ঢাকা-১১

বদলে যাচ্ছে মাঠের চিত্র

এক্সক্লুসিভ

মারুফ কিবরিয়া | ১৪ নভেম্বর ২০১৮, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১০:৫৭
রাজধানীর ভাটারা, বাড্ডা ও রামপুরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১১ আসন। গত কয়েকদিন সরজমিন দেখা যায়, সবার মধ্যে ভোটের আমেজ। নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা আগে থেকে ঘর গোছানো শুরু করলেও বিএনপির নেতারাও মাঠে ফিরছেন। দুই দলের নেতাকর্মীরাই গণসংযোগে অলিতে-গলিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তবে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ যেন না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখছেন দুই পক্ষই। এলাকাভিত্তিক দলীয় কার্যালয়গুলোতে সকাল-সন্ধ্যা আলোচনায় বসছেন নেতারা। বিএনপির মহানগর উত্তরের এক নেতা  জানান, এতদিন নেতাকর্মীরা মামলা-হামলার ভয়ে দূরে থাকলেও এখন বেশ সক্রিয়। তারা দলের জন্য নিয়মিত কাজ করছেন।
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নেতাকর্মীরা তাদের মধ্যে যোগাযোগ রাখছেন। পাশাপাশি ভোটে অংশ নিয়ে ঢাকা-১১ আসনে আওয়ামী লীগের বিপক্ষে লড়াইয়ের জন্য শিগগিরই সম্ভাব্য প্রার্থী এমএ কাইয়ুমও দেশে ফিরছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নির্বাচন নিয়ে এতদিন হতাশা কাজ করলে তারা এখন অনেকটাই আশাবাদী। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটটি দিতে পারবেন- এমন প্রত্যাশায় মাহিদুল হাসান নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, আমার ভীষণ ভালো লাগছে যে, এবার ভোটটি দিতে পারবো। অতীতের সবকিছু ছাপিয়ে আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নিজের পছন্দের প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করতে পারবো। এতদিন সংশয় ছিল বিএনপি বা অন্য বিরোধীরা নির্বাচনে না আসলে তো  নির্বাচনই হবে না। সেক্ষেত্রে ভোটও আর দেয়া হবে না। তবে এখন সব দল নির্বাচনে আসার ঘোষণা দেয়ায় বেশ ভালো লাগছে। নাঈম নামের এক ব্যাংকার বলেন, ভোট দেয়া আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। আমরা মনে হয় বহুদিন এ অধিকার থেকে বঞ্চিত। এবার আর হবে না- এমন বিশ্বাস করি। ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির মতো দিন যেন ফিরে না আসে এমন কথা ব্যক্ত করে সাবিহা আক্তার নামের এক স্কুলশিক্ষিকা বলেন, ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি আর দেখতে চাই না। আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। আমাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চাই। ভাটারার আব্বাস আলী নামের এক চা দোকানি বলেন, ভোট তো এখন হয় না। ঢাকার এই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে টানা দুইবার প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন বর্তমান এমপি একেএম রহমতুল্লাহ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এমপি হতে সম্প্রতি মনোনয়ন ফরম কিনেছেন তিনি।  অন্যদিকে সবশেষ ২০০৮ সালে রহমতুল্লাহর কাছে পরাজয়বরণ করা বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এম এ কাইয়ুমের পক্ষ থেকে আসন পুনরুদ্ধারের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন তার সমর্থকরা। তার বিরুদ্ধে মামলা থাকায় এখনো দেশের বাইরেই অবস্থান করছেন এই বিএনপি নেতা। অবশ্য দুই দলেরই নেতারা মনে করেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ঢাকার অন্য আসনের চেয়ে এই আসনেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। দীর্ঘদিন ঢাকা-১১ থেকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী একেএম রহমতুল্লাহ। তবে এবার একই আসনে লড়াইয়ের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ঢাকা-১ আসনের এমপি সালমা ইসলামের ছেলে শামীম ইসলাম। ভোট নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও এ আসনে আগাম প্রচারণা সেরে রেখেছেন বর্তমান এমপি ও তার সমর্থকরা। এখন সড়কে সড়কে শোভা পাচ্ছে সরকারি দলের নেতাকর্মীদের ব্যানার ও পোস্টার। রাজনৈতিক মামলা ও হয়রানির কারণে বিএনপির নেতাকর্মীরা এতদিন মাঠছাড়া ছিলেন। নির্বাচনের আবহ তৈরি হওয়ায় তারা এখন মাঠে ফিরছেন। নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।       




এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

মঈন খানের প্রচারণায় হামলা, আহত ১০

ময়মনসিংহে বিএনপির মিছিলে হামলা, আহত ৩৫, ভাংচুর

রাঙ্গাবালীতে আওয়ামী লীগ-বিএনপির সংঘর্ষে অর্ধশত আহত, ব্যাপক ধরপাকড়

সৌদি জোটের হামলায় ৯ মাসেই ৬০ হাজার ইয়েমেনি নিহত, সবথেকে রক্তাক্ত মাস নভেম্বর

ইউরোপজুড়ে ছুটছেন মে

মানিকগঞ্জে বিএনপির প্রচারণায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলা, আহত ১০ জন

শাহজাদপুরে বিএনপি প্রার্থীর বাড়িতে হামলা, আহত ১৫, অগ্নিসংযোগ

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ-বিএনপির কোলাকুলি

‘কঠিন সময়ে প্রবেশ করছে যুক্তরাষ্ট্র’

নোয়াখালীতে সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা নিহত

সিলেট থেকেই কাল প্রচারাভিযান শুরু করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

এবার ৫৪টি নিউজ পোর্টাল ও ওয়েবসাইট বন্ধের নির্দেশ বিটিআরসির

ভারতে ৫ রাজ্যের নির্বাচনে বিজেপি ভরাডুবির পথে

‘নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই হামলা’

‘পুলিশের ওপর ইসির কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই’

নড়াইলে এনপিপির কর্মীসভায় হামলা