বৈশ্বিক সন্ত্রাস দমন সূচকে ৪ ধাপ অগ্রগতি বাংলাদেশের

শেষের পাতা

মানবজমিন ডেস্ক | ১৩ জানুয়ারি ২০১৯, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৩২
বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে চার ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। এ সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার অবস্থা পূর্বের থেকে খারাপ হলেও উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিবেচনায় বিশ্বের ১৬৩টি দেশের মধ্যে ২০১৭ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২১-এ। ২০১৮ সালে সেটি চার ধাপ এগিয়ে হয়েছে ২৫তম। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনোমিকস অ্যান্ড পিস-এর তৈরি করা এ সূচকে এ বছর বাংলাদেশের স্কোর হয়েছে ৫.৬৯৭। যা ২০১৭ সালে ছিল ৬.১৮১। দক্ষিণ এশিয়ার যে চারটি দেশে সন্ত্রাসবাদ কমেছে এবং সার্বিক নিরাপত্তার উন্নতি হয়েছে তার অন্যতম অবস্থান বাংলাদেশের। এ অঞ্চলের অপর তিন দেশ হচ্ছে- ভুটান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা।
সূচকে সব থেকে খারাপ অবস্থা ইরাকের। দেশটি ৯.৭৪৬ স্কোর নিয়ে সন্ত্রাসকবলিত দেশ হিসেবে প্রথম স্থানে রয়েছে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। আর তৃতীয় নাইজেরিয়া। চতুর্থ ও পঞ্চম যথাক্রমে সিরিয়া ও পাকিস্তান।

সন্ত্রাসে সেরা ওই পাঁচ রাষ্ট্রের কারও অবস্থানেই কোনো পরিবর্তন হয়নি এক বছরেও। অর্থাৎ দেশগুলো সন্ত্রাস দমনে কোনো উদ্যোগই নেয়নি বা নিলেও তাতে সন্ত্রাসবাদ হ্রাসে কোনো ফল আসেনি। সন্ত্রাসে সেরা ১০ দেশের যে গ্লোবাল ইনডেক্স তৈরি করেছে ইনস্টিটিউট ফর ইকোনোমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) দুর্ভাগ্যজনকভাবে এবারও তাতে নাম রয়েছে ভারতের। দেশটির অবস্থান গত বছরের তুলনায় এক ধাপ নিচে নেমে এবার সপ্তম স্থানে রয়েছে ভারত। আফগানিস্তান (দ্বিতীয়), পাকিস্তান (পঞ্চম) এবং ভারত (সপ্তম)- এই তিনটি রাষ্ট্রের কারণেই সূচকে সার্বিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার অবস্থান গত বছর থেকে অবনতি হয়েছে। আইইপি’র হিসেবে ২০০২ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ফিলিপাইন ও মিয়ানমারে সন্ত্রাসের কারণে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যু হয়েছে। এ সূচকে এবার মিয়ানমারের অবস্থান ১৩ ধাপ নিচে নেমেছে, দেশটির অবস্থান এখন ২৪তম। মিয়ানমারের স্কোর ৫.৯১৬। সূচকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থারও অবনতি হয়েছে। ১২ ধাপ পিছিয়ে (খারাপের দিক থেকে) দেশটি রয়েছে ২০তম স্থানে।

প্রতিবছর আইইপি এই গ্লোবাল টেরর ইনডেক্স বা জিটিআই সূচক প্রকাশ করে থাকে। এ বছর সংস্থাটি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, চরমপন্থি সংগঠনগুলোর কারণে নতুন করে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে। সাইবার জগতে সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে পড়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো এই সাইবার সন্ত্রাসের টার্গেটে পরিণত হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে সেখানে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির কথা তুলে ধরা হয়েছে। রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে সন্ত্রাসবাদ কমবেশি সব দেশেই হয়। জরিপের আওতাধীন ১৬৩টি রাষ্ট্রের মধ্যে প্রায় অর্ধেক রাষ্ট্রের স্কোর ১০ এর মধ্যে ২ এর নিচে। অর্থাৎ ওই রাষ্ট্রগুলোতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড তুলনামূলক কম হয়, অথবা রাষ্ট্রগুলোর সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে এমন সব কার্যকর মেকানিজম রয়েছে যাতে তারা সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেকাংশেই সফল।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বিনম্র শ্রদ্ধায় বীর শহীদদের স্মরণ

বিপর্যয়ের মুখে তেরেসা মে

অনেক বাস হাওয়া, দুর্ভোগে রাজধানীবাসী

জাপায় কেন এই অস্থিরতা?

অনলাইনে ডলার বিক্রির নামে প্রতারণা

হঠাৎ বেড়েছে গুলির ঘটনা

ওবায়দুল কাদেরকে কেবিনে নেয়া হয়েছে

ডাক বিভাগের ‘নগদ’-এর কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সিনেটরকে ডিম মারা প্রসঙ্গে যা বললেন ‘ডিম বালক’

মুক্তি কিসে স্বৈরশাসনে নাকি গণতন্ত্রের পুনঃউদ্ভাবনে?

বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত হতো না

৪৮ বছর পরও আমরা এমনটি আশা করিনি

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত মাহবুব তালুকদার

বিএনপি নেতিবাচক রাজনীতি না করলে দেশের আরো উন্নতি হতো

খালেদা জিয়াকে মুক্ত করাই বিএনপির অঙ্গীকার

বিনম্র শ্রদ্ধায় সারা দেশে স্বাধীনতা দিবস পালিত