সড়কে মৃত্যুর মিছিল যেন স্বাভাবিক

শেষের পাতা

মরিয়ম চম্পা | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৪২
বাংলাদেশের সড়ক এখন মৃত্যুপুরী। প্রতি বছর ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারায় সড়কে। লাখ লাখ পরিবার নিঃস্ব হচ্ছে সড়ক দুর্ঘটনার কারণে। এই নীরব হত্যাকাণ্ডের জন্য কাউকে খুব একটা কৈফিয়ত দিতে হয় না। নিতে হয় না দায়দায়িত্ব। সড়ক দুর্ঘটনার প্রভাব শুধু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ওপরই নয়, সমাজ জীবনেও পড়ছে। প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষের এই অপ্রত্যাশিত প্রাণহানি ও পঙ্গুত্ববরণের প্রভাব পড়ছে জাতীয় অর্থনীতিতেও।
জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ভর্তি হয়েছেন  শরিফুল ইসলাম। তার গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জে।
তিনি বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকে চাকরি করেন।

প্রতিদিনের মতো মোটরসাইকেলে অফিসে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ একটি ট্রাকের চাকা খুলে তার মোটরসাইকেলে এসে লাগে। এতে মোটরসাইকেল নিয়ে পাশের খাদে পড়ে যান তিনি। প্রাণে বেঁচে গেলেও চার হাত পা ভেঙ্গে এখন হাসপাতালের বিছানায়। তার দুই হাতের কব্জি ভেঙ্গে গেছে। ডান পায়ে তিন স্থানে ভেঙ্গেছে। বাম পায়ে দু-জায়গায় ভেঙ্গেছে। শরিফুলের স্ত্রী মালিহা বলেন, গত এক মাসে প্রায় লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। চিকিৎসা করতে অফিস থেকে ৫০ হাজার টাকা লোন দিয়েছিল। পরিবারের উপার্যনক্ষম ব্যক্তি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ায় তারা এখন পথে বসার উপক্রম।

ব্রাক্ষণবাড়িয়ার ছেলে আলম। বয়স ২৫ বছর। একটি টেক্সটাইল মিলে চাকরি করেন। ১৫ দিন আগে কাজ শেষে অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন। অটোচালক একটি শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে একটি গাছের সঙ্গে অটোরিকশাটি মেরে দেন। শিশুটি বেঁচে গেলেও আলমসহ অন্য যাত্রীরা গুরুতর আহত হন। আলমের শরীরের বিভিন্ন স্থানের মাংস উঠে গেছে। বাঁম পা ভেঙ্গে গুঁড়ো হয়ে গেছে। প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হলেও পরে পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করা হয়। বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডের জি-৬৫ বিছানায় ভর্তি আছেন। সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বৃদ্ধ মা। আলমের আর্থিক সচ্ছলতা নেই। নিজের জমানো টাকা প্রায় শেষের দিকে। সম্পূর্ণ সুস্থ হতে বাকি দিনগুলো কিভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম চালাবেন সেটা জানেন না আলম বা তার পরিবার।

সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতপ্রায় সামছুল হককে পথচারীরা বিশ্বরোড এলাকা থেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগে ভর্তি। তার হাত পা ছাড়াও মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে। সংজ্ঞা ফিরলেও কারো সঙ্গে কথা বলছে না সে। কিছুক্ষণ পরপরই অচেতন হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। সামছুল পেশায় ভ্যান চালক। পরিবারে বাড়তি উপার্জন বলতে তেমন কিছু নেই। এক কথায় দিন আনে দিন খায়। কিভাবে তার চিকিৎসা চালাবে সেটা ভাবতে হিমশিম খাচ্ছে তার পরিবার।

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন দেশে নিহতের সংখ্যা ৬৪ জন। আহতের সংখ্যা এর কয়েকগুণ বেশি। আহতদের বেশিরভাগকেই বরণ করতে হয় আজীবনের জন্য পঙ্গুত্ব। স্বাভাবিক কর্মক্ষম জীবনে তারা আর কখনো ফিরতে পারেন না। শুধু সড়ক দুর্ঘটনার কারণেই বাংলাদেশকে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।
সম্প্রতি দৈনিক ইত্তেফাকের সহকারী সম্পাদক ফাইজুল ইসলামের মেয়ে ফাইজা তাহাসিনা সুচিকে উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের ১০ নম্বর ব্রিজ এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় শুটিংয়ের একটি মাইক্রোবাস চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ঘাতক চালক বা তার মালিককে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। নিহত সুচি (১০) উত্তরার মাইলস্টোন স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।

চলতি বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সারা দেশে নিহতের সংখ্যা প্রায় ২ শতাধিক। পক্ষান্তরে আহত হয়েছেন প্রায় শতাধিক। ২০১৮ সালে ৫ হাজার ৫১৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৭ হাজার ২২১ জন। আহত হয়েছেন ১৫ হাজার ৪৬৬ জন। ২০১৬ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে মৃত্যু ও আহতের সংখ্যা বেশি। ২০১৬ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন ৬ হাজার ৫৫ জন। আহত হন ১৫ হাজার ৯১৪ জন।

২০১৮ সালের সড়ক দুর্ঘটনার একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গত বছরের জানুয়ারি মাসে ৪৯৯ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫১৪ জন, আহত ১৩৫৩ জন। ফেব্রুয়ারিতে ৪৩৯ দুর্ঘটনায় ৪৫৯ জন নিহত, আহত ১৫২১ জন; মার্চে ৪৯১ দুর্ঘটনায় নিহত ৫০৩ জন ও আহত ১৫০৬ জন; এপ্রিলে ৪৫১ দুর্ঘটনায় ৪৭১ জন নিহত ও আহত ১২২৩ জন; মে মাসে ৪৫৮ দুর্ঘটনায় ৪৮৪ জন নিহত ও আহত ১১২৭ জন; জুনে ৫২২ দুর্ঘটনায় নিহত ৬১৫ জন ও আহত ১৭৯০ জন; জুলাইয়ে ২৭৬ দুর্ঘটনায় নিহত ৪২৫ জন ও আহত ১১২২ জন; আগস্টে ৪৯১ দুর্ঘটনায় নিহত ৫১৯ জন ও আহত ১৬৩৮ জন; সেপ্টেম্বরে ৪২৩ দুর্ঘটনায় নিহত ৫১৪ জন ও আহত ১১৬৬ জন; অক্টোবরে ৩৯৫ দুর্ঘটনায় ৪৯৫ জন নিহত, ৭৭০ জন আহত; নভেম্বরে ৪৩২ দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৩ ও আহত ৯৭৯ জন এবং ডিসেম্বরে ৫৩৭ দুর্ঘটনায় ৫৮৪ জন নিহত ও আহত হন ১২৭১ জন। দুর্ঘটনার পর ৬টি বিভাগীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২০৫ জন মারা যান বলেও উল্লেখ করেন যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই সময়ে রেলপথে ৩৭০টি দুর্ঘটনায় ৩৯৪ জন নিহত এবং ২৪৮ জন আহত হয়েছেন। নৌপথে ১৫৯টি দুর্ঘটনায় ১২৬ জন নিহত ও ২৩৪ জন আহত এবং ৩৮৭ জন নিখোঁজ হয়েছেন। আকাশপথে ৫টি দুর্ঘটনায় ৫৫ জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হয়েছেন। সড়ক, রেল, নৌ এবং আকাশপথে সম্মিলিতভাবে ৬ হাজার ৪৮টি দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৭৯৬ জন নিহত এবং ১৫ হাজার ৯৮০ জন আহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালে যারা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন তাদের মধ্যে ১ হাজার ২৫২ জন চালক-শ্রমিক, ৮৮০ জন শিক্ষার্থী, ২৩১ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৭৮৭ জন নারী, ৪৮৭ জন শিশু, ১০৬ জন শিক্ষক, ৩৪ জন সাংবাদিক, ৩৩ জন চিকিৎসক, ৯ জন প্রকৌশলী, ২ জন আইনজীবী এবং ১৯২ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী ছিলেন।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে সড়ক দুর্ঘটনার বিভিন্ন কারণের মধ্যে রয়েছে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, রাস্তা-ঘাটের নির্মাণ ক্রুটি, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, যাত্রী ও পথচারীদের অসতর্কতা, চালকের অদক্ষতা, চলন্ত অবস্থায় মোবাইল বা হেডফোন ব্যবহার, মাদক সেবন করে গাড়ি চালনা, রেলক্রসিং ও মহাসড়কে ফিডার রোড থেকে যানবাহন উঠে আসা, রাস্তায় ফুটপাথ না থাকা বা বেদখলে থাকা।

গত সাড়ে তিন বছরে সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ২৫ হাজার ১২০ জন। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ২০ জনেরও বেশি। এই সময়ে আহত হয়েছেন ৬২ হাজার ৪৮২ জন। এসব দুর্ঘটনার ৯০ শতাংশ ঘটেছে চালকের বেপরোয়া মনোভাব ও অতিরিক্ত গতির কারণে।

বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সড়ক দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (এআরআই)। সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে করণীয় সরকারের জানা। আগেও সরকার এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু কিছু ব্যক্তির স্বার্থের কারণে এখন পর্যন্ত এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে যথাযথ উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
যাত্রীকল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল। তাতে দেখা যায়, ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৮ হাজার ৭৩২টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা এবং নিহতের ঘটনা ঘটে ২০১৫ সালে।

যাত্রীকল্যাণ সমিতির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সারা দেশে সংঘটিত ৩৪ শতাংশ দুর্ঘটনার সঙ্গে মোটরসাইকেল সংশ্লিষ্ট ছিল। ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানে দুর্ঘটনা ঘটেছে ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ। বাসের দুর্ঘটনা ২৫ শতাংশ। কার, মাইক্রোবাস ১৫ শতাংশ।
তবে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা আরেক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই বাংলাদেশের (নিসচা) হিসাবে, গত তিন বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ১৩ হাজার ৩৬৭ জন। আহত হয়েছেন ১৯ হাজার ১৫৮ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি পথচারী। এই সংখ্যা ২ হাজার ৮০৪ জন। ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশি ৪০১টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪২৭ জন। এরপরই রয়েছে চট্টগ্রামের অবস্থান।
১৯৯৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ঘটে যাওয়া সড়ক দুর্ঘটনা বিশ্লেষণ করে বুয়েটের এআরআই বলছে, দেশে ৫৩ শতাংশ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে। আর চালকদের বেপরোয়া মনোভাবের কারণে দুর্ঘটনা ঘটে ৩৭ শতাংশ। অর্থাৎ চালকের বেপরোয়া মনোভাব ও গতির কারণে ৯০ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে। আর পরিবেশ-পরিস্থিতিসহ অন্যান্য কারণে দুর্ঘটনা ১০ শতাংশ।
দেশের সব মহানগরে যত পথচারী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান, তার দ্বিগুণের বেশি মারা যান শুধু ঢাকা মহানগরে। অবশ্য ঢাকায় মানুষ ও যানবাহন দুটিই বেশি। এআরআইয়ের তথ্যমতে, পথচারীদের জন্য রাজধানীর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান হচ্ছে ৫৪টি ব্যস্ত মোড়। চালকের বেপরোয়া মনোভাব, পথচারীদের অসচেতনতা ও সড়কের ত্রুটির কারণেই এসব দুর্ঘটনা ঘটছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
সরকারি তথ্য বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) বলছে, সড়ক দুর্ঘটনার ৯০ শতাংশেরই কারণ হলো চালকের বেপরোয়া মনোভাব ও গতি।
সড়ক দুর্ঘটনার জন্য সাতটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালক নিয়োগ, নিয়ম ভঙ্গ করে ওভারলোডিং ও ওভারটেকিং করার প্রবণতা, চালকদের দীর্ঘক্ষণ বিরামহীনভাবে গাড়ি চালানো, ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে অনুসরণ না করা, ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি চলাচল বন্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব ও অযান্ত্রিক-অনুমোদনহীন যানবাহনের দৌরাত্ম্য এবং ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক ও বেহাল সড়ক।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এক প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় বছরে মৃত্যুর সংখ্যা ২০ থেকে ২৫ হাজার। এ রিপোর্টের তথ্যমতে দিনে প্রাণহানি ঘটে ৬৪ থেকে ৬৫ জনের। ডব্লিউএইচও আরো বলেছে, বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ বিশাল অঙ্কের। তাদের মতে, সড়ক দুর্ঘটনার দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশটিতে ক্ষতি হয় মোট জিডিপির ১ দশমিক ৬ ভাগ। আর বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষের প্রাণ যায় ১২ হাজারের অধিক। আহতের সংখ্যা এর থেকে আরো চার-পাঁচ গুণ বেশি। তাদের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের ১৯২টি দেশের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশের অবস্থান ৯০তম।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

পর্নো তারকা মিয়া খলিফার পক্ষ নিলেন নাইজেরিয়ার মিউজিক মুঘল

উত্তাল সমুদ্রে ১৩০০ যাত্রী নিয়ে জাহাজের বিপদসংকেত, উদ্ধারে ৫ হেলিকপ্টার ও কয়েকটি জাহাজ

সিলেটে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে বাস থেকে ফেলে ‘হত্যা’

প্রধানমন্ত্রীকে আজীবন সদস্য করার প্রস্তাব নুরের আপত্তি

যারা ভয় পান তারা দায়িত্ব ছেড়ে দেন

ঢাকায় গাড়ি চোরের ৫০ সিন্ডিকেট

গণহত্যা বিষয়ক জাতিসংঘ দূত ঢাকায়

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে নিয়ে নানা জল্পনা

তৃতীয় ধাপের ১১৭ উপজেলায় ভোট আগামীকাল

স্বর্ণ আমদানির দুয়ার খুলছে

দেনমোহরের দাবিতে বাংলাদেশে ফিলিপাইনের নারী

দু’দশকে বন্ধ হয়েছে এক হাজারের বেশি সিনেমা হল

ঢাকায় সড়ক পারাপারে বিশৃঙ্খলা কমছে না

শীর্ষ আলেমদের জন্য দেহরক্ষী চাইলেন আল্লামা শফী

যারা ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না তারা কীভাবে গণতন্ত্রের কথা বলে

চিকিৎসা নিতে গিয়ে আটক ছিনতাইকারী