লক্ষ্মীপুরে ১৮ জেলের জেল-জরিমানা

অনলাইন

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি | ১৯ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার, ১:৩২ | সর্বশেষ আপডেট: ৯:০২
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মেঘনায় মাছ ধরার অপরাধে লক্ষ্মীপুরে ১৮ জেলেকে জেল-জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার রাতে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ফাহমিদা মুস্তফা ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ৪ জেলেকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১৪ জেলের প্রত্যেককে ৩ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড করেন। এর আগে মজু চৌধুরীর হাটের মেঘনা নদীতে মৎস্য বিভাগের নেতৃত্বে নৌ-পুলিশ ও কোষ্টগার্ড অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় ৬টি ইঞ্জিন চালিত মাছ ধরার নৌকা ও ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জব্দ করা হয়।


কারাদন্ড প্রাপ্ত জেলেরা হলেন, কমলনগর উপজেলার মতিরহাট এলাকার কাসেম মাঝির ছেলে সাহাবুদ্দিন, মিলন মাঝির ছেলে নুর সোলায়মান, মৃত আবদুল হাসেমের ছেলে হোসেন আহমদ ও সিদ্দিক পাটওয়ারীর ছেলে আবু ছায়েদ।


সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাহমিদা মুস্তফা জানান, মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষন আইন ১৯৫০ অনুযায়ী  ৪ জেলেকে ১ মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১৪ জেলের প্রত্যেককে তিন হাজার টাকা করে অর্থদন্ড করা হয়। এছাড়া ৬টি ইঞ্জিন চালিত নৌকা ও ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।


উল্লেখ্য, জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ১লা মার্চ থেকে ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত ২ মাস নদীতে সকল ধরনের জাল ফেলা ও মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল এলাকার ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত মেঘনা নদীতে সকল ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। ১০০ কিলোমিটার মেঘনা নদী এলাকাকে ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।


এ সময় সব রকমের ইলিশ সংরক্ষণ, আহরন, পরিবহন, বাজারজাতকরন ও মজুদকরণ নিষিদ্ধ রয়েছে।
এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে জেল-জরিমানার বিধান রয়েছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন