দুই ভাই ও ভাতিজাকে খুঁজছেন জেরিন

এক্সক্লুসিভ

স্টাফ রিপোর্টার | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:২০
‘আমার ভাই কই গেল রে, ভাইরে কই পাবো রে। আমার ভাইরা মারা যায়নি, আমি কেমনে থাকবো রে’- এমন নানা বাক্য জড়িয়ে বিলাপ করছিলেন জেরিন আক্তার। ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে আমগাছের নিচে জেরিনের কান্নায় বাতাস ভারি হয়ে আসছিল। একটু পরপর তার কান্নার শব্দে চারপাশ নীরব হয়ে যায়। আবার মর্গের পোড়া লাশের গন্ধ যেন সবাইকে ছুঁয়ে যায়। মর্গের গেটে তখন লাশ শনাক্তকারী আত্মীয়-স্বজন ও নিরাপত্তাকর্মীদের ভিড়। চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ট্র্যাজেডিতে জেরিন হারিয়েছেন তার দুই ভাই মো. আলী (৩৫), মো. অপু (৩২) ও ভাতিজা আরাফাতকে (১০)।

জেরিন জানান, আগুনের পুড়ে যাওয়া ওয়াহিদ ম্যানশনের পাশেই ক্ষুদ্র কাপড়ের ব্যবসা করতেন তারা। বুধবার রাত তখন সাড়ে ১০টা। দোকান বন্ধ করে তারা বাসায় যাচ্ছিলেন। এ সময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে তাদের সন্ধান মিলছে না। রাস্তায় প্রচণ্ড যানজট থাকায় তারা দৌড়ানোর সময় পাননি। ঘটনার কিছু আগে ভাতিজা বাসায় গেলেও আবার দোকানে ফিরে আসে। তার ভাই দোকান বন্ধ করার আগে বাসায় ফোন দিয়ে ফেরার কথা জানান। বাসা থেকে আগুন লাগার খবর পেয়ে তাদের ফোন দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। জেরিন বলেন, এখন আমার থাকার আর কোনো জায়গা নেই। কী নিয়ে থাকবো। কার কাছে থাকবো। ভাইরা ছাড়া আমি কেমনে একলা থাকব। এই ভাইয়েরাই আমাকে মানুষ করেছে। জেরিনের একাধিক আত্মীয় লাশ শনাক্ত করতে মর্গে ছিলেন। তবে তিনজনের কারও লাশ শনাক্ত করতে পারেননি তারা।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

মোদিকে হাসিনার ফোন

অসন্তোষ ‘কমেছে’ ২০ দলে

যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ইউএনও’র মামলা

মমতার দুর্গেও বিজেপির হানা

ফল মেনে নিয়ে পদত্যাগের ইঙ্গিত রাহুলের

রাষ্ট্র মেরামতে সুজনের ১৮ প্রস্তাব

আতঙ্কের জনপদ ‘শাহপরাণ থানা’

আঞ্জুমানের ভবন নির্মাণে সহায়তা দিতে ব্যাংকগুলোর প্রতি সালমান এফ রহমানের আহ্বান

‘হাইকোর্টকে হাইকোর্ট দেখাচ্ছেন’

জমে উঠেছে ঈদ বাজার

মোদিকে বিএনপি’র অভিনন্দন

রাজশাহী বিমানবন্দরে পিস্তল ও গুলি জব্দ

গাড়ি পাচ্ছেন সংসদের উপ-সচিবরা: বাজেট ৬ কোটি টাকা

গোপন ভোটাভুটিতে নির্বাচিত হবেন শীর্ষ ৫ নেতা

কর্মকর্তাদের সতর্ক করে সব মিশন প্রধানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চিঠি

নেহরু ও ইন্দিরার পর পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরা একমাত্র প্রধানমন্ত্রী মোদি