নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত

ভোটারদের ভয় দেখানো হয়নি

প্রথম পাতা

মানবজমিন ডেস্ক | ২০ জানুয়ারি ২০১৯, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ১:১৩
গত ১৬ই জানুয়ারি নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের প্রহসনের নির্বাচন’- শীর্ষক সম্পাদকীয়র বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন। ১৮ই জানুয়ারি তিনি পত্রিকাটির সম্পাদকের কাছে লেখা এক চিঠিতে উল্লেখ করেছেন যে, ‘বাংলাদেশের প্রহসনের নির্বাচন’- শীর্ষক সম্পাদকীয়তে যথার্থই চিহ্নিত করা হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন নির্বাচিত হয়েছেন। একটি বিকাশমান অর্থনীতি, নাটকীয়ভাবে দারিদ্র্য হ্রাস এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের সূচক বাংলাদেশের  প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করেছে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, ‘কিন্তু এটা ভুল যখন সম্পাদকীয়তে এই সুপারিশ রাখা হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তাকে ভোট দেয়ার জন্য ভয়-ভীতি  দেখিয়েছে।
 রাষ্ট্রদূতের কথায়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো নির্বাচন-পূর্ব সহিংসতা দমন করেছে। কিন্তু তার উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ছিল না, বরং ছিল সুষ্ঠু এবং একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা। আর যা  কি না অধিকাংশ নির্বাচন পর্যবেক্ষক বলেছেন।

মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন আরও উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশে কোনো ব্যাপক গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেনি। উপরন্তু অতীতের নির্বাচনগুলোর তুলনায় ২০১৮ সালের নির্বাচন ছিল নিরাপদ এবং শান্তিপূর্ণ। জনগণ তাদের সরকার বেছে নিতে নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির বিষয়টি দেখে থাকেন। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উভয়টিই নিশ্চিত করেছেন।  আর সে কারণেই তার দল নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

দেশে ফিরতে অনীহা রোহিঙ্গাদের

২ মাসেও সন্ধান পাওয়া যায়নি হবিগঞ্জের সুমনের

লক্ষ্মীপুরে ব্যবসায়ীকে গলাকেটে হত্যা

বিয়ের ২২দিন পর একই রশিতে স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যা

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন পরিকল্পনা স্থগিত করার আহ্বান হিউম্যান রাইটস ওয়াচের

ফেনীতে নিখোঁজের ৭দিন পর স্কুুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

‘এটা আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য ইতিবাচক’

নানা চোখে জয়শঙ্করের ঢাকা সফর

এখনো যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছে ওরা

ভয়াল ২১শে আগস্ট আজ

জন্মের পরই ডেঙ্গু যন্ত্রণায়

ডেঙ্গু পরীক্ষায় ব্যস্ত কর্মী এখন নিজেই ডেঙ্গু রোগী

এনআরসি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়

ডেঙ্গুর সমাধান খুঁজতে ৩ সংস্থার প্রতিনিধি ঢাকায়

ধর্ষণের পর হত্যা

সড়কে আর কত মৃত্যু?