আলাপন

‘যে কাউকে পরিপক্ক হয়েই নির্মাণে আসা উচিত’

বিনোদন

এন আই বুলবুল | ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:০৭
আমি এখন একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছি। অভিনয়ে যেহেতু আগের মতো নেই তাই এখানেই ব্যস্ত সময় পার করছি। শোবিজে কাজ করার কারণে এখান থেকে আমি বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা পাই। মিডিয়ার কোনো কাজ থাকলে তখন আমাকে অফিস করতে হয়না। এই সময়ে নিজের ব্যস্ততা প্রসঙ্গে এভাবেই বললেন দর্শকপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা আহমেদ। নতুন বছরে এখনো কোনো নাটকে অভিনয় করেননি বলে জানান তিনি। তবে এরইমধ্যে দুটি টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। নতুন বছরে পরিকল্পনা কি? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নতুন বছরে কয়েকটি কাজের পরিকল্পনা করছি।
এগুলো এই মাসের শেষের দিকে চূড়ান্ত করবো। সত্যি বলতে, আমি নতুন বছরে একটু অন্যরকম ভাবে দর্শকের সামনে আসতে চাই। সেই কারণে কাজও বেশি করছিনা। ২০০৭ সালে ঐন্দ্রিলা ‘ঐখানে যেও নাকো তুমি’ নাটকের পর অভিনয়ে বিরতি টানেন। দীর্ঘ দশ বছর পর ২০১৭ সালের শেষের দিকে অভিনয়ে ফেরেন তিনি। গেল বছর কয়েকটি টিভি নাটকে এই অভিনেত্রীকে দেখা যায়। টিভি নাটকের পাশাপাশি বিজ্ঞাপনেও মডেল হয়েছেন ঐন্দ্রিলা। সর্বশেষ টিভি নাটকের কাজ নিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, গেল বছরের অক্টোবরের দিকে ‘চিলে কৌঠার সংসার’ শিরোনামের একটি নাটকে অভিনয় করেছি। এরপর আর কোনো নাটকে কাজ করা হয়নি। কারণ আমাদের এই সময়ে নাটকে কাজ করার ধরন বদলে গেছে। ঐন্দ্রিলার কথার প্রসঙ্গ ধরে জানতে চাওয়া হয়, নাট্যঙ্গনে কেমন পরিবর্তন এসেছে? এই সময় এবং দশ বছর আগের কাজের মধ্যে পার্থক্য কি? ঐন্দ্রিলার ভাষ্য, আমার শুরুর দিকে আমরা সবাই একে অপরকে একই পরিবারের ভাবতাম। কিন্তু এখনকার সময়ে সবাই অনেক প্রফেশনাল হয়ে গেছে। যে যার মতো কাজ করছে। এছাড়া আরো একটি বিষয় হচ্ছে, টিভি চ্যানেলের পছন্দ-অপছন্দ। নির্মাতা ইচ্ছে করলেই তার পছন্দের শিল্পীকে নিয়ে কাজ করতে পারছেন না অনেক সময়। কারণ টিভি চ্যানেল শিল্পী নির্বাচন করে দেয়। ২০০১ সালে বাবার (প্রয়াত অভিনেতা বুলবুল আহমেদ) হাত ধরে নায়িকা চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন এই গ্ল্যামারকন্যা। বাবার নির্দেশিত রবিন্দ্রনাথের ‘সুভা’ নাটকে তাকে প্রথম নায়িকা চরিত্রে দেখা যায়। পরবর্তিতে ‘পারমিতার দিনরাত্রি’, ‘অটুট বন্ধন’, ‘ভালোবাসার নীল প্রজাপতি’ ও ‘চন্দ্রহারা রাত্রি’সহ অনেকগুলো দর্শকপ্রিয় নাটক তিনি উপহার দিয়েছেন। এই সময়ে বাবাকে কতটা মিস করেন? এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, প্রতিটি সন্তানের কাছে তার বাবা অনেক প্রিয়। আমার কাছেও এর ব্যতিক্রম নয়। আমার আজকের এ পর্যন্ত আসার ক্ষেত্রে বড় অবদান হলো আমার বাবার। তার হাত ধরেই আমার যাত্রা শুরু। বাবাই আমাকে পথ চলা শিখিয়েছেন। বাবার দেখানো পথেই আমি হাটছি। যতদিন বেঁচে থাকি বাবার আদর্শেই বাঁচতে চাই। অভিনয়ের বাইরে অনেক শিল্পীই আজকাল নির্মাণ করছেন। ঐন্দ্রিলাকে কখনো ক্যামেরার পিছনে দেখা যাবে? এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্যামেরার পিছনে কাজ করার জন্য আমি ফিল্ম মেকিংয়ের ওপর পড়াশোনা করেছি। নির্দেশনায় আমাকে দেখা যাবে। কিন্তু এর জন্য কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। নিজেকে যখন পরিপক্ক মনে হবে তখনি নির্মাণে আসবো। অর্থাৎ আমার সঠিক সময়টি এলেই নির্মাণ শুরু করবো। অনেকেই নির্মাণকে সহজ মনে করেন। আসলে এটাকে সহজ ভাবার কিছু নেই। কাজটি আমার কাছে কঠিন মনে হয়। আমি মনে করি, যে কাউকে পরিপক্ক হয়েই নির্মাণে আসা উচিত।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ভোট হয়েছে রাতেই, নেতাদের প্রতিও ক্ষোভ

নাটেশ্বরের ঘরে ঘরে কান্না

গাড়িতে গাড়িতে ‘গ্যাস বোমা’

রাসায়নিকের গোডাউন ওয়াহেদ ম্যানশন

সরকারকে দায়ী করে বিএনপির মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন: তথ্যমন্ত্রী

চ্যালেঞ্জ ছুড়ে সিলেটে মাঠে ৫ বিদ্রোহী আওয়ামী লীগে দ্বিধাবিভক্তি

সড়কে মৃত্যুর মিছিল যেন স্বাভাবিক

বাংলাদেশের জনগণ ভালো থাকলে কিছু মানুষ অসুস্থ হয়ে যায়

গা ঢাকা দিয়েছেন গোডাউন মালিকরা

চার জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৫

কোথায় হারালো দুই বোন

আজিমপুরে শোকের মাতম

কান্নায় ভারি হয়ে উঠেছে বাতাস

কন্যার স্মৃতিতে পিতা

বাংলাদেশের জনগণ ভালো থাকলে কিছু মানুষ অসুস্থ হয়ে যায়

দরিদ্র্যতা নয় লোভের বলি