুলিশ মামলায় লিখেছে ধর্ষণচেষ্টা

একাদশ সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজ