কমলগঞ্জে ভোটারের জন্য অপেক্ষা

বাংলারজমিন

সাজিদুর রহমান সাজু, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) থেকে | ১৯ মার্চ ২০১৯, মঙ্গলবার
 উৎসবমুখর পরিবেশে প্রচার-প্রচারণা শেষে সোমবার অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনের দিন প্রতিটি  কেন্দ্র ছিল ফাঁকা।  সকালে ভোট শুরুর পর  থেকে শেষ পর্যন্ত বস্তি এলাকার কোনো ভোটকেন্দ্রে চোখে পড়েনি ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। তাই সারাদিনই ভোটারদের অপেক্ষায় ছিল  ভোটারশূন্য প্রতিটি ভোটকেন্দ্র। তবে চা বাগান এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে নারী-পুরুষ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে পৌর এলাকার কমলগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়  ভোটকেন্দ্রের চারটি বুথে ভোটার সংখ্যা ছিল ৯ জন। বেলা সাড়ে ১০টায় পৌর এলাকার সফাত আলী সিনিয়র মাদরাসা ভোটকেন্দ্রের সবক’টি বুথ মিলিয়ে ভোটার ছিলেন ১৭ জন। দুপুর পৌনে ২টায় ভোটারশূন্য ছিল পতনঊষার ইউনিয়নের পতনঊষার উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্র। ওই কেন্দ্রের বাইরে দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তাকর্মীরা বসে অলস সময় কাটাতে দেখা যায়। বুথের ভেতরে গিয়েও দেখা গেল একই চিত্র।
সবাই অপেক্ষা করছেন ভোটারের। কিন্তু কোনো ভোটারই আসছেন না। ফলে গল্পগুজবেই সময় কাটাচ্ছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এজেন্ট আর  নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। এই কেন্দ্রে  মোট ভোটার ১২৪৬। সাড়ে ৬ ঘণ্টায় এ  কেন্দ্রে ভোট পড়েছে মাত্র ২০৫টি। একই চিত্র  দেখা গেল পতনঊষার শ্রীসূর্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। শ্রীসূর্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়  ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আশুতোষ দাশ জানান, সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এই  কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ২৫০টি। তবে ভোটার উপস্থিতি না থাকলেও ভোটকেন্দ্রের বাহিরের পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর। নিরাপত্তার দায়িত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন সতর্ক অবস্থায়।ধর্মপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে ভোগান্তিতে পড়েন ভোটাররা। ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার দেওয়ান  মোহাম্মদ ইফজালুর রহমান চৌধুরী আওয়ামী বিদ্রোহী প্রার্থীর আত্মীয় হওয়ায় ব্যালট নেই এ কথা বলে ভোটারদের লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখেন। এতে অনেক ভোটার ফিরে যান। খবর পেয়ে প্রথমে মিডিয়াকর্মী ও পরে  নৌকার প্রার্থী ওই কেন্দ্রে পৌঁছলে ব্যালট  পৌঁছার কথা বলে ভোটগ্রহণ শুরু করা হয়।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন