অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের রিপোর্ট

রাখাইনে গ্রামে ফেলা হয়েছে গোলা, ত্রাণ নিতে বাধা

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৮:২৭
মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনীর চলমান অভিযানে নতুন করে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা গ্রামগুলোর ওপর শেল বা গোলা নিক্ষেপ করছে।  বেসামরিক লোকজনকে খাদ্য ও মানবিক সহায়তা সুবিধা নেয়া থেকে বিরত রেখেছে তারা। আগে যেসব সেনা ইউনিট নৃশংসতা ঘটিয়েছে তাদেরকেই মোতায়েন করা হয়েছে রাখাইনে। গত ডিসেম্বর থেকে সেখানে এ ঘটনায় বাস্তুচ্যুত হয়েছে ৫২০০ মানুষ। নতুন একটি রিপোর্টে সোমবার এসব অভিযোগ করেছে মানবাধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

এ বছর জানুয়ারির শুরুতে নিরাপত্তা রক্ষাকারীদের ওপর হামলা করে সশস্ত্র আরাকান আর্মি নামের একটি গ্রুপ। তার পর থেকে নতুন করে এই দমনপীড়নের বিষয়ে অভিযোগ তুলল অ্যামনেস্টি। সংগঠনটির ক্রাইসিস রেসপন্স বিষয়ক পরিচালক তিরানা হাসান বলেছেন, এটি আবার স্মরণ করিয়ে দেয়া যে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কোনো রকম মানবাধিকারের তোয়াক্কা করে না।
যেকোনো পরিস্থিতিতে বসতি আছে এমন গ্রামের ওপর গোলা নিক্ষেপ ও খাদ্য সরবরাহ বন্ধ রাখা সমর্থনের অযোগ্য।

অ্যামনেস্টি বলেছে, ২০১৭ সালের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে সেনাবাহিনীর যে ডিভিশনগুলো নৃশংসতায় জড়িত ছিল তাদেরকে সম্প্রতি রাখাইনে ফের মোতায়েন করা হয়েছে।  তিরানা হাসান বলেন, আন্তর্জাতিক নিন্দা সত্ত্বেও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নৃশংসতা, প্রমাণ সাপেক্ষেপ বলে যে, তারা আরো ভয়াবহভাবে অধিকতর সিরিয়াসভাবে নির্যাতন করে যাচ্ছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সোমবার রাখাইনে চলমান সামরিক অভিযান ও সহিংসতার বিষয়ে নতুন তথ্যপ্রমাণ নিয়ে এ রিপোর্ট প্রকাশ করে। এর শিরোনাম ‘মিয়ানমার: ফ্রেস এভিডেন্স অব ভায়োলেশনস অ্যামিড অনগোয়িং মিলিটারি অপারেশন ইন রাখাইন স্টেট’।

এই রিপোর্টে অ্যামনেস্টি বলেছে, রাখাইনে বেসামরিক মানুষদের আটক করার ক্ষেত্রে অস্পষ্ট ও নিস্পেষণমূলক আইন ব্যবহার করছে নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা। আর এসব ঘটছে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের রিপোর্ট হওয়ার পরও। ওই রিপোর্টে আইর্ন্চাতিক আইনের অধীনে মিয়ানমারের সিনিয়র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত ও বিচারের আহ্বান জানানো হয়। মিয়ানমারের ওইসব কর্মকর্তা রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী, কাচিন ও উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যে জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে নিযৃাতন চালিয়েছেন।

আরাকান আর্মির হামলা সম্পর্কে অ্যামনেস্টি লিখেছে, ২০১৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি ছিল মিয়ানমারের স্বাধীনতা দিবস। এদিন রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে চারটি পুলিশ পোস্টের ওপর সুসংগঠিত হামলা চালায় জাতিগত রখাইন সশস্ত্র গ্রুপ আরাকান আর্মি। ওই হামলায় ১৩ জন নিরাপত্তারক্ষী নিহত হন বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে। আরাকান আর্মি মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই জোরালো করেছে। তারা চিন ও রাখাইন রাজ্যে দৃষ্টি সরিয়ে এনেছে সম্প্রতি। এসব সংঘাতের মূল বিন্দু তাদের নিরাপত্তা রক্ষী।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ইয়াবা: আত্মসমর্পণ কৌশল কতটা কাজে লাগবে?

আসছে আরও ৩ ব্যাংক

একদিন বাড়িয়ে বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত মঙ্গলবার

চট্টগ্রামে গুলিসহ একে-৫৬ উদ্ধার

খুলনার আদালত থেকে জামিন নিলেন মানবজমিনের রাশিদুল

এমপিওভুক্ত হচ্ছে ২ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

হিজড়াদের জন্য ১০ জেলায় আবাসন স্থাপন হবে: সমাজ কল্যাণমন্ত্রী

সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে শাজাহান খানের নেতৃত্বে কমিটি

ফাল্গুনের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অমর একুশে গ্রন্থমেলা

দুদককে ভয় পায় না এমন লোক হয়তো সমাজে নেই : দুদক চেয়ারম্যান

পিতা-মাতার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কবি আল মাহমুদ

মানবজমিনের ২২তম জন্মদিনে অভিনেত্রী স্পর্শীয়ার শুভেচ্ছা(ভিডিও)

২২তম জন্মদিনে মানবজমিন অফিসে হাবিবুল বাশার (ভিডিও)

এমপির স্যান্ডউইচ চুরি, পদত্যাগ

মডেল সানাই মাহবুবকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

ভুটানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ভালবাসা দিবসের যে ছবি ভাইরাল