কাতারে ৪৩৪ মিলিয়ন ডলারে নির্মিত গোলাপ জাদুঘরের উদ্বোধন

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক | | ২৬ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ৭:০০ | সর্বশেষ আপডেট: ৭:০০
জমকালো এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদ্বোধন করা হয়েছে মরুভূমির গোলাপের আকৃতিতে তৈরি কাতারের জাতীয় জাদুঘর। প্রায় একদশক ধরে ৪৩৪ মিলিয়ন ডলার খরচে সম্পন্ন হয় দেশের সবচেয়ে বড় জাদুঘরের নির্মাণ কাজ। গত বুধবার উদ্বোধন শেষে বৃহস্পতিবার জাদুঘরটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাতারের শাসক শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি, কুয়েতের আমির শেখ হাবাহ আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহ এবং ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী অ্যাডওয়ার্ড ফিলিপে।

স্থাপনাটি ৫২,০০০ স্কয়ার কিলোমিটার জায়গা জুড়ে বারিধারায় বেষ্টিত। বিমানবন্দর থেকে শহরে অগ্রসর হওয়ার পথে প্রথমেই পর্যটকদের চোখে পড়বে এই জাদুঘর। এমনকি ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে যেখানে কাতারের সবকিছু নতুন সাজে সজ্জিত হচ্ছে, সেখানেও এই স্থাপনাটি এককভাবে সকলের দৃষ্টি কেড়ে নিবে।
স্থাপনাটিতে ৩৬ হাজার ভিন্ন ভিন্ন আকৃতি ও গঠনের ৭৬ হাজার সুড়ঙ্গ রয়েছে। আছে ১১৪টি ভাস্কর্যসহ ৯০০ মিটার দীর্ঘ হ্রদ। জাদুঘরের  ভেতরে দর্শকদের জন্য ১,৫০০ মিটার শূন্যস্থান রয়েছে।
আছে ১.৫ মিলিয়ন উপসাগরীয় মুক্তা খচিত উনিশ শতকের কার্পেট। এছাড়া ১৮ শতকেরও প্রুনো প্রাচীন কোরআন শরিফ রয়েছে জাদুঘরে।

স্থাপনাটির পরিচালক শেখ আমনা বিনতে আব্দুল আজিজ বলেন, এটি এমন এক জাদুঘর, যা কাতারের জনগণের ইতিহাস বর্নণা করে।’ জাদুঘরের স্থপতি ফ্রান্সের জেন নওভেল টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘স্থাপনাটি ঐতিহ্যের বার্তা দেয়।’ সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়, জদুঘরটি কাতারের অতীত ও বর্তমানকে ফুটিয়ে তুলে। এছাড়া কাতারের বিপুল সম্পদ, উচ্চাকাঙ্খা ও রাজনৈতিক প্রতিফলন ঘটায় এই জাদুঘর।

জাদুঘরটি উপসাগরীয় অঞ্চলে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সর্বশেষ অংশ হিসেবে নির্মিত। স্থাপনাটি ২০১৬ সালের মধ্যে নির্মাণের কথা ছিল। তবে বিলম্ব হওয়াতে তা জাতীয় পরিচয়কে আরও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ২০১৭ সালের জুন মাসে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন দেয়ার অভিযোগে কাতারের ওপর প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে অবরোধ আরোপ করে। তবে সেই অভিযোগ অস্বীকার করে সেই আবরোধকে কাতারের সার্বভৌমত্ত্বের ওপর এক আক্রমণ বলে দাবি করে কাতার।

ওয়াশিংটন ভিত্তিক মধ্যপ্রচ্যের বিশ্লেষক সিগার নিউবার বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে যে তিক্ত ফাটল ধরেছিল, নতুন এই জাদুঘর কাতারকে তা পুনঃস্থাপনের সুযোগ করে দিবে। তিনি বলেন, এটা কেবল একটি স্থাপনা নয়, বরং এর মাধ্যমে কাতার একটি জাতীয় পরিচয় ধারণের চেষ্টা করছে, যা মুক্ত চিন্তার একটি ক্ষেত্র তৈরি করবে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘নিজের সঙ্গে যুদ্ধে জিতেছি’

রেকর্ড ম্যান সাকিব

এই লিটনকেই দেখতে চায় বাংলাদেশ

মারা গেলেন মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোরসি

বিরোধিতার মুখে ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস

লাল-সবুজের ‘ফেরিওয়ালা’ বিলেতি নারী

‘যে’ কারণে রুবেল নয়, লিটন

স্বরূপে মোস্তাফিজ, ফর্ম জারি সাইফুদ্দিনের

ভাগ্নেকে ফিরে পেতে সোহেল তাজের সংবাদ সম্মেলন

বছরে বিশ্বজুড়ে আড়াই কোটি শরণার্থী পাড়ি দেন ২শ’ কোটি কিলোমিটার পথ

দুশ্চিন্তায় সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকরা

‘গণপিটুনির ভয়ে পলাতক ছিলেন’

ব্যাংকে টাকা আছে, তবে লুটে খাওয়ার মতো টাকা নেই

‘রোল মডেল’ হতে চায় সিলেট বিএনপি

ভুল করেই পাসপোর্ট সঙ্গে নেননি পাইলট ফজল

দেশে ফিরতে রাজি ভূমধ্যসাগরে আটকা ৬৪ বাংলাদেশি