শতভাগ আশাবাদী মিনু

এক্সক্লুসিভ

আসলাম-উদ-দৌলা, রাজশাহী থেকে | ৬ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:০৫
লেভেল প্লেয়িং ফ্লিডের অভাব, নতুন মামলা ও গ্রেপ্তার আতঙ্ক। তবে বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী রাজশাহী-২ (সদর) আসনে বিএনপি প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, গত ৯ই নভেম্বর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিভাগীয় সমাবেশ বাধা-বিঘ্নের মধ্যেও বিশাল জমায়েতই বলে দেয় ধানের শীষের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সেই গণজোয়ারে সরকারের সকল ষড়যন্ত্র বালির বাঁধের মতো বিলীন হয়ে যাবে। ২০০১ সালের নির্বাচনে দেশের ৩য় সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন মিজানুর রহমান মিনু। এর আগে টানা ১৭ বছর সিটি মেয়র হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছেন। আধুনিক রাজশাহীর রূপকার বলা হয় তাকে। ৯৪’ সালে ওয়ার্ল্ডের ইয়াং মেয়রের স্বীকৃতি পান।
২০০৪ সালে গ্লিন সিটি, ক্লিন সিটি ও নিরাপদ মহানগরী গড়ে লন্ডন স্কুল অব ইকোনোমিকস কর্তৃক রাজশাহীকে হ্যাপিয়েস্ট সিটি অব দ্য ওয়ার্ল্ডের স্বীকৃতি এনে দেন। ২০০৫ সালে কানাডা পার্লামেন্ট বাংলাদেশের সংসদীয় দলের নেতৃত্ব দেন মিজানুর রহমান মিনু। রাজশাহী ওয়াসা, মহানগর রক্ষা বাঁধ, ফ্রেজ-২ বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন। জাতীয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনের পরিচিতি ও দৃশ্যমান উন্নয়ন প্রকল্প তাকে ভোটের মাঠে এগিয়ে রাখে।
আছে ক্যারিশমেটিক নেতৃত্ব ও পারিবারিক ঐতিহ্য। মিজানুর রহমান মিনুর আরেকটি বড় গুণ হচ্ছে তিনি প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট সম্মান করেন। হাস্যজ্জ্বল চেহারা অমায়িক ব্যবহার আর সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য সর্বমহলে সমাদৃত।  মুরব্বিরা যেমন তাকে অত্যন্ত স্নেহ করেন। ছোটদের শ্রদ্ধার পাত্র তিনি। ভোর থেকে গভীর রাত অবধি জনগণের ভেতরে থাকেন। গত ২৫শে নভেম্বর থেকে নির্বাচনী গণসংযোগ শুরু করেছেন। এরইমধ্যে ১০৪টি ভোটকেন্দ্রের প্রায় প্রতিটিতে কর্মীসভা সম্পন্ন করেছেন। প্রতিদিন কেন্দ্র কমিটির সাথে বসছেন। সাংগঠনিকভাবে দলকে গুছিয়ে ফেলেছেন। এখন শুধু প্রতীক বরাদ্দের অপেক্ষা। কোনোভাবে যাতে ভোটের ফলাফল ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে না পারে সেজন্য দলীয় নেতাকর্মীরা সোচ্চার আছেন।
নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়ে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারি দলের সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। ধড়পাকড় চলছে। বাঘা-চারঘাট সংসদীয় আসনের জনপ্রিয় নেতা আবু সাঈদ চাঁদকে ৬ বার জেলগেট থেকে গ্রেপ্তার করেছে। গত ১৫ দিনে শুধু রাজশাহী-২ আসনেই শতাধিক ভুয়া মামলা দিয়েছে। এই পর্যন্ত ৪০/৪২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের হাইকোর্ট থেকে জামিন করে আনতে প্রচুর অর্থ খরচ হচ্ছে। প্রশাসন বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করছে। সরকারি কর্মকর্তা ও কমিশন আমাদের ঠিকমত কাগজ সরবারহ করছে না। যেন নির্বাচনে অযোগ্য হয়, সেজন্য কিছু কিছু কাগজ দিচ্ছেন না। রাতে আমাদের নেতাকর্মীর বাড়িতে গিয়ে তাদের পরিবারকে হুমকি দেয়া হচ্ছে। অর্থ দাবি করছে। শেষ চেষ্টা হিসেবে বিশেষ নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার দেখানোর পাঁয়তারা চলছে। যাতে ২/৩ মাসের আগে জামিন না হয়।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে বিএনপি

মুসলিম বিদ্বেষের কারণে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ফেসবুকে সাময়িক বরখাস্ত

রাজধানীতে স্টিল মিলের ৮ কর্মচারী দগ্ধ

নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ: আসক

রোগীর প্রেসক্রিপশনে নৌকার প্রচারণা!

“আমার বাড়িতে একরাত থাকুন”

একটি কালোগাড়ি কনক চাঁপাকে ফলো করছে

‘নিজেদের বিবেককে জিজ্ঞাসা করুন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে কি না, তাহলে উত্তর পেয়ে যাবেন’

বাঘারপাড়ায় ধানের শীষের ৭টি নির্বাচনী অফিস ভাংচুর, আহত ৫

তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে পুলিশকে ইসির নির্দেশ

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসবেন ৩২ পর্যবেক্ষক- মিলার

অটল লতিফ সিদ্দিকী, অবস্থান ধর্মঘট অব্যাহত রেখেছেন

যা আছে ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে

তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা, যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তর কোরিয়ার সতর্কতা

পুলিশী নিরাপত্তার নামে গৃহবন্দী আছি- ড. জালাল উদ্দিন

ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার ভোটারদের সঙ্গে তামাশা- আওয়ামী লীগ