কেন্দ্রে যান, নিজের ভোট রক্ষা করুন- ফখরুল

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ৬ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:২৭
ভোট সুরক্ষায় নির্বাচনের দিন কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, এই দেশ আপনাদের। আপনারা দেশের মালিক। আপনাদের নির্বাচনের দিন কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। এটা নাগরিক হিসেবে আপনাদের দায়িত্ব। আমরা সেই আহ্বানই জানাচ্ছি যে, নির্বাচনের দিন ঘর থেকে বেরিয়ে আসুন। ভোট কেন্দ্রে যান। ভোট নিশ্চিত করুন, ভোট সুরক্ষা করুন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে গতকাল দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

মির্জা আলমগীর বলেন, প্রতিদিন নতুন নতুন মামলা দিয়ে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এত হীনমন্যতা কেনো? এত ভয় কেনো? তার একটাই কারণ সুষ্ঠু নির্বাচন যদি হয়, জনগণ যদি ভোটকেন্দ্রে যায় তাহলে তারা (আওয়ামী লীগ) কোনো মতেই এই নির্বাচনে সফল হতে পারবে না, তাদের ভরাডুবি হবে।

নির্বাচনে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি আনুষ্ঠানিকভাবে বলছি- আমাদের এখন পর্যন্ত তালিকা চূড়ান্ত হয়নি। আমরা এখন পর্যন্ত মনোনয়নের তালিকা চূড়ান্ত করতে পারিনি। তবে আশা করছি, আজকের (গতকাল) মধ্যে করে ফেলতে পারবো। যদি করে ফেলতে পারি তাহলে সন্ধ্যার পরে আমরা আপনাদেরকে জানাবো। বিএনপি মহাসচিব বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ ও সমতল ভূমি তৈরি হয়নি। এটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না নির্বাচন একটা প্রহসনে পরিণত হতে চলেছে।

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তো দূরে থাকুক এখন চেষ্টা করা হচ্ছে এটাকে আরো কী করে খারাপ করা যায়। খানাখন্দ আরো খোঁড়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। প্রতিমুহূর্তে সৃষ্টি করা হচ্ছে প্রতিবন্ধকতা। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন পরিপত্র জারি করছে বিভিন্ন সময়ে। যে পরিপত্রগুলো কখনোই নির্বাচনের সহায়ক নয়। নির্বাচনের বিধিতে আছে যে, মনোনয়নপত্র দাখিল করার পরে যতক্ষণ প্রতীক বরাদ্দ করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো সভা-সমাবেশ-মিছিল করা বন্ধ। অথচ সরকারি দল আওয়ামী লীগ প্রতিদিন সভা-সমাবেশ-মিছিল করছে, সেখানে তারা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ছে না। মির্জা আলমগীর বলেন, আমি স্পষ্ট করে নির্বাচন কমিশনকে বলতে চাই- আপনারা যদি দায়িত্ব পালন করতে না পারেন তাহলে মৌলিক নীতিগত অবলিগেশন থেকে দেশবাসীর কাছে বলুন আমরা নিরপেক্ষভাবে মুক্তভাবে, স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছি না। এবং আপনাদের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করা উচিত।

অন্যথায় সংবিধান আপনাদের যে দায়িত্ব দিয়েছে সেই দায়িত্ব নিয়ে আপনারা নির্বাচনটাকে নিরপেক্ষ করার সমস্ত ব্যবস্থা করুন। আমরা কমিশনকে বারবার বলেছি, আপনাদের দায়িত্ব পালনে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো। কিন্তু সরকারের মন্ত্রী ও সরকারি দলের নেতারা যা বলবেন সেভাবে আপনারা কাজ করবেন তাহলে এ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। মির্জা আলমগীর বলেন, রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ‘একদলীয় ও একতরফা’ নির্বাচন করার চক্রান্ত ক্ষমতাসীন দলের। আর আমরা নির্বাচনে এসেছি আমাদের আন্দোলনের অংশ হিসেবে। একদিকে আমাদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে আটক করে রেখেছে, হাজার হাজার নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আটক করে রেখেছে। আমরা জোর দিয়ে বলছি, অবিলম্বে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হোক, আটক নেতাকর্মীদের মুক্ত করা হোক।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে বিএনপি

মুসলিম বিদ্বেষের কারণে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ফেসবুকে সাময়িক বরখাস্ত

রাজধানীতে স্টিল মিলের ৮ কর্মচারী দগ্ধ

নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ: আসক

রোগীর প্রেসক্রিপশনে নৌকার প্রচারণা!

“আমার বাড়িতে একরাত থাকুন”

একটি কালোগাড়ি কনক চাঁপাকে ফলো করছে

‘নিজেদের বিবেককে জিজ্ঞাসা করুন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে কি না, তাহলে উত্তর পেয়ে যাবেন’

বাঘারপাড়ায় ধানের শীষের ৭টি নির্বাচনী অফিস ভাংচুর, আহত ৫

তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে পুলিশকে ইসির নির্দেশ

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসবেন ৩২ পর্যবেক্ষক- মিলার

অটল লতিফ সিদ্দিকী, অবস্থান ধর্মঘট অব্যাহত রেখেছেন

যা আছে ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে

তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা, যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তর কোরিয়ার সতর্কতা

পুলিশী নিরাপত্তার নামে গৃহবন্দী আছি- ড. জালাল উদ্দিন

ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার ভোটারদের সঙ্গে তামাশা- আওয়ামী লীগ