গ্যাটকো মামলায় খালেদা জিয়াকে হাজিরে পরোয়ানা

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১১ জানুয়ারি ২০১৯, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ৫:৫৭
কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে হাজিরা পরোয়ানা (প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট) জারি করেছেন আদালত। কারাগারে  থাকা ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করতে হলে এ ওয়ারেন্ট জারি করে থাকেন আদালত। গতকাল ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন এ ওয়ারেন্ট জারি করেন।

এ মামলার অভিযোগ গঠনের ধার্য দিনে গতকাল দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন হাজিরা পরোয়ানা জারির আরজি পেশ করলে আদালত এ আদেশ দেন। তিনি বলেন, মামলাটি ৬ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন। তাই লম্বা সময় না দিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে মামলাটির অভিযোগ গঠন করা হোক। অন্যদিকে, খালেদা জিয়ার পক্ষে সময় চাওয়া হলে এর বিরোধিতা করেন দুদকের আইনজীবী।

পরে আদালত হাজিরা পরোয়ানার আদেশ দিয়ে ১৬ই জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করেন।
জরুরি অবস্থার শাসনামলে ২০০৭ সালের ২রা সেপ্টেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় গ্যাটকো মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতিসাধন করেছেন।
পরের বছর ১৩ই মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় দুদক।

এ মামলার কার্যক্রম উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত থাকার সম্প্রতি এটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
মামলার অভিযোগপত্রে থাকা অপর আসামিরা হলেন- চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক মন্ত্রী এম শামছুল ইসলাম, সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) সাবেক চেয়ারম্যান কমোডর জুলফিকার আলী, প্রয়াত মন্ত্রী কর্নেল আকবর হোসেনের (অব.) স্ত্রী জাহানারা আকবর, দুই ছেলে ইসমাইল হোসেন সায়মন এবং একেএম মুসা কাজল, এহসান ইউসুফ, সাবেক নৌ সচিব জুলফিকার হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) সাবেক সদস্য একে রশিদ উদ্দিন আহমেদ এবং গ্লোবাল এগ্রোট্রেড প্রাইভেট লিমিটেডের (গ্যাটকো) পরিচালক শাহজাহান এম হাসিব, গ্যাটকোর পরিচালক সৈয়দ তানভির আহমেদ ও সৈয়দ গালিব আহমেদ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান এএসএম শাহাদত হোসেন, বন্দরের সাবেক পরিচালক (পরিবহন) এএম সানোয়ার হোসেন ও বন্দরের সাবেক সদস্য লুৎফুল কবীর।

এরমধ্যে সাতজন মারা গেছেন। তারা হলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো, সাবেক মন্ত্রী এম সাইফুর রহমান, এম শামসুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, এমকে আনোয়ার, জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, বন্দরের প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা আহমেদ আবুল কাশেম।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বাংলাদেশকে এখন সবাই সম্মানের চোখে দেখে

এরপরও মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট পেলাম না

রাজনৈতিক গোষ্ঠী ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে ধর্মের অপব্যবহার করছে

সেই চালক-হেলপারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

তৃতীয় ধাপে ভোট পড়েছে ৪১ দশমিক ৪১ শতাংশ

কালরাত স্মরণে ব্ল্যাকআউট

সরকার ছদ্মবেশে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছে

শহিদুল আলমের মামলায় হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত হয়নি

সাহসিকতা ও সেবায় পুরস্কার পাচ্ছেন ৫৯ সদস্য

ঘুষ না খাওয়ার শপথ পড়ালেন অর্থমন্ত্রী

মৌলভীবাজার যুবলীগের কমিটিতে ছাত্রদল নেতা!

মঠবাড়িয়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

মাদক পাচার ও বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী

ফেল থেকে পাস ৮ হাজার শিক্ষার্থী

ক্রাইস্টচার্চের ঘটনায় সর্বোচ্চ পর্যায়ের তদন্তের ঘোষণা

ভিকারুননিসায় অধ্যক্ষ নিয়োগে বাধা নেই