সিলেট-৬

প্রচারণায় এগিয়ে নাহিদ ও ফয়ছল

এক্সক্লুসিভ

বিয়ানীবাজার (সিলেট) প্রতিনিধি | ৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:১৫
সিলেট-৬ বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ নির্বাচনী আসনে প্রধান দুই দলের সম্ভাব্য প্রার্থী গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। যদিও মনোনয়ন প্রত্যাহারের দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত এই দু’জনই যে দু’জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে নিজ দল এবং জোট শেষপর্যন্ত তাদের উপরই আস্থা রাখবে, এমন বিশ্বাসে এই আসনের ওয়ার্ড এবং গ্রামপর্যায়ে চষে বেড়াচ্ছেন নৌকার প্রার্থী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং ধানের শীষের প্রার্থী ফয়ছল আহমদ চৌধুরী।

বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ আসন থেকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের মনোনয়ন পেতে আরো একাধিক ব্যক্তি মনোনয়নপ্রত্যাশী হলেও গণসংযোগে বেশ এগিয়ে আছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। নির্বাচন সামনে রেখে এলাকায় ফিরে তিনি স্থানীয় প্রভাবশালী এবং গ্রাম্য মোড়লদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান এবং ঘরোয়া বৈঠকেও যোগ দিয়েছেন নুরুল ইসলাম নাহিদ। বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগকালে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার হাতে এদেশ নিরাপদ। উন্নয়ন এবং গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে পুনরায় নৌকা মার্কার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি।


তার অনুসারী বিয়ানীবাজার পৌরসভার মেয়র মো. আবদুস শুকুর বলেন, গত ১০ বছরে নুরুল ইসলাম নাহিদের নেতৃত্বে বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জে যে উন্নয়ন হয়েছে, তা আর কেউ করতে পারবে না। তিনি এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সকলের সহযোগিতা চান। গণসংযোগকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খান, আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাছিব মনিয়া, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সামছুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এবাদ আহমদ প্রমুখ।

এদিকে পিছিয়ে নেই ধানের শীষের প্রার্থী ফয়ছল আহমদ চৌধুরীও। একই প্রতীকে নির্বাচন করতে এই আসনে আরো ৩ জনের হাতে দলীয় চিঠি তুলে দেয়া হয়েছে। জাসাস’র কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হেলাল খান, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা হাবীবুর রহমান এবং ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবদুর রকিবও একই প্রতীকে নির্বাচন করতে আগ্রহী। যদিও প্রচারণা এবং গণসংযোগে তারা অনেকটা পিছিয়ে বলে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আলোচনা আছে। অপরদিকে গণসংযোগকালে ফয়ছল আহমদ চৌধুরী বলেন, হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, গুম-খুন বন্ধ, বাক-স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিধানের জন্য বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্টকে ক্ষমতায় আনতে হবে। এ সময় তার সঙ্গে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য নজরুল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজমুল হোসেন পুতুল, যুগ্ম সম্পাদক ছরওয়ার হোসেন, চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ প্রমুখ।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক মঞ্চে প্রার্থীরা, নিলেন শপথ

গো বলয়ের রঙ বদলে বিরোধীরা আত্মবিশ্বাসী

নিতাই রায় চৌধুরীর নির্বাচনী অফিসে হামলা-ভাংচুর

খন্দকার মোশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ থানায়

ক্ষমতাসীনদের অধীনেও ভালো নির্বাচন হতে পারে এটা প্রমান করা গুরুত্বপূর্ণ

বিশ্বের শীর্ষ ১০ পর্নো তারকার অনেকেই নিষ্ক্রিয় কিংবা মৃত

ভারতের যে স্কুলে পড়েছেন বিশ্বের শীর্ষ তিন সিইও

আস্থা ভোটে টিকে গেলেন তেরেসা মে

‘এটি এই বছরের জন্য স্পেশাল একটি বিষয়’

নৌকায় ভোট চাইলেন হাসিনা

সিলেট থেকে ধানের শীষের প্রচারণা শুরু

হামলা, সংঘর্ষ-বাধা

‘চোখ রাঙালে চোখ তুলে নেয়া হবে’

নির্বাচন কমিশন বিব্রত

আলোকচিত্রী থেকে কয়েদি

ডিসিদের রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ কেন অবৈধ নয়