কক্সবাজারে উজ্জ্বীবিত বিএনপি

অনলাইন

রাসেল চৌধুরী, কক্সবাজার থেকে | ১৪ নভেম্বর ২০১৮, বুধবার, ১২:০০ | সর্বশেষ আপডেট: ৮:০৩
কক্সবাজার বিএনপিতে প্রাণচাঞ্চল্যতা ফিরে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে মামলা হামলায় কোণঠাসা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এখন উজ্জ্বীবিত। নেতাকর্মীদের পদভারে বিএনপির জেলা ও উপজেলা কার্যালয়গুলো এখন সরগরম।

আত্মবিশ্বাসী নেতাকর্মীরা জানান, এবারের নির্বাচনে তারা প্রমাণ করে দিতে চান, কক্সবাজারের ৪টি আসনই বিএনপির ঘাঁটি। রাজপথ ও ভোটের রাজনীতিতে তারা এগিয়ে। নির্বাচনী মাঠে এবার পুরোপুরি নিজেদের উজাড় করে দিতে প্রস্তুত বলেও জানান তারা। তবে বেশীরভাগ নেতাকর্মীর মাঝে এখনও পুলিশী অতংক বিরাজ করছে। তারা জানান, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও মাঠ পর্যায়ে দলীয় নেতাকর্মীদের হয়রানী করা হচ্ছে।

কক্সবাজার জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জিসান উদ্দিন জিসান বলেন, বিএনপি আন্দোলন এবং নির্বাচন দু’টির জন্য সবসময় প্রস্তুত।
কক্সবাজারে রাজপথ ও ভোটের রাজনীতিতে আমরা এগিয়ে। কিন্ত গায়েবী মামলা ও পুলিশী হয়রানির কারণে তারা এতোদিন কোণঠাসা ছিলেন। এখন সময় এসেছে নিজেদের প্রমাণ করার। আগামী নির্বাচনে নেতাকর্মীরা তাদের সর্বোচ্চ দিয়ে কক্সবাজারের ৪টি আসনেই জয় ছিনিয়ে আনবে।
 
কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান জানান, আওয়ামী লীগ নয়, আমাদের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে পুলিশ। প্রতিপক্ষ হিসাবে পুলিশ মাঠে না থাকলে রাজপথ ছাত্রদলের দখলে থাকবে। একইভাবে জেলার ৪টি আসনেই বিএনপি জয় পাবে। সেভাবেই আমরা কাজ শুরু করেছি।

জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী বলেন, অসংখ্যা মিথ্যা মামলা খড়ক মাথায় নিয়েও জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নেতাকর্মীরা উৎসবমুখর। ক’দিন আগেও পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। পুরো জেলার ৮টি থানায় ১৪টি গায়েবী মামলায় ইতিমধ্যে ১৭০০ নেতাকর্মীকে আসামী করে মামলা করা হয়েছে। ফলে নেতাকর্মীরা আতংকিত ছিল। কিন্তু বিএনপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণের ঘোষণা আসার সঙ্গে সঙ্গেই পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। তৃণমূলে জনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। শুধু দলীয় নেতাকর্মী নয়, সাধারণ মানুষও এখন বিএনপিকে ভোট দেয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে।

কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী বলেন, সাধারণ মানুষ বন্দিদশা থেকে মুক্তির অপেক্ষায় ছিল। বিএনপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণের মধ্যদিয়ে সে সুযোগ সৃষ্টি হলো। যদি নির্বাচনী ক্যু না হয় তাহলে শুধু জেলায় নয়, সারাদেশে ভোট বিপ্লব হবে।

তিনি বলেন, যদি ভোট ৫০শতাংশও সুষ্ঠু হয়, তারপরও বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্ট বিপুল ভোটে এগিয়ে থাকবে। আর বর্তমানে বিএনপি ভোটে আসার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে যেন উৎসব ফিরে এসেছে। মানুষ নিজে এসে আমাদের সাথে যোগাযোগ করছে। তারা শুধু বলছে ভোট কেন্দ্র পর্যন্ত তাদের পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে। এ সময় তিনি বলেন, সরকার একদিকে নির্বাচন করতে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। অন্যদিকে দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করছে। তাহলে কিভাবে সুষ্ঠু হবে কিভাবে?

তবে কেন্দ্রীয় মৎসজীবি সম্পাদক ও সদর রামু আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজলের মতে, এখনো নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত হয়নি। তারপরও দেশের মানুষকে মুক্তি  এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বার্থে বিএনপি শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবে। প্রভাবমুক্ত ভোট হলে জেলার ৪টিসহ বিএনপি সারাদেশে ২ শতাধিক আসনে জয় পাবে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বাংলাদেশে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিতে মার্কিন কংগ্রেসে রেজ্যুলেশন পাস

‘সরকার আর ১৫ দিন ক্ষমতায়, বেআইনি আদেশ মানবেন না’

ড. কামাল হোসেনের গাড়িবহরে হামলা

খামোশ বললেই জনগণ খামোশ হবে না

সিইসির নির্দেশিত তদন্ত ফল প্রকাশ পাবে কি?

চলে গেলেন আমজাদ হোসেন

সিলেটে রচিত হলো ইতিহাস

কুমিল্লা কারাগারে অনশনে মনিরুল হক চৌধুরী

সারা দেশে ধরপাকড় অব্যাহত

রাখাইনে সেনা অভিযানকে গণহত্যা আখ্যা দিলো মার্কিন কংগ্রেস

নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় বেড়েছে দমনপীড়ন

পাবনায় চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে নিহত ৩

শ্রদ্ধা ভালোবাসায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ

নিরাপত্তা চেয়ে বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনের জিডি

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যুদ্ধ করে যাবো

এহিয়াকে চ্যালেঞ্জ মুহিব ও এনামের