‘আসামে বৈদেশিক আগ্রাসন মোকাবিলায় কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে?’

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৪ মার্চ ২০১৯, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৫:৫০
‘আসামে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী অবৈধ অভিবাসীর কারণে বৈদেশিক আগ্রাসন ও আভ্যন্তরীণ কলহের সৃষ্টি হয়েছে’Ñ তা মোকাবিলায় কি সব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তার বিস্তারিত তথ্য আসাম সরকারের কাছে জানতে চেয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। ২০০৫ সালে একটি রায়ে এ বিষয়ে আলোকপাত করেছিল আদালত। আবার নতুন করে বুধবার আসাম সরকারের কাছে এ বিষয়ে জানাতে বলা হয়েছে। আদালতে এদিন জানানো হয়, ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল প্রায় ৬০ হাজার বিদেশীকে সনাক্ত করেছে। তার মধ্যে মাত্র ৯০০ জনকে আটক করা হয়েছে। আদালত এদিন বলেছেন, অনেক দিন হয়ে গেছে। বিষয়টি এখন একটি কৌতুকে পরিণত হয়েছে।  এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া।

নাজুক অবস্থায় ৬টি শিবিরে বিদেশীদের অননুমোদিতভাবে আটকে রাখার বিষয়ে একটি পিটিশনের ওপর শুনানি হচ্ছিল। এ সময় বিচারক রঞ্জন গগৈ, বিচারক দীপক গুপ্ত ও সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চ আরো বৃহত্তর ইস্যুতে কথা বলেন। তা হলো, আসামে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া কথিত অবৈধ অভিবাসীর বিষয়। যা এখনও হ্রাস পায় নি।
টাইমস অব ইন্ডিয়া লিখেছে, ২০০৫ সালের রায়ে তৎকালীন আসাম গভর্নর লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) এসকে সিনহার ১৯৯৮ সালের ৮ই নভেম্বরের রিপোর্ট উদ্ধৃত করেন সুপ্রিম কোর্টি। তাতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অভিবাসীর আসামে অনুপ্রবেশের ফলে এ রাজ্যের জনসংখ্যাতত্ত্বের ধরন বা প্যাটার্ন পাল্টে গেছে এবং নিজেদের রাজ্যে আসামের স্থানীয় জনসংখ্যা ক্রমশ কমে সংখ্যালঘুতে পরিণত হচ্ছে।

আসামের নতুন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়ালের করা একটি আবেদনের ওপর বুধবার সুপ্রিম কোর্টে ২০০৫ সালের ওই রায় উঠে আসে আদালতে। এর ফলে আদালত যে বিষয় জানতে চেয়েছে সেই ব্যাপক হারে অবৈধ অনুপ্রবেশের বিষয়ে দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে। এটি এ রাজ্যে এরই মধ্যে একটি উত্তপ্ত ইস্যু।
গভর্নর এসকে সিনহার ওই রিপোর্টে আরো বলা হয়েছিল, রাজ্যে বিদ্রোহ বা অসন্তোষ বেড়ে ওঠার নেপথ্যে ভূমিকা রাখছে এই সব অবৈধ অনুপ্রবেশ। অবৈধ অভিবাসীরা শুধু আসামের মানুষের ওপরই প্রভাব ফেলছে এমন নয়, একই সঙ্গে তারা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার ক্ষেত্রে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।

ওই রিপোর্টে আরো বলা হয়, বিদেশী একটি গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশে সক্রিয় থেকে আসামের উগ্রবাদকে মদত দিচ্ছে। আর তাই মুসলিম উগ্রবাদ ব্যাঙের ছাতার মতো ফুলেফেঁপে উঠছে।
বুধবারের কার্যক্রমের সময় সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান যে, ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্টের মাধ্যমে গঠন করা হয় ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল। এই আদালত এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজার মানুষকে বিদেশী হিসেবে ঘোষণা করেছে। কিন্তু মাত্র ৯০০ জনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের বেশির ভাগই নিখোঁজ এবং সাধারণ জনগণের সঙ্গে মিশে গেছেন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

কেরানীগঞ্জে আদালত স্থাপন সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক : মওদুদ

ভোট গণনায় কারচুপি ঠেকাতে ইসি’র দ্বারস্থ মোদি বিরোধী জোট

প্রেমিকার বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের লাশ উদ্ধার

বুথ ফেরত জরিপে মোদির জয়, বিরোধীদের তোড়জোড়

কুষ্টিয়ায় ধর্ষণ মামলায় প্রধান শিক্ষকের যাবজ্জীবন

সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার দাবিতে নাটোরে বিএনপির স্মারকলিপি

সারাদেশের পাস্তুরিত দুধ পরীক্ষার নির্দেশ হাইকোর্টের

গাজীপুর সিটির ১৪ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

রুমিন ফারহানার মনোনয়নপত্র বৈধ

হুয়াওয়ের ওপরকার বিধিনিষেধ শিথিল করছে যুক্তরাষ্ট্র

১০ গ্রামের মানুষের ভরসা একটি বাঁশের সাঁকো

দেশে ফিরেছেন ভূমধ্যসাগরে প্রাণে বেঁচে যাওয়া ১৫ বাংলাদেশি

শাহজালালে সোয়া তিন কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ, যাত্রী আটক

ইউরেনিয়াম উৎপাদন ৪ গুণ বাড়িয়েছে ইরান, বাড়ছে উত্তেজনা

বহিস্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী জারিনের আত্মহত্যার চেষ্টা!

বিশ্ববিদ্যালয় পালানো শিক্ষকরা