রব-মান্নাকে বাধা

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:৪৪
মাহমুদুর রহমান মান্না ও আ.স.ম আবদুর রবের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দিয়েছে সরকার সমর্থকরা। গতকাল ঢাকা-১৮ আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপনের প্রচারণায় যান এক্যফ্রন্টের শীর্ষ এই দুই নেতা। বিকালে প্রচারণা শুরুর আগে ওই আসনের উত্তরখান এলাকায় কবির শাহ্‌ মাজার জিয়ারত করেন মান্না-রব। পরে নির্বাচর্নী প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ করতে গেলে একপর্য়ায়ে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাদের বাধা দেয়। তাদের উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন উত্তেজনাকর স্লোগান দিতে থাকে।

একপর্যায়ে তারা প্রচারণার কাজ বন্ধ করে দেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাহমুদুর রহমান মান্না ও আ.স.ম আবদুর রব। সরকার তাদের মেরে নির্বাচন থেকে বিতাড়িত করতে চায় বলে অভিযোগ করে নাগরিক ঐক্যের অহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, গত দুইদিন ধরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সারা দেশে আমাদের প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে।
এগুলোর মাধ্যমে সরকার প্রমাণ করছে, জোর করে তারা আবারো ক্ষমতায় থাকতে চায়। তারা জানে, জনগণের ভোটে তারা জিততে পারবে না। আর এজন্যই অরাজকতা সৃষ্টি করছে। আর তারা আমাদের মেরে নির্বাচন থেকে বের করে দিতে চায়। আমি স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, গণতন্ত্রের লড়াইয়ে আমরা মাঠে নেমেছি, আর এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবো। দেশ একটি মহা সংকটে রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আ.স.ম আবদুর রব। দেশের স্বার্বভৌমত্ব আজ হুমকির মুখে।

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে যে কমান্ডোরা তুলে নিয়ে গিয়েছিল। আজ তাদের হাতেই নৌকা মার্কা দেয়া হয়েছে। সেই প্রধানমন্ত্রীর মুখে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার কথা শোভা পায় না। তিনি গতকাল বলেছেন যারা স্বাধীনতার বিপক্ষে কাজ করেছে, তাদেরকে ভোটের মাধ্যমে রুখে দেন। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, ধানের শীষ এটা শুধু খালেদা জিয়ার প্রতীক নয়, এটা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের প্রতীক। ‘ধানে শীষে দিলে ভোট শান্তি পাবে দেশের লোক’ বলে স্লোগান দেন তিনি। রব আরো বলেন, আপনাদের একটি ভোট খালেদা জিয়ার মুক্তিকে আরো তরান্বিত করবে। আমাদের এ লড়াই গণতন্ত্রের লড়াই, এ লড়াই স্বৈরাশাসকের বিরুদ্ধে লড়াই, এ লড়াই বাংলার মানুষের মুক্তির লড়াই বলে উল্লেখ করেন রব। পরে ওই আসনে ঐক্যফন্টের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, আমরা সারাক্ষণ ভয় এবং আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।

প্রতীক পাওয়ার পর থেকে আমার নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। আর এখন পর্যন্ত নির্বাচনের কোনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের কিছুই দেখছি না। সোমবার প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন ওই আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন। ২০০৮ ও ২০১৪ সালে এই ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সাহারা খাতুন। এবারের একদাশ নির্বাচনে বড় দুই দলের প্রার্থী ছাড়াও বিভিন্ন দল থেকে ৬ জন নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। আম প্রতীকে মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ, মোমবাতি প্রতীকে মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, টেলিভিশন নিয়ে আতিকুর রহমান নাজিম, হ্যারিকেন নিয়ে রেজাউল ইসলাম স্বপন, হাতপাখা নিয়ে আনোয়ার হোসেন ও বাঘ প্রতীকে রফিকুল ইসলাম নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। ঢাকা-১৮ আসনটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১ ও ১৭ নং ওয়ার্ড ও দক্ষিণখান, খিলক্ষেত, তুরাগ, উত্তরা এবং উত্তরখান থানার এলাকা নিয়ে গঠিত।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

জাফর আহমেদ

২০১৮-১২-১৩ ১৩:১৩:০৫

এগুলো বলে এখন আর লাভ হবে না। প্রতিরোধে গড়ে তুলতে হবে। না হয় বাঁচার উপায় নেই।

আপনার মতামত দিন

পদ হারালেন জিএম কাদের

গণপরিবহনে বিশৃঙ্খলার নেপথ্যে

অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন মেনন, লাইসেন্স ছিল না চালকের

পতাকা উত্তোলন দিবস আজ

ওয়াশিংটনে মোমেন-পম্পেও বৈঠক ১০ই এপ্রিল

ইন্টারনেটে ব্ল্যাকমেইল

বরিশালে দুর্ঘটনায় মা-ছেলেসহ নিহত ৭

ডাকসুর নেতৃত্ব দেবেন নুর, থাকবেন আন্দোলনেও

ঐক্যফ্রন্টের কর্মী সমাবেশ এপ্রিলে

দুই মিনিট স্তব্ধ নিউজিল্যান্ড, সংহতি অস্ট্রেলিয়ারও

বিমানবন্দরে অস্ত্রসহ আওয়ামী লীগ নেতা আটক

বিয়ের পিঁড়িতে ‘কাটার মাস্টার’ মোস্তাফিজ

যক্ষ্মা: ২৬ শতাংশ রোগী শনাক্তের বাইরে

ওবায়দুল কাদের শঙ্কামুক্ত

কক্সবাজারে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ীসহ নিহত ৩

দর্শকশূন্যতার বড় কারণ হলের বাজে পরিবেশ