নন্দীগ্রামে সৎ ছেলের লাঠির আঘাতে পিতার মৃত্যু

বাংলারজমিন

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, সোমবার
নন্দীগ্রামে শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রীকে আনতে গিয়ে সৎ ছেলের লাঠির আঘাতে আরব আলী (৩৫) নামের এক ব্যক্তি খুন হয়েছেন। নিহত আরব আলী নন্দীগ্রাম উপজেলার বিজরুল গ্রামের মোবারক আলীর ছেলে। রোববার সকালে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। শনিবার বিকালে বিজরুল গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে সৎ ছেলে ময়নুলের লাঠির আঘাতে তিনি আহত হন। স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, আরব আলী দেড় বছর আগে একই গ্রামের মর্জিনা বেগম নামে স্বামী পরিত্যক্তা এক নারীকে বিয়ে করেন। এই বিয়ের আগে মর্জিনার আরো দুই জায়গায় বিয়ে হয়েছিলো। আরব আলীর সঙ্গে সংসার করাকালে ১৫ দিন আগে মর্জিনা তার স্বামীকে না জানিয়ে পার্শ্ববর্তী উপজেলা শেরপুরে চলে যায়। গত শনিবার শেরপুর থেকে মর্জিনা তার মায়ের বাড়ি বিজরুল গ্রামে বেড়াতে আসে।
খবর পেয়ে আরব আলী স্ত্রীকে আনতে শ্বশুরবাড়ি যায়। তখন মর্জিনা জানায়, সে আরব আলীকে তালাক দিয়ে শেরপুরে চতুর্থ বিয়ে করেছে। আরব আলী সে সময় স্বামী তালাকের কাগজপত্র দেখতে চাইলে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় মর্জিনার আরেক পক্ষের ছেলে ময়নুল ইসলাম মধু (১৫) তার মায়ের পক্ষ নিয়ে সৎ পিতা আরব আলীর মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে। পরে স্থানীয় লোকজন আরব আলীকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল ১০টার দিকে তিনি মারা যান। নন্দীগ্রাম থানার এসআই মনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার পর থেকেই মর্জিনা, তার মা জরিনা বেগম ও ছেলে ময়নুল পলাতক রয়েছে। আরব আলীর মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।




এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন