দুবাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগে বাংলাদেশী গ্রেপ্তার

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৯, সোমবার
পাকিস্তানি এক যুবতীকে দুবাইয়ের একটি পার্কে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক বাংলাদেশীকে। তাকে হস্তান্তর করা হয়েছে দুবাই পাবলিক প্রসিকিউশনে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন খালিজ টাইমস।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই যুবতী সম্প্রতি আল মামজার পার্কে বসেছিলেন বন্ধুর সঙ্গে। এ সময় দুবাই মিউনিসিপ্যালিটির স্টাফ হিসেবে পরিচয় দেয় ওই বাংলাদেশী। পরিচয় পত্র দেখতে চায় তাদের কাছে। একই সঙ্গে ৫০০ দিরহাম জরিমানা করে। অভিযোগকারী ২১ বছর বয়সী পাকিস্তানি যুবতী।
তার অভিযোগ তাকে ওই বাংলাদেশী ধর্ষণ করেছে। তিনি বলেছেন, এক বন্ধুর সঙ্গে তিনি পার্কে বসে ছিলেন। এ সময় ওই ব্যক্তি তাদের কাছে গিয়ে আইডি দেখতে চায় এবং জরিমানা করে। সঙ্গে এসব না থাকায় তার বন্ধু অর্থ ও আইডি কার্ড আনতে চলে যান বাসায়। এতে পাকিস্তানি ওই যুবতী একা হয়ে পড়েন। এ সময়ে ওই যুবতীকে টেনে হিঁচড়ে একটি বালুময় এলাকায় নিয়ে যায় অভিযুক্ত ব্যক্তি। তার ওপর শক্তি প্রয়োগ করে। এ সময় তিনি ছোটার জন্য চেষ্টা করেন। চিৎকার করার চেষ্টা করেন।

কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তি তার মুখ আটকে ধরে তাকে শুইয়ে রাখে। ধর্ষণ করে। এরপর তার মোবাইল ফোন চুরি করে নেয়।
অভিযোগকারীকে ছেড়ে দেয় ওই ব্যক্তি এবং এলাকা থেকে পালিয়ে যায় ‘ধর্ষণকারী’। এ সময় ওই যুবতী দৌড়ে তার বন্ধুর কাছে ছুটে যান। তারা দ্রুত পুলিশে ফোন করেন। দুবাই পুলিশ অনুসন্ধান চালিয়ে বাংলাদেশী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। সে দুবাইয়ে অবৈধভাবে বসবাস করছিল। তাকে ইংরেজি এইচ. এ হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Imran

২০১৯-০১-১৪ ১৩:২৫:৪৮

নাটক মনে হচ্ছে ! হয় সে পতিতা বেশী টাকা আদায় করতে চাইছে নাহয় আগে সম্পর্ক ছিল এখন তার চাইতে ভালো কাউকে পেয়ে গেছে তাকে দূরে সরানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে এমন একটা নাটক করেছে। বাংলাদেশ দূতাবাস বিষয় টি ভালো করে দেখা উচিৎ। যদি সত্য দরষণ হয় তার নিয়ম অনুযায়ী সাজা হওয়া উচিৎ।

Mehedi

২০১৯-০১-১৪ ০০:০৩:৪০

Ami dubai thaki sei hisabe bolte pari mone hoy aktu vinnu ( sajano ) aktu gor mil. Tarai valo jane.

আলাউদ্দিন

২০১৯-০১-১৩ ২৩:৪৫:১২

আমার মনে হয় সাজানো নাঠক। সে কি কর্তৃপক্ষ জরিমানার অধিকার রাখে না। কথা কাটাকাটি কিংবা বন্ধুর সাথে হাতে নাথে ধরে সুযোগ নিতে চেয়েছিল মনে হয়। মধ্যপ্রাচ্যে এরকম ধর্ষণ সম্ভব নয় ।

আপনার মতামত দিন