শরিকদের প্রার্থী রেখে দেয়া আওয়ামী লীগের কৌশল

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৪৮
দেড় শতাধিক আসনে মহাজোটভুক্ত দলগুলোর একাধিক প্রার্থী রাখাকে একটি কৌশল বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপি যদি শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে যায়, তাহলেও যেন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হয়, সেজন্য আগেভাগে এই কৌশল ঠিক করে রেখেছে সরকারি দল। গতকাল সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলারের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, মহাজোট থেকে জাতীয় পার্টি, ১৪ দল, বিকল্প ধারার মধ্যে আসন ভাগাভাগি হলেও তার বাইরে অন্য দলগুলোর নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে ভোট করায় আওয়ামী লীগের আপত্তি নেই।

আমাদের একটা কৌশল আছে, কৌশলটা তো বলবো না। সুস্পষ্ট কৌশল আছে। আমাদের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অ্যালায়েন্স দাঁড়িয়ে গেছে। আমরা না বুঝে দিয়েছি এটা? ইলেকশনের দিন বুঝতে পারবেন, অন্যরা ?যদি সরে যায় তারপর। এবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফাঁদ তৈরি করতে দেবো না।
বিএনপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন কিনা- প্রশ্ন করা হলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমি এখনো সেটা মনে করি না, তারা থাকবে এটাই আশা করবো। কিন্তু তাদের সিদ্ধান্ত তো আমি জানি না- এখনো তারা পরিষ্কার করে কিছু বলেনি। তাদের যে কার্যকলাপ, তাতে সংশয় জাগে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনার বিষয়বস্তু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ফ্রি ও ফেয়ার নির্বাচন আশা করে। আমি বলেছি, এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ অনেক ভালো। তাই প্রত্যাশা করছি, পিসফুলি হবে। সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। শুধু নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করবে যাতে নিউট্রাল ভূমিকা পালন করতে পারে। আমরা এই আশ্বাস আবারও দিয়েছি।

আমাদের কলসি ভরা
এদিকে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘ওরিয়েন্টশন প্রোগ্রাম অব মাস্টার ট্রেইনারস’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যাদের কলসি ফাঁকা তারা সন্ত্রাস করবে। আমাদের কলসি ভরা, আমরা সন্ত্রাস করবো না। তিনি বলেন, ভায়োলেন্সের জবাব নন ভায়োলেন্স দিয়েই দিতে হবে।

এতে যারা ভোটার তারা ঠিকই বুঝতে পারবে। আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাবের হোসেন চৌধুরী ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান মিস ক্রেইটি ক্রোক। ইউএস এইড ও ইউকে এইডের সহযোগিতায় এ ট্রেনিং অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে তাহলে ৩০শে ডিসেম্বর আরেকটি বিজয় আসবে। আওয়ামী লীগকে পরাজিত করার মতো দল নেই। তিনি বলেন, দেশে এখন দুটি পক্ষ। একটি হচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অসামপ্রদায়িক গোষ্ঠী অন্যটি খালেদা জিয়া, তারেক আর ড. কামাল হোসেনদের নেতৃত্বে সামপ্রদায়িক গোষ্ঠী।

জনগণ সামপ্রদায়িকতা পছন্দ করে না। তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপির গণভাটা চলছে। তাদের ভাঙা হাট আর জমবে না। এখন পর্যন্ত বিএনপির অনেক প্রার্থী প্রচারণা শুরু করেননি। মনোনয়ন বাণিজ্যের কারণে বিএনপির অনেক প্রার্থী বাইরে বের হচ্ছেন না। মাস্টার ট্রেইনারদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা আজ ট্রেনিং নিলেন জেলা উপজেলা পর্যায়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

শুধু তাই না, আপনারা এলাকায় গিয়ে যাদের ট্রেনিং করাবেন তাদের কমিটমেন্ট থাকতে হবে। ভোট শেষ এবং কাউন্ট না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করতে হবে। পোলিং এজেন্টদের হিমালয়ের মতো অটল এবং অবিচল থাকতে হবে। তবেই জয় নিশ্চিত হবে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

জামিনে মুক্তি পেয়েছেন মামুন হাসান

ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ ৭ দিনের নিচে হবে না: বিটিআরসি

নির্বাচনের ফলকে কীভাবে দেখছেন ভারতীয় গবেষকরা?

কমলাপুর রেলস্টেশনে আগুন

মার্চে ডিএনসিসি ভোটের ইঙ্গিত দিলেন সিইসি

দ্বিতীয়বার ব্রেক্সিট গণভোট চান ৭১ লেবার এমপি

মুসলিম উম্মাহর একসঙ্গে থাকা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

সীতাকুন্ডে তেলের ডিপোতে আগুন

টিআইবির বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করলেন সিইসি

এমপিদের শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জের রিটের আদেশ কাল

জাতীয় পার্টি শক্ত বিরোধীদলের ভুমিকা রাখবে: রাঙ্গা

সব জায়গায় শুদ্ধি অভিযান হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কানাডায় পাল্টে যাওয়া জীবন সৌদি টিনেজার রাহাফের

রামগঞ্জে ৭দিন ধরে নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্রী

ফখরুলের পদত্যাগ করা উচিত বলে মনে করেন কাদের

ঢাকা উত্তর সিটির উপনির্বাচন হতে আইনগত বাধা নেই