গুলিবিদ্ধ লাশ গলায় চিরকুট আমি ধর্ষণের হোতা

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, সাভার থেকে | ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:০৬
সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের খাগাইন এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার রাতে গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের গলায় ঝুলানো একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। এতে লেখা রয়েছে ‘আমি ধর্ষণ মামলার মূল হোতা’। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির নাম মো. রিপন (৩৯)। তিনি ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ এলাকার আব্দুল লতিফের পুত্র। সাভারের চাঞ্চল্যকর কিশোরী গণধর্ষণ মামলার মূল আসামি ছিলেন রিপন।

গণধর্ষণের পর ওই নির্যাতিতার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় মামলার পর থেকে রিপন ছিলেন পলাতক।
তার লাশ উদ্ধারের পর গতকাল ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ  সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সাভারের আমিন মডেল টাউন এলাকায় লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় নিহতের গলায় দড়ি দিয়ে বাঁধা চিরকুট পাওয়া যায়। সাভার মডেল থানার ওসি আব্দুল আওয়াল জানান, চিরকুটটি আইডি কার্ডের মতো গলায় ঝুলানো ছিল। ওই চিরকুটের সূত্র ধরেই তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। ওসি আব্দুল আওয়াল বলেন, নিহত রিপন গণধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি ছিলেন। তবে কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, এ বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

গুলির চিহ্ন সম্পর্কে পুলিশ জানিয়েছে, তার মাথায় একটি জখম পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি গুলির চিহ্ন। নিহত রিপন আশুলিয়া এলাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। থাকতের ওই এলাকাতেই। আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাবেদ মাসুদ জানান, গত ৫ই জানুয়ারি বেরন এলাকার এক কিশোরী পোশাক শ্রমিক গণধর্ষণের শিকার হন। ইয়াগী বাংলাদেশ কারখানার ওই শ্রমিক সন্ধ্যার দিকে কাজ শেষে পায়ে হেঁটে বাসায় ফিরছিলেন। কারখানা থেকে ২০০ গজ দূরে একটি নির্জন স্থানে পৌঁছানোর পর কয়েক যুবক তার গতিরোধ করে। জোরপূর্বক পার্শ্ববর্তী একটি মাঠ সংলগ্ন ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে দল বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। রাত ১২টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় স্থানীয়রা ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে। নির্যাতিতা কিশোরীর অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে পার্শ্ববর্তী মা ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ই জানুয়ারি তার মৃত্যু হয়।  

এ ঘটনায় নির্যাতিতার পিতা বাদী হয়ে একই কারখানার আবদুর রহিম, লাইন চিফ রিপন, ক্যান্টিন মালিক শিপন ও ইব্রাহিমের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। মামলার পর রহিমকে গ্রেপ্তার করলেও প্রধান আসামি রিপন পলাতক ছিলেন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নতুনদের কাছে কোনটা প্রিয়; ফেসবুক নাকি লিটল ম্যাগাজিন?

ফেসবুকে পরিচয়,প্রেম-বিয়ে অত:পর

পরিবারের সবাইকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে শ্যালিকাকে ধর্ষণ

ভারতের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক ডিএনএতে: ক্রাউন প্রিন্স

'খালেদা জিয়া কবে মুক্তি পাবেন?'

গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, দুর্ভোগ

এবার দল থেকে পদত্যাগ করলেন ৩ কনজারভেটিভ এমপি

চট্টগ্রামে পিকনিক বাসে ট্রেনের ধাক্কা, আহত ১৩

র‌্যাগিংয়ের অভিযোগে ইবির ৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

রূপগঞ্জে ইভটিজিংয়ের অভিনব সাজা

আড়ং মোড়ে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণ, ২ গাড়িতে আগুন, দগ্ধ ৫

পাবনায় হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন

অর্থনৈতিক সফলতায় বাংলাদেশি রেসিপি

প্রশ্নফাঁস ও ফলাফল পরিবর্তন করে দেয়ার নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৪

৪র্থ ধাপে ১২২ উপজেলায় নির্বাচন ৩১শে মার্চ

নিভৃতচারী এক ভাষাসৈনিক খলিলুর রহমান, মেলেনি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি